উত্তর : অমুসলিম আত্মীয়-স্বজনের সাথে সুন্দর আচরণ করতে হবে, যদি তারা দ্বীন পালনে বাধা না দেয়। আল্লাহ বলেন, ‘দ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বের করে দেয়নি, তাদের প্রতি সদাচরণ ও ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেন না। নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়পরায়ণদের ভালবাসেন’ (মুমতাহিনা ৬০/৮)। তবে মুশরিকদের সাথে বসবাস করার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ এতে পথভ্রষ্ট হওয়ার আশংকা থাকে। এজন্য রাসূল (ছাঃ) মুশরিকদের সাথে অবস্থান করতে নিষেধ করেছেন (মিশকাত হা/৩৫৪৭; ছহীহাহ হা/৬৩৬)। অতএব মুশরিক আত্মীয়দের সাথে সদাচরণ করতে হবে, তাদের আতিথেয়তা করতে হবে ও প্রয়োজনে তাদের বাড়িতে নিজে বা তাদেরকে নিজেদের বাড়িতে সাময়িক অবস্থান করতে দেওয়া যাবে। কিন্তু সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে যেন তাদের আক্বীদা ও ধর্মীয় রীতি-নীতির প্রতি নিজের মধ্যে কোন প্রকার নমনীয়তা, শিথিলতা কিংবা সমর্থন তৈরী না হয়। বরং সর্বদা তাদেরকেই ইসলামের প্রতি দাওয়াত দিয়ে যেতে হবে।

প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান, সরাপাড়া, রাজশাহী।







বিষয়সমূহ: বিধি-বিধান
প্রশ্ন (৩৬/৭৬): অমুসলিমদের বানানো মিষ্টি, মুড়ি ইত্যাদি খাওয়া বা তা দিয়ে ইফতার করা যাবে কি? এছাড়া তাদের রান্না খেতে শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (১২/১৭২) : বিতর ছালাতের শেষ রাক‘আতে দো‘আ কুনূতের সাথে আর কি কি দো‘আ পড়া যাবে?
প্রশ্ন (২৯/১৮৯) : আমি শয়তানের ধোঁকায় পড়ে ১৯-২০ লক্ষ টাকা ঋণ করে নষ্ট করে ফেলেছি। বর্তমানে আমি একটা চাকুরী করে মাসে ২০ হাযার টাকা বেতন পাই। আমাকে এখন পাওনাদার প্রতিদিনই টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেয়। আমি মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত। এমতাবস্থায় আমি কি করতে পারি? - -বায়েজীদ হোসাইন, রংপুর।
প্রশ্ন (৩৯/১১৯) : ফরয ছালাতের পরে ইমাম মুছল্লীদের দিকে ফিরে বসতে পারেন কি? মাত্র দুই বা তিন ওয়াক্ত ছালাতে বসতে হবে মর্মে কোন বিধান আছে কি?
প্রশ্ন (১/২৪১) : এক ব্যক্তির লাশ দাফনের জন্য খাটিয়ায় করে গোরস্থানে নিয়ে যাওয়ার পথে তুলনামূলক অধিক ভারী মনে হচ্ছিল। এর পিছনে বিশেষ কোন কারণ আছে কি? এমনকি হ’তে পারে যে তার আমলনামা সমৃদ্ধ হওয়ায় এমন ভারত্ব অনুভূত হয়েছে? - -তাওহীদুল ইসলাম, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (২৫/১৪৫) : এলাকার এক বড় আলেম/কবিরাজের কাছ থেকে তাবীয নেওয়াতে দীর্ঘ ৪ বছর পর একটি পুত্র সন্তান হয়েছে। ফলে তারা বলে এটা যদি শিরক হ’ত তাহ’লে আল্লাহ তাদের সন্তান দিতেন না। এই ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে তারা যেকোন কাজে সেই কবিরাজের শরণাপন্ন হয়। এখন তাদেরকে কিভাবে বুঝাতে পারি? - -সজল*, গোমস্তাপুর, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।*[আরবীতে ইসলামী নাম রাখুন (স.স)]
প্রশ্ন (৭/৪৪৭) : জনৈক আলেম বলেন, দুই সিজদার মাঝে দো‘আ পড়া ওয়াজিব নয়। অল্প কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে হবে। দো‘আ না পড়লে ছালাতের কোন ক্ষতি হবে না। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৬/২১৬) : জনৈক তাবলীগী ভাই বললেন, সরাসরি মন্দকর্মের বিরোধিতা করা থেকে বিরত থেকে মানুষকে শুধু ভালো কাজের দাওয়াত দিতে হবে, তাহ’লে তারা এমনিতেই মন্দকাজ ছেড়ে দিবে। উক্ত বক্তব্য গ্রহণযোগ্য কি?
প্রশ্ন (৭/৪৪৭) : আমাদের মসজিদের ইমাম ছাহেব প্রতিদিন ফজরের ছালাতে রুকূর পর হাত তুলে কুনূত পাঠ করে। এভাবে নিয়মিতভাবে করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২১/৩৮১) : আক্বীক্বার জন্য খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করা যাবে কি? না কি বাড়ি বাড়ি গোশত বিতরণ করতে হবে? অনুষ্ঠানে উপহার গ্রহণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/১৯৪) : ফজর, মাগরিব এবং এশার ক্বাযা ছালাত অন্য সময় পড়লে সেখানে ক্বিরাআত সরবে না নিরবে পড়তে হবে। ক্বাযা ছালাতের এক্বামত দিতে হবে কি?
প্রশ্নঃ (৯/২৪৯) : মুনাজাতের সময় ‘ক্ষমা ভিক্ষা দাও’ এ ধরণের বাক্য বলা যাবে কি?
আরও
আরও
.