উত্তর : কোন ব্যক্তি কিছু ওয়াকফ করে তা পুনরায় দাবী করতে পারে না। কেননা ওয়াকফকৃত বস্ত্ত তার থাকে না। সুতরাং এরূপ দাবী করা সম্পদ ফিরিয়ে নেওয়ার শামিল। যাকে বমি করে পুনরায় খাওয়ার সাথে তুলনা করা হয়েছে (বুখারী হা/১৪৯০, মুসলিম হা/১৬২২, মিশকাত হা/১৯৫৪)। আর কোন মুসলিম অপর মুসলিমকে মসজিদে ছালাত আদায় থেকে বাধা দেওয়ার অধিকার রাখে না। মসজিদে ছালাত আদায় করতে নিষেধ করা বড় গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ বলেন, ‘তার চাইতে বড় যালেম আর কে আছে যে আল্লাহ্র মসজিদ সমূহে তাঁর নাম উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং সেগুলিকে বিরান করার চেষ্টা চালায়? (বাক্বারাহ ২/১১৪)। এক্ষণে উক্ত জমির ওয়াকফকারী হিসাবে নিজের বড়ত্ব যাহির করে এরূপ কাজ করলে তাকে তওবা করতে হবে। নতুবা ওয়াকফের নেকী থেকে তিনি বঞ্চিত হবেন।






প্রশ্ন (২০/৩৮০) : সূরা ত্বোয়াহা ১৩২ আয়াতের তাফসীর জানতে চাই।
প্রশ্ন (২/৩২২) রামাযান মাসে দিনের বেলা পুকুরে ডুব দিয়ে গোসল করা বা সাতার কাঁটা যাবে কি?
প্রশ্ন (২০/১০০) : কা‘বা গৃহের দিকে দৃষ্টিপাত করা কি ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত? ছহীহ হাদীছের আলোকে জানতে চাই। - -রায়হান কবীর, ঢাকা।
প্রশ্ন (৬/১২৬) : আমি ইটভাটায় কাঁচা ইট সাজানোর কাজ করি। এক এক ভাগে ইট ধরে ১৮৮০০। কিন্তু আমাদের যারা হেড তারা ম্যানেজার ও কোম্পানীকে ধোঁকা দিয়ে ২০ হাযার ইটের টাকা নেয়। এই টাকার ভাগ আমিও পাই। বিগত বছরেও এরকম টাকা আমি নিয়েছি। এখন আমি অনুতপ্ত। কিভাবে এই অপরাধ থেকে মুক্ত হ’তে পারি?
প্রশ্ন (২০/২২০) : কুরবানীর চামড়া বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ মসজিদের উন্নয়নে কাজে লাগানো যাবে কি? - আরশাদ আলী মুজিবনগর, মেহেরপুর।
প্রশ্ন (২৮/৩৪৮) : ডাক্তারের নিকটে কোন রোগের চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি শারঈ ঝাড়-ফুঁকের চিকিৎসা নেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৯/৮৯) : আমাদের বাসায় চল্লিশটি ক্বাফযুক্ত দো‘আ আছে। যা পড়লে নাকি অনেক নেকী হয়। এর কোন সত্যতা আছে কি? - -আবু তাহের, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন (১৬/১৬) : দুধ বা কোন খাবারে বিড়াল মুখ দিলে উক্ত খাবার খাওয়া যাবে কি? - -তাওহীদ, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৬/২৪৬) : জনৈক আলেম বলেন, পানি থাকা অবস্থায় ঢিলা কুলুখ ব্যবহার করা যাবে না। এটা সঠিক কি? আর পানি থাকা অবস্থায় টিস্যু ব্যবহার করা যাবে কি? - -নাহিদ হাসান, বগুড়া।
প্রশ্ন (৩১/২৭১) : অসুস্থ বা মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে তার সন্তানেরা ক্বাযা ছিয়াম আদায় করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৭/৩২৭) : আমাদের গ্রামে কারো কোন জিনিস হারিয়ে গেলে বা চুরি হ’লে হারানো বস্ত্ত খুঁজে পাওয়ার জন্যে অথবা চোর ধরার জন্য কয়েকজন ওযূ করে একটি পিতলের বদনা নিয়ে বসে তাতে পানি দিয়ে কাঁঠালের পাতায় বিভিন্ন জনের নাম লিখে বদনাতে দিয়ে দেয়। আর পাশে বসে একজন সূরা ইয়াসীন পড়তে থাকে। আর বদনা দু’জনের দুই আঙ্গুলের উপর ধরে রাখে। এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়তে পড়তে যখন বদনাতে চোরের নাম আসে তখন বদনা এমনিতেই ঘুরতে শুরু করে দেয়। তাদের ভাষ্যমতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নাকি আসল চোরের নাম উঠে আসে। প্রশ্ন হ’ল এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়ে পিতলের বদনা নিয়ে চোর ধরার পদ্ধতি অথবা এগুলোর উপর বিশ্বাস করা কিসের মধ্যে পড়ে? - -সামিয়া আখতার, আম্বরখানা, সিলেট।
প্রশ্ন (১/৪০১) : আমি নও মুসলিম। ছুটির সময় অমুসলিম পিতা-মাতার সাথে মিলিত হ’লে তাদের রান্নাকৃত খাবার খাওয়া যাবে কি? - -ইউসুফ হাসান আবীরপলাশপোল, সাতক্ষীরা।
আরও
আরও
.