উত্তর : মুসলিম হওয়ার জন্য চার কালেমা মুখস্থ করা শর্ত নয়; বরং চার কালেমার বিষয়বস্ত্তর উপর ঈমান আনা ও তার উপর আমল করা শর্ত। উল্লেখ্য যে, চার কালেমা হ’ল, আল্লাহর তাওহীদের সাক্ষ্য যুক্ত কিছু বাক্য, যেগুলোকে পরবর্তী বিদ্বানগণ কুরআন ও হাদীছ থেকে গ্রহণ করেছেন এবং বিভিন্ন নামে নামকরণ করেছেন। যেমন- (১) কালেমা ত্বাইয়েবা তথা لا إله إلا الله, যেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কালেমা (ইবরাহীম ২৪ আয়াতের ব্যাখ্যা দ্র; ঊছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১/৭৯)। (২) কালেমা শাহাদাত, যা দ্বারা আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল উভয়ের প্রতি ঈমানের সাক্ষ্য প্রদান করা হয়- أشهد أن لا اله الا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪)। এছাড়াও রয়েছে কালেমা তাওহীদ, কালেমা তামজীদ প্রভৃতি, যেগুলি ইজতিহাদ ভিত্তিক (আরবী ক্বায়েদা ১ম ভাগ, ২৩ পৃ.)

প্রশ্নকারী : আবূ সাঈদ, ঢাকা।







প্রশ্ন (৩৭/২৭৭) : ওযায়ের সম্পর্কে জানতে চাই। - রবীউল ইসলাম নিয়ামতপুর ,নওগাঁ।
প্রশ্ন (১৫/৯৫) : ‘মিল্লাতা আবীকুম ইরবাহীমা, হুয়া সাম্মাকুমুল মুসলেমীন’ আয়াতটির অর্থ কি? জনৈক টিভি আলোচক বলেন, ইব্রাহীম (আঃ) আরবদের পিতা, সকল মুসলিমের পিতা নন। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৫/১৩৫) : আযানের সময় বিভিন্ন মসজিদের আযান শোনা যায়। এক্ষণে যেকোন একটির উত্তর দিলেই যথেষ্ট হবে, না সবগুলিরই উত্তর দিতে হবে?
প্রশ্ন (১৪/৪১৪) : পর্দাসহ মেয়েরা বাইসাইকেল বা মটর সাইকেল চালাতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩০/৩৯০) : কোন পুরুষ সন্তান জন্মদানে অক্ষম হ’লে তার কাছ থেকে ‘খোলা’ করে বিচ্ছিন্ন হওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১/৪০১) : আমলে শিরক থাকলে কি ঈমান বাতিল হবে?
প্রশ্ন (২/১৬২) : বিতর ছালাতে কুনূত পড়ার সময় হাত তোলা যাবে কি?
প্রশ্ন (৮/১২৮) : ময়না তদন্ত সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি কি? মৃতদেহে প্রয়োজনে এমন কাঁটাছেড়া করা জায়েয হবে কি? - -মহিদুর রহমান, তানোর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৮/৩৭৮) : সন্তানের ক্ষতি হওয়ার আশংকায় গর্ভবতী বা দুগ্ধদায়িনী মহিলা ছিয়াম পালন না করলে সেক্ষেত্রে ক্বাযা ছিয়াম আদায় করতে হবে, না ফিদইয়া প্রদান করতে হবে? - -আব্দুল্লাহ লাবীব, বর্ষাপাড়া, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।
প্রশ্ন (২২/৩৮২) : মি‘রাজে গমনের সময় বায়তুল মুক্বাদ্দাসে সকল নবী-রাসূল কি সশরীরে উপস্থিত হয়েছিলেন? তারা কি কবর থেকে উত্থিত হয়েছিলেন? এ ব্যাপারে সবিস্তারে জানতে চাই।
প্রশ্ন (১১/১১) : মাসিক ‘আত-তাহরীকে’ জুলাই ২০১০ এ ২৬নং প্রশ্নোত্তরে বলা হয়েছে, বাজার মূল্যের চেয়ে কেউ যদি বেশী নেয় তাহলে যুলুম হবে। বর্তমান বাকীতে ক্রয়ের সময় বাজার দরের চেয়ে বেশী নেওয়া হচ্ছে। ১২০০/= জিনিস ১৫০০/= টাকা নিচ্ছে। এটা কি যুলুম না সূদ না ধোঁকা? এ ধরনের ব্যবসা কি জায়েয?
প্রশ্ন (১৫/৩৩৫) : গর্ভবতী পশু দ্বারা কুরবানী করা যাবে কি?
আরও
আরও
.