উত্তর : এটি একটি ফিক্বহী পরিভাষা। অর্থ অধিকাংশ। সাধারণ অর্থে, যখন কোন ফিক্বহী মাসআলায় অধিকাংশ ইমাম বা ফক্বীহ একমত পোষণ করেন, তখন সে মতটিকে ‘জমহূর’-এর মত বলা হয়। বিশেষ অর্থে, জমহূর বলতে বুঝানো হয়, এক ইমামের বিপরীতে তিন ইমামের মতামত। অর্থাৎ যখন কোন মাসআলায় চার ইমামের তিন ইমাম একই ফয়ছালা দেন, তখন সে মাসআলাকে জমহূরের মত বলা হয়। আবার যদি কোন মাসআলায় দু’জন ইমাম একমত হন, কিন্তু অপর দু’জন ইমাম ভিন্ন ভিন্ন মত পোষণ করেন; তখন প্রথমোক্ত দুই ইমামের মতকে জমহূরের মত বলা হবে। আবার জমহূর বলতে চার ইমামের ঐক্যমতকেও বুঝানো হয় (আব্দুল কারীম যায়দান, কিতাবু উছূলিদ দা‘ওয়াহ ১/৩৯০-৯৩)। আর কোন মাসআলায় যখন বলা হবে জামাহিরের মত তখন বুঝতে হবে তাতে মুসলিম উম্মাহর ইজমা‘ রয়েছে (আব্দুল্লাহ বিন যায়দান, তাহরীমু নাহবিল আমওয়ালিল মু‘আহিদীন ২১৫ পৃ: ইবনু মানযুর, লিসানুল আরব ৪/১৪৯)

প্রশ্নকারী : নাসীম আহমাদ, কুয়েট, খুলনা।








প্রশ্ন (১/৩২১) : মেয়েদের হরমোনগত কারণে দাড়ি বা গোফ বৃদ্ধি পেলে রেজার বা অন্য কোন রিমুভার দিয়ে তা তুলে ফেলা বা শেভ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৫/৩৮৫) : কিছু হাদীছ প্রমাণ করে যে, ইমামের পিছনে কিছু পড়া যাবে না। অনেকে বলেন, ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা না পড়লে ছালাত হবে না। সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৪/৪১৪) : আত-তাহরীক পড়ে জানতে পারলাম রাসূল (ছাঃ) নূরের তৈরী নন, মাটির তৈরী। তাহলে ওছমান (রাঃ) ‘যিন নুরাইন’ বলা হয় কেন? রাসূল (ছাঃ)-এর ২ কন্যার সাথে বিবাহ হওয়ার কারণেই যদি তাকে যিন নুরাইন বলা হয় তাহলে রাসূল (ছাঃ) নূরের তৈরী। একথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (২১/১০১) : ছাদাক্বা বয়স বৃদ্ধি করে এবং মন্দ মৃত্যু প্রতিরোধ করে -মর্মে বর্ণিত হাদীছটির বিশুদ্ধতা সম্পর্কে জানতে চাই। - -আল-আমীন, ভুগরইল পশ্চিমপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৩/৪৩৩) : ফেরেশতাদের প্রতি ঈমান আনার হিকমত কি? এই বিশ্বাস মানবজীবনে তো বিশেষ কোন প্রভাব রাখে না। আর কেউ যদি ফেরেশতার অস্তিত্ব স্বীকার না করে, সে কি কাফের হয়ে যাবে? - -মুমিনুল হক্ব, মিরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৮/৩৯৮) : একটি গ্রাম্য মসজিদের ইমাম ভুল করে ইফতারের দশ মিনিট পূর্বে আযান দিয়ে দেয়। আযান শুনে বহু ছায়েম ইফতার করে ফেলে। এক্ষণে যে সকল ছায়েম ভুল করে সময়ের আগে ইফতার করল তাদেরকে কি পুনরায় ছিয়াম আদায় করতে হবে? - -হুসাইন আহমাদ, ধুরইল, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৯/৩৮৯) : নির্দিষ্ট একটি দিনকে দো‘আ দিবস বা দলীয়ভাবে ছিয়াম রাখার জন্য নির্দিষ্ট করা কি শরী‘আতের দৃষ্টিতে জায়েয হবে? পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে বিষয়টি জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৭/৪৭৭) : জনৈক বক্তা বলেন, মৌখিক আযান যতদূর পর্যন্ত শোনা যাবে, ততদূর পর্যন্ত অন্য মসজিদ নির্মাণ করা যাবে না। এর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (১০/৯০) : অনেক মাদরাসায় বিভিন্ন ব্যক্তির নামে ফলের বীজ দিয়ে দো‘আ ইউনুস পড়া হয়। অতঃপর সবাই পানির পাত্রে ফুঁক দেয়। শেষে উপস্থিত সকলকে নিয়ে ঐ ব্যক্তির জন্য সম্মিলিতভাবে হাত তুলে দো‘আ করা হয় এবং তবারক বিতরণ করা হয়। উক্ত পদ্ধতি কি শরী‘আত সম্মত? উক্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/১৫৭) : মাসবূক ব্যক্তি ইমাম হ’তে পারবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৩০৪) : মসজিদের অনুদানের টাকা দিয়ে ইমাম ও মুওয়ায্যিনের বেতন-ভাতা দেওয়া যাবে কি? - -আব্দুল আউয়াল, মির্জাপুর, গাযীপুর।
প্রশ্ন (৩/৩) : সূদী অর্থ দিয়ে ক্রয়কৃত জনৈক ব্যক্তির জমি ফসল ভাগাভাগির চুক্তিতে লিজ নেওয়া যাবে কি? - -কাওছার মাহমূদনওদাপাড়া, রাজশাহী।
আরও
আরও
.