উত্তর : অমুসলিম আত্মীয়-স্বজনের সাথে সুন্দর আচরণ করতে হবে, যদি তারা দ্বীন পালনে বাধা না দেয়। আল্লাহ বলেন, ‘দ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বের করে দেয়নি, তাদের প্রতি সদাচরণ ও ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেন না। নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়পরায়ণদের ভালবাসেন’ (মুমতাহিনা ৬০/৮)। তবে মুশরিকদের সাথে বসবাস করার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ এতে পথভ্রষ্ট হওয়ার আশংকা থাকে। এজন্য রাসূল (ছাঃ) মুশরিকদের সাথে অবস্থান করতে নিষেধ করেছেন (মিশকাত হা/৩৫৪৭; ছহীহাহ হা/৬৩৬)। অতএব মুশরিক আত্মীয়দের সাথে সদাচরণ করতে হবে, তাদের আতিথেয়তা করতে হবে ও প্রয়োজনে তাদের বাড়িতে নিজে বা তাদেরকে নিজেদের বাড়িতে সাময়িক অবস্থান করতে দেওয়া যাবে। কিন্তু সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে যেন তাদের আক্বীদা ও ধর্মীয় রীতি-নীতির প্রতি নিজের মধ্যে কোন প্রকার নমনীয়তা, শিথিলতা কিংবা সমর্থন তৈরী না হয়। বরং সর্বদা তাদেরকেই ইসলামের প্রতি দাওয়াত দিয়ে যেতে হবে।

প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান, সরাপাড়া, রাজশাহী।







বিষয়সমূহ: বিধি-বিধান
প্রশ্ন (৩৩/৩৯৩) : নূহ (আঃ)-এর সময়ে যে মহাপ্লাবন সংঘটিত হয়েছিল তা কি সারা বিশ্বব্যাপী হয়েছিল, না কেবল তাঁর কওমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল?
প্রশ্ন (৪০/৪৪০) : আছহাবুল উখদূদের লোকসংখ্যা কতজন ছিল? সঠিক সংখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৫/৬৫) : জনৈক বক্তা বলেন, ‘আসুন! পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে জীবন গড়ি’ একথা বলা যাবে না। কারণ শুধু ছহীহ হাদীছ দ্বারা মুসলিমগণ জীবন ধারণ করতে পারবে না। যেমন ফজরের আযানে ‘আছ ছালাতু খায়রুম মিনান্নাউম’ বলার হাদীছ যঈফ। উক্ত দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৯/৪৩৯) : শরী‘আতে মৃত ব্যক্তির নামের শেষে (রহঃ) যোগ করার ক্ষেত্রে বিশেষ কোন মাপকাঠি আছে কি? যেকোন মৃত মুসলিমের নামের শেষে ‘রহেমাহুল্লাহ’ যোগ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৯/১৮৯) : আমি পরিবারের ছোট ছেলে। পিতা অনেক আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন। আমার বড় বোনের বিয়ে হয়েছিল ২০২১ সালে। পরে তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। তিনি বর্তমানে আর বিয়ে করতে চান না এবং আমাদের বাড়িতেই থাকেন। এমতাবস্থায় বোনের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব কি আমার উপর ফরয?
প্রশ্ন (১৮/২৫৮) : দু’বছরের পুরাতন কবর ভেঙ্গে পড়লে করণীয় কি? - -সাইফুল ইসলাম, কাজলা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১১/৫১) : কবরকে মযবুত করে বাঁধানো এবং জন্ম-মৃত্যু তারিখ লেখা কি জায়েয?
প্রশ্ন (৫/৮৫) : কোন ইবাদতের ক্ষেত্রে বেশী ছওয়াব পাওয়ার জন্য কষ্টকর অবস্থাকে বেছে নেয়া কি ব্যক্তির জন্য শরীআ‘তসম্মত? যেমন- গরম পানি থাকা সত্ত্বেও ঠান্ডা পানি দিয়ে ওযূ করা কিংবা নিকটে মসজিদ থাকা সত্ত্বেও দূরের মসজিদে যাওয়া। কারণ আমি শুনেছি, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কষ্টকর বিষয় খুঁজে বেড়ায় সে ছওয়াব পাবে না। সঠিক উত্তর জানতে চাই। - -পারভেয আলম সরদার, বিনোদপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৮/২৯৮) : আমাদের মসজিদে ছালাত শেষে দলবদ্ধ মুনাজাত করিয়ে নেওয়ার জন্য মূর্খ ইমাম দ্বারা ছালাত আদায় করানো হয়। এক্ষণে আমরা তাদের পরে আলাদা জামা‘আত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটি কি সঠিক হবে? - -আসমাউল আলমতেরখাদিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৭/৭৭) : মক্কা থেকে ওমরা করার ক্ষেত্রে কি মসজিদে আয়েশায় যেতে হবে, না নিজ গৃহ থেকে বের হলেই যথেষ্ট হবে?
প্রশ্ন (৪০/১২০) : হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তারক্ষী হিসাবে সেখানে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি? এটা শিরকী কার্যক্রমে সহযোগিতার নামান্তর হবে কি?
প্রশ্ন (১৬/৩৭৬) : ছহীহ আক্বীদা-আমল গ্রহণের পর আমি চাকুরীস্থলে বাহ্যিক আমলগুলো বিশুদ্ধ নিয়মে করতে পারলেও গ্রামের বাসায় মানুষের মন্দ কথার কারণে করতে পারি না। এতে কি আমি পাপী হব? আমার করণীয় কি?
আরও
আরও
.