উত্তর : চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ক্ষতির আশংকা না থাকলে হায়েয বন্ধের জন্য ওষুধ সেবন করতে পারে। জনৈক মহিলা ওষুধ সেবন করে হায়েয বন্ধ করার ব্যাপারে ইবনু ওমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এতে কোন দোষ নেই (মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক হা/১২১৯-২০ কাশশাফুল কেনা১/২১৮)। এক্ষণে কারো যদি ওষুধ সেবন করা সম্ভব না হয় তাহ’লে ইহরাম ছাড়াই মক্কায় প্রবেশ করবে এবং পবিত্র হ’লে ইহরাম বেঁধে ওমরাহর কার্যাবলী সম্পাদন করবে (উছায়মীন, মাজমূফাতাওয়া ২৪/৩৫১)

প্রশ্নকারী : সাদিয়ানওদাপাড়ারাজশাহী।







প্রশ্ন (২৭/৪২৭) : বর্তমানে এআই টেকনোলজি দিয়ে বিভিন্ন বক্তার ভিডিও বক্তব্য নকল করে নিজের মত কথা সাজিয়ে বলানো সম্ভব হচ্ছে। ফলে যিনি যা বলেননি, কৃত্রিমভাবে তাই বলানো যাচ্ছে। যাতে বিভ্রান্তি ছড়ানোর ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এভাবে বক্তব্য নকল করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৮/৬৮) : সূরা ফাতিহা পড়া হয়েছি কি-হয়নি সন্দেহ হ’লে সহো সিজদা বা ছালাত পুনরায় আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১১/৩৩১) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, জুম‘আর খুৎবা শ্রবণ ওয়াজিব এবং তাহিইয়াতুল মসজিদ ছালাত পড়া সুন্নাত। সুতরাং খুৎবা শুরু হয়ে গেলে তাহিইয়াতুল মসজিদ আদায় না করে খুৎবা শুনতে হবে। একথা সঠিক কি?
প্রশ্ন (৩০/৩৫০) : আমি বিগত এক বছর যাবত মক্কা শহরে অবস্থান করছি এবং আমার বাসা কা‘বার একদম পাশেই অবস্থিত। এমতাবস্থায় হজ্জের সময় আমি যদি সরাসরি আরাফা ময়দানে গিয়ে সেখান থেকে ইহরাম পরিধান করে হজ্জের যাবতীয় কার্যক্রম পালন করি, তাহ’লে আমার হজ্জ কি সঠিকভাবে আদায় হবে?
প্রশ্ন (২১/১০১) : আমি গ্রীসে পুলিশের হেফাযতে শরণার্থী ক্যাম্পে আছি। এখানে মুরগীর গোশত, কাবাব ও অন্যান্য খাবার দেয়, যা খৃষ্টানদের যবেহকৃত। এগুলি খাওয়া যাবে কি? - -শফীউল ইসলাম, গ্রীস।
প্রশ্ন (৮/২৮৮) : আল্লাহকে প্রভু, প্রতিপালক, সৃষ্টিকর্তা ইত্যাদি নামে অভিহিত করা যাবে কি? - -নযরুল ইসলাম, পাইকগাছা, খুলনা।
প্রশ্ন (২৩/১৪৩) : ছালাত শেষে সালাম ফিরানোর সময় যে দু’বার সালাম দেওয়া হয় তা কাকে দেওয়া হয়?
প্রশ্ন (৯/৩২৯) : মসজিদের কাতার থেকে আবাসিক ঘরের দূরত্ব ত্রিশ হাতের মত। ছালাত আরম্ভ হ’লে আমার স্ত্রী ইমামের আওয়ায শুনতে পায়। এ অবস্থায় সেই ঘর থেকে সে মূল জামা‘আতের অনুসরণ করতে পারবে কি? - -আব্দুর রাকীব, জলঢাকা, নীলফামারী।
প্রশ্ন (৪/৩৬৪) : বিপদাপদ থেকে মুক্তির জন্য মাইকে কুরআন তেলাওয়াত করা বা আযান দেয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২৩/৪২৩) : জনৈক ব্যক্তি শস্য ক্রয় করে ঘরে রেখে বিক্রি করে। বাকীতে বিক্রয় করলে নগদ মূল্যের চেয়ে কিছু বেশী ধরে। এভাবে ব্যবসা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩১/৩৫১) : কোন জীবিত আত্মীয়ের পক্ষ থেকে কুরবানী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১/৪১): কোন ব্যক্তি ঋণ রেখে মারা গেলে তার ওয়ারিছগণ যদি তা পরিশোধ না করে, তাহ’লে মৃত ব্যক্তি কি দায়ী হবে? না ওয়ারিছগণ অপরাধী সাব্যস্ত হবে?
আরও
আরও
.