উত্তরঃ এ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (আবুদাঊদ হা/৪৯০৩)। তবে হিংসা করা একটি জঘন্যতম অপরাধ। এই অভ্যাস শরী‘আতের দৃষ্টিতে অত্যন্ত ঘৃণিত (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৫০২৮)। এ বিষয়ে বহু হাদীছ বর্ণিত হয়েছে।






বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (৩০/১৯০) : আমার পিতা মারা গেলে কাফন পরানোর সময় আমাদের মসজিদের ইমাম পিতার কপালে সুগন্ধি দ্বারা আল্লাহ ও মুহাম্মাদ লিখে দেন। এর পক্ষে কোন দলীল আছে কি?
প্রশ্ন (৩/৮৩) : সূদখোর কি চিরস্থায়ী জাহান্নামী? - -আহসানুল্লাহ, নওহাটা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৮/১২৮) : জনৈক দানশীল ধার্মিক ব্যক্তি কিছু স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠার পর মারা গেছেন। বর্তমানে সেগুলিতে নাচ-গানসহ বিভিন্ন অনৈসলামিক কর্মকান্ড হয়ে থাকে। এক্ষণে এসব পাপের ভার কি কেবল বর্তমান পরিচালকদের না উক্ত প্রতিষ্ঠাতার আমলনামাতেও যুক্ত হবে?
প্রশ্ন (৩০/১৯০) : মসজিদে মহিলারা যেন জুম‘আর খুৎবা দেখতে পায় সেজন্য মনিটর বা প্রজেক্টর ব্যবহার করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২২/৩০২) : পশুর পেটে বাচ্চা থাকা অবস্থায় ঐ পশু কুরবাণী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৯/৩৪৯) : অনেকে বলেন, খুৎবার সময় তাশাহহুদের হালতে বসতে হবে। এর প্রমাণে কোন দলীল আছে কি? - -আমীরুল ইসলাম, শান্তিনগর, জয়পুরহাট।
প্রশ্নঃ (৩৬/৩১৬) : কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের চরিত্র ঠিক রাখার জন্য নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চুক্তি ভিত্তিক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হ’তে পারবে কি?
প্রশ্ন (৯/৩৬৯) : সুন্নাত ছালাত আদায় রত অবস্থায় ফরয ছালাত শুরু হয়ে গেলে উক্ত মুছল্লীর জন্য করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৪/১৯৪) : মরণোত্তর চক্ষুদান বা দেহ দান করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/১৩৯) : পারিবারিকভাবে ফ্ল্যাট নির্মাণ করতে গিয়ে আমার স্বামী প্রচুর পরিমাণ ঋণী হয়ে পড়েছেন। ফ্ল্যাট বিক্রি না হওয়ায় তার ঋণ পরিশোধ করাও সম্ভব হচ্ছে না। শুনেছি বায়তুল্লাহ গিয়ে দো‘আ করলে দো‘আ কবুল হয়। এক্ষণে এ মহা বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য আমাদের করণীয় কি? বায়তুল্লাহ গমন বা মানত করা না কি সাধারণভাবে দো‘আ করা উচিৎ হবে? - -রোকেয়া বেগম, নাযিরাবাজার, ঢাকা।
প্রশ্ন (২/৪২) : কেউ যদি কুরআন ও সুন্নাহ মেনে চলে তার জন্য কোন জামা‘আত বা সংগঠনের অন্তুর্ভুক্ত থাকা যরূরী কি? বিশেষতঃ যারা আমরা অমুসলিম দেশে বসবাস করি? - -রফীকুল ইসলাম, এ্যানকোনা, ইতালী।
প্রশ্ন (২২/২২২) : বর্ণিত আছে যে, খলীফা থাকাকালীন সময়ে ওমর (রাঃ) সন্তানদের জন্য ঈদের কাপড় ক্রয় করতে না পেরে বায়তুল মাল-এর প্রধান আবু ওবায়দা (রাঃ)-কে তার এক মাসের অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি পাঠান। পত্র পেয়ে তিনি অশ্রুসিক্ত হ’লেও উত্তর লিখলেন যে, অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য দু’টি বিষয় বিবেচনা করতে হবে। প্রথমতঃ আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে থাকবেন কি-না? দ্বিতীয়তঃ বেঁচে থাকলেও মুসলমানেরা আপনাকে খিলাফতের দায়িত্বে বহাল রাখবে কি-না? উত্তর পাঠ করে ওমর (রাঃ) এত বেশী ক্রন্দন করেন যে তাঁর দাড়ি ভিজে গেল। তিনি আবু ওবায়দার জন্য আল্লাহর নিকটে রহমত ও হায়াত বৃদ্ধির জন্য দো‘আ করলেন। ফলে আর ঈদের কাপড়ও কেনা হ’ল না। এ ঘটনার সত্যতা আছে কি? - নাছিরুদ্দীন, মিরপুর, ঢাকা।
আরও
আরও
.