উত্তরঃ রামাযানের ছিয়াম পালন করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর ফরয (বাক্বারাহ ১৮৩)। সুতরাং স্বামী যদি ছিয়াম পালনকারী স্ত্রীর সাথে জোর পূর্বক সহবাস করে তাহ’লে সে গোনাহগার হবে। এক্ষেত্রে স্ত্রী দায়ী হবে না। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা আমার উম্মতের ভুলবশতঃ ও বাধ্যগত অবস্থায় কৃত  অপরাধ ক্ষমা করে দিয়েছেন’ (ইবনু মাজাহ হা/২০৪৫)। এমতাবস্থায় স্বামীকে উক্ত ছিয়ামের ক্বাযা ও কাফফারা দু’টিই আদায় করতে হবে। আর স্ত্রীকে কেবল উক্ত ছিয়ামের ক্বাযা আদায় করতে হবে (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/৫৩৪ পৃঃ)। এরূপ ছিয়াম ভঙ্গের কাফফারা হচ্ছে একজন ক্রীতদাস মুক্ত করা। কিংবা দু’মাস একাধারে ছিয়াম পালন অথবা ৬০ জন মিসকীনকে খাদ্য খাওয়ানো।






বিষয়সমূহ: ছিয়াম-রামাযান
প্রশ্ন (২৯/১০৯) : ছহীহ বুখারীতে এসেছে ‘যদি হাওয়া খেয়ানত না করতেন, তবে যুগে যুগে কোন নারী তার স্বামীর সাথে খেয়ানত করত না’। হাদীছটির ব্যাখ্যা জানতে চাই। - -মামূন, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৯/২৫৯) : নাভির নীচের লোম না কাটলে ৪০ দিনের ইবাদত কবুল হয় না মর্মে প্রচলিত কথাটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৭/১০৭) : হিন্দুদের দাওয়াত দানের উদ্দেশ্যে পূজামন্ডপের বাইরে কুরআনের অনুবাদ ও ইসলামী বইপত্র বিতরণ করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৯/১৮৯) : স্ত্রী স্বামীকে এরূপ বলেছে যে, ‘তুমি যদি আমাকে স্পর্শ কর, তবে তা তোমার মৃত মায়ের সাথে যেনার সদৃশ হবে’। এক্ষণে এর কাফফারা কি হবে?
প্রশ্ন (১২/৪১২) : সমাজে একটি গল্প প্রচলিত আছে যে, মহিলাদের মধ্যে সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবে একজন কাঠুরিয়ার স্ত্রী। এর কোন সত্যতা আছে কি? যদি সত্য হয়, তবে কোন কারণে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে? - -আব্দুর রহীম, ষষ্ঠীতলা, যশোর।
প্রশ্ন (১৩/৫৩) : অন্যের ভ্রুণ নষ্ট করার পাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় জানতে চাইলে জনৈক আলেম এর কাফফারা হিসাবে দু’মাস ছিয়াম পালন এবং তওবা করতে বলেন। উক্ত বক্তব্য কি শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (৩/৩) : জনৈক বক্তা বলেন, মৃত ব্যক্তির নামে দান করলে মৃতের উপকার হবে না। কারণ মৃত্যুর পর নেকীর পথ বন্ধ হয়ে যায়। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৫/১৮৫) : ফজরের পর সফরে বের হয়ে মাগরিবের পর সফর শেষ হয়। এর মধ্যকার যোহর ও আছর ছালাত মাগরিবের ছালাতের সাথে পড়তে হবে? না ফজরের সময় এক সাথে সকল ছালাত পড়ে নিয়ে সফরে বের হ’তে হবে? - -মঈনুদ্দীন আহমাদনওহাটা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৯/৩৬৯) : আমি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। আমার ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রী উভয়ই আছে। আমি হাত ও পা মোজা, নিকাবসহ পূর্ণ পর্দার সাথে ক্লাস নেই। অবসরে পৃথক কক্ষে বসার কারণে সহকর্মীদের সাথেও একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কথা বা সাক্ষাৎ হয় না। পড়ানোর সময়ও কন্ঠ কঠোর রাখি। এক্ষণে আমার জন্য শিক্ষকতা করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৩/২৭৩) : ঘরের চালা ও বেড়ার টিনের গায়ে মুরগী ও গরুর ছবি থাকলে উক্ত ঘরে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - -জাহাঙ্গীর আলম, মীরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৬/২৯৬) : মহিলারা জানাযার ছালাতে এবং কবরে মাটি দেওয়ার কাজে অংশগ্রহণ করতে পারে কি?
প্রশ্ন (২৪/১৮৪) : মসজিদে প্রবেশ এবং বের হওয়ার সময় মুছল্লীদের উদ্দেশ্যে সালাম দেওয়া যাবে কি?
আরও
আরও
.