উত্তর : মানব কল্যাণে বিড়ালকে নির্বংশ করা যায়। কারণ শরী‘আতের বিধান তাদের উপর প্রযোজ্য নয় (উছায়মীন, ফাতাওয়া ইসলামিয়াহ ৪/৫৯৫; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২৬/১৬৩)। তাছাড়া রাসূল (ছাঃ) নির্বংশ হওয়া ছাগল দ্বারা কুরবানী করেছেন (আহমাদ, ইরওয়া হা/১১৪৭)। তবে কোন প্রাণী যদি ক্ষতিকর প্রমাণিত না হয় তাহ’লে তাকে নির্বংশ করা থেকে বিরত থাকা ভালো। কারণ ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ঘোড়া ও অন্যান্য চতুষ্পদ প্রাণীকে খাসি বা নির্বংশ করতে নিষেধ করেছেন (আহমাদ, ছহীহুল জামে‘ হা/৬৯৫৬)। মোটকথা মানুষের কল্যাণের স্বার্থে বিড়ালকে নির্বংশ করা যায়।

প্রশ্নকারী :  আলী আহাদ তানভীর, মিয়াঁপাড়া, গোপালগঞ্জ।








বিষয়সমূহ: বিধি-বিধান
প্রশ্ন (২৩/৪২৩) : বিবাহের পর স্ত্রীকে হজ্জ পালন করানোকে বিবাহের মোহরানা হিসাবে গ্রহণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪/৮৪) : আমি আমার পিতার অনুমতি ছাড়াই কাযী অফিসের মাধ্যমে এক ছেলের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। পরবর্তীতে উক্ত বিবাহ পরিবার মেনে নিয়েছে। অতঃপর ২০১২ সালে পারিবারিক ঝগড়া হ’লে রাগের মাথায় আমার স্বামী এক তালাক, দুই তালাক উল্লেখ করে। কিন্তু আমরা এক সাথেই সংসার করতে থাকি। ২০২০ সালে আমার স্বামী মেয়ের সামনে আবারো আমাকে তালাক প্রদান করে। এখন আমরা দু’জন দুই স্থানে থাকি। তবে পরস্পরকে খুব ভালোবাসি। আমরা মেয়েসহ আবার এক সাথে থাকতে চাই। এক্ষণে আমাদের করণীয় কী?
প্রশ্ন (৩৯/৩১৯) : চার সন্তানের জনক জনৈক ব্যক্তি বিবাহের ৮-১০ বছর পর থেকে বিগত ১৬ বছর যাবত একই বাসায় থাকলেও স্ত্রী সংসর্গ থেকে দূরে থাকেন এবং পৃথক বিছানায় রাত্রি যাপন করেন। একারণে স্ত্রী তার ব্যাপারে বিভিন্ন সন্দেহ করেন। এমতাবস্থায় তাদের বিবাহ ঠিক আছে কি? এক্ষণে স্বামী বা স্ত্রীর জন্য করণীয় কি? - -ইবরাহীম খলীল, ঢাকা।
প্রশ্ন (৮/৩৬৮) : এক ব্যক্তি চার শতক জমি ক্রয় করেছিল। বর্তমানে নকশায় দেখা যাচ্ছে তা আট শতক। এক্ষণে ক্রেতার জন্য অতিরিক্ত চার শতক জমি ভোগ করা জায়েয হবে কি? - -মুহাম্মাদ আলী, গাবতলী, বগুড়া।
প্রশ্ন (৬/৩৬৬) : জনৈক মাওলানা বলেন, ‘সূরা যিলযাল থেকে সূরা নাস পর্যন্ত সূরাগুলো ছালাতে পড়ার ক্ষেত্রে প্রথম রাক‘আতে যে সূরা পড়া হবে পরবর্তী রাক‘আতে তার পরেরটা পড়বে। একটি বাদ দিয়ে তার পরেরটা পড়া মাকরূহ। বাদ দিয়ে পড়লে কমপক্ষে দু’টি বাদ দিতে হবে। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২০/১০০) : জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ছাঃ) তার সমগ্র জীবনে চারটি ওমরা এবং দু’টি হজ্জ করেছেন। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৭/৩৭) : পৃথিবীতে কি এমন কোন দ্বীপ থাকতে পারে, যেখানে এ পর্যন্ত ইসলামের দাওয়াত পৌঁছেনি? যদি থাকে, তাহ’লে সেখানকার লোকজন অমুসলিম অবস্থায় মারা গেলে। মৃত্যুর পর তাদের ব্যাপারে ফায়ছালা কি হবে?
প্রশ্ন (৮/৮৮) : পিতার মৃত্যুর পর একটি ক্লাবের সদস্যরা দাবী করছে যে, জীবদ্দশায় তিনি ক্লাবের জন্য কিছু জমি দান করেছিলেন, কিন্তু দখল দেননি। এ বিষয়টি আমাদের জানা নেই। এখন ক্লাবের সদস্যরা আইনী লড়াই করে জমিটা পেলে পিতার কবরে শাস্তি হবে কি? শাস্তি থেকে পিতাকে বাঁচানোর জন্য তার দানকৃত জমি ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা আমাদের জন্য জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১/২৮১) : জনৈক লেখক বলেন যে, বাঁশির শব্দে ইবনু ওমর (রাঃ) কানে আঙ্গুল দেয়াতে গান হারাম হয়েছে তা বলা যায় না (সৌভাগ্যের পরশমণি)। আবার রাসূল (ছাঃ) নিজে কানে আঙ্গুল দিয়েছিলেন কিন্তু ইবনু ওমর (রাঃ)-কে তা করতে বলেননি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খলীফাদের যুগে বাদ্যযন্ত্র ও গান নিষেধ ছিল না; বরং তা উপভোগ করা হত (তাবারী)। তিনি আরো বলেন, কুরআনে এমন কোন আয়াত নেই যা গানকে হারাম করে। তাই ইবনে হাজার, ইবনু খাল্লিকান, জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী, গাযালী প্রমুখ বিদ্বানদের মতে বাদ্যযন্ত্রসহ গান শোনা বৈধ। যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে এবং কল্যাণকর কথা হয়। উক্ত দাবীগুলো কি সত্য? সৌভাগ্যের পরশমণি’ এবং ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইগুলো কি গ্রহণযোগ্য?
প্রশ্ন (২৭/১৮৭) : কুরআন হেফয করার পর মুখস্থ না রাখতে পারলে গোনাহগার হবে। একথা কি ঠিক?
প্রশ্ন (২৬/৩৪৬) : চীনের ‘তিয়ার্নাশ কোম্পানী বাংলাদেশে MLM সিস্টেমে যে ব্যবসা করছে তাতে শরীক হওয়া আমাদের জন্য বৈধ হবে কি? - -শাহরিয়ার ছালেহীন হাড়ুপুর, পবা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২১/২২১) : পিতা জীবিত অবস্থায় কন্যা সন্তানদের কোন সম্পত্তি হেবা করতে পারবেন কি? পারলে কতটুকু পারবেন?
আরও
আরও
.