উত্তর : ছালাতের বাইরে উক্ত সময়ে কুরআনে ও ছহীহ হাদীছে বর্ণিত দো‘আ সমূহ ছাড়াও নিজ নিজ ভাষায়ও মনে মনে দো‘আ পড়া যাবে (ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ৪র্থ সংস্করণ পৃঃ ১৩৩)






প্রশ্ন (৩৮/২৭৮) : সূদ হারাম জানা সত্ত্বেও আমি ব্যাংক থেকে একাধিক বার সূদ নিয়েছি। আমি গুনাহগার। আমি কিভাবে এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাব? আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন?
প্রশ্ন (১৮/৯৮) : বহু দিন হায়েয বন্ধ থাকার পর কালো রক্ত আসলে সেটি হায়েয হিসাবে গণ্য হবে কি?
প্রশ্ন (৯/২৪৯) : বর্তমানে অনেক পরিবারে বিবাহ বার্ষিকী, জন্ম ও মৃত্যু দিবস, বাবা দিবস, মা দিবস ইত্যাদি অনুষ্ঠান পালিত হয়। নিছক সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষার্থে ঘৃণা রেখে এসব অনুষ্ঠানে যোগদান করা যাবে কি? এসব অনুষ্ঠান থেকে কোন খাদ্য পাঠালে তা খাওয়া যাবে কি? - -কবীর মেহেদী, লালমাটিয়া, ঢাকা।
প্রশ্ন (৭/২০৭) : মহান আল্লাহ বিচারের মাঠে বান্দাদের সব পাপ ক্ষমা করবেন যদি শিরক না থাকে। তাহ’লে কি তিনি বান্দার সাথে সম্পর্কিত গোনাহও মাফ করবেন? - নাসীফুল মুশফিক, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৫/৬৫) : আমার জানা মতে, আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) সূরা নাস ও ফালাক্বকে কুরআনের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করতেন না। একজন ছাহাবী কর্তৃক এটা কিভাবে সম্ভব? - -আশরাফ, সোনাতলা, বগুড়া।
প্রশ্ন (২১/১৮১) : ১৯৭১ সালে নিহত মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে মসজিদের ভিতরে পৃথক রংয়ের খুঁটি তৈরী করা এবং তাদের জন্য নিয়মিতভাবে সূরা ইয়াসীন পাঠ করা যাবে কি? - -তাহসীন আল-মাহী, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রশ্ন (৯/৯) : মসজিদে অনেক সময় মুছল্লীরা দুনিয়াবী গল্প-গুজব, হৈ-চৈ ইত্যাদি করে। এটা শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (১৪/৪৫৪) : জনৈক ব্যক্তি পিতা-মাতার অবাধ্যতায় বিবাহ করেছে। এখন সে কিভাবে আল্লাহ তা‘আলা এবং পিতা-মাতার নিকটে ক্ষমা পাবে?
প্রশ্ন (৯/৪০৯) : কুরবানীর পশুতে আক্বীক্বার নিয়ত করে কুরবানী করা যাবে কি? - -আহমাদুল্লাহ, চারঘাট, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৮/২৮) : হজ্জ পালনকারীগণ প্রতিদিন বারবার বায়তুল্লাহ নফল তাওয়াফ করে। রাসূল (ছাঃ) বা ছাহাবায়ে কেরাম এভাবে বারবার তাওয়াফ করতেন কি?
প্রশ্ন (১৬/৩৭৬) : মাসিক আত-তাহরীক ডিসেম্বর ২০০৯ সংখ্যা ১২নং পৃষ্ঠায় ‘নয়টি প্রশ্নের উত্তর’ নিবন্ধে বলা হয়েছে যে, যাদের নিকট ইসলামের দাওয়াত পৌঁছেনি, তাদের জন্য আখিরাতে আল্লাহর বিশেষ ব্যবস্থাপনা থাকবে। আর সেটা এই যে, তাদের পরীক্ষার জন্য আল্লাহ তাদের কাছে একজন রাসূল পাঠাবেন। প্রশ্ন হ’ল, ঐ রাসূলের নাম কী?
প্রশ্ন (২৮/৩০৮) : জনৈক ইমাম বলেন, ইবনু আববাস (রাঃ) শিশুদের তাবীয দিতেন। তাই ছোটদের তাবীয দেওয়া যাবে, কিন্তু বড়দের নয়। আর হাদীছে বর্ণিত তামীমা দ্বারা তাবীয নয় বরং তাগা, সুতা এগুলো বুঝায়। আর তাবীযই ভালো করবে বা নাপা ওষুধই ভালো করবে এরকম মনে করলে শিরক হবে। সাধারণভাবে ব্যবহার করলে শিরক হবে না। এসব কথার সত্যতা আছে কি?
আরও
আরও
.