উত্তর : হাদীছে বর্ণিত নিষেধাজ্ঞার অর্থ হ’ল যারা শা‘বান মাসের শুরু থেকে ছিয়াম রাখেন, তারা যেন ১৫ই শা‘বানের পর আর না রাখেন। কেননা এতে শারিরীক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। তবে সামর্থ্যবান হ’লে ১৫ই শা‘বানের পরও ছিয়াম পালন করা যাবে। এছাড়া যারা সাপ্তাহিক ছিয়াম পালন করেন তারা করতে পারেন (বুখারী হা/১৯৭০; মুসলিম হা/১১৫৬; নববী, আল-মাজমূ‘ ৬/৩৯৯-৪০০; ইবনু হাজার, ফাৎহুল বারী ৪/১২৯)

-আব্দুর রঊফ, রূপসা, খুলনা।







বিষয়সমূহ: ছিয়াম-রামাযান
প্রশ্ন (২৬/১০৬) : শারঈ দৃষ্টিকোণ থেকে ছোট-বড় হওয়ার মানদন্ড কি? বয়স না পেশাগত পদমর্যাদা? বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৪/৯৪) : সন্তান জন্মের ৭ম দিনের আগে বা পরে আক্বীক্বা করা যায় কি? পুত্র সন্তানের জন্য ১ টা গরু অথবা একটা গরু ও একটা ছাগল কিংবা ২টা গরু দ্বারা আক্বীক্বা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/১৫৪): ঈদের ময়দানে ছওয়াবের উদ্দেশ্য ছাড়াই শামিয়ানা টানানো ও সাজ-সজ্জা করার ব্যাপারে শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি? থাকলে তা কোন দলীলের ভিত্তিতে, জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৫/৪৭৫) : ফিদইয়া প্রদানের পর সক্ষমতা ফিরে আসলে উক্ত ছিয়াম আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৭/১০৭) : জোববা ও পায়জামা পরিহিত অবস্থায় তা টাখনুর নীচে নেমে গেলে গোনাহগার হ’তে হবে কি? - -যয়নাল আবেদীন, চারঘাট, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১২/৩৭২) : জনৈক আলেম লিখেছেন কোন বিষয়ে ছহীহ হাদীছ পাওয়া গেলে এবং তা কোন হাসান হাদীছের বিপরীত হ’লে হাসান হাদীছ আমলযোগ্য হবে না। একথা সঠিক কি? - .
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (২২/৬২) : বর্তমানে প্রচলিত অধিকাংশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সহশিক্ষা এবং অধিকাংশ চাকরীস্থলেই নারী-পুরুষ একত্রে চাকুরী করে। এক্ষণে এসব স্থানে চাকুরী করা শরী‘আতসম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৭৬) : ‘কথার পূর্বেই সালাম’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি ছহীহ?
প্রশ্ন (৩৯/৩১৯) : মাদরাসা বোর্ডের বইয়ে লেখা হয়েছে, ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) ইমাম আওযাঈর কাছে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ছালাতে রাফউল ইয়াদায়েন করেননি। উক্ত হাদীছকে ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) ছহীহ মনে করতেন। এর সত্যতা সম্পর্কে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৬/৪৬) : মসজিদের কমিটি গঠন নিয়ে পারস্পরিক দ্বন্দ্বের করে নিকটবর্তী স্থানে পৃথক জামে মসজিদ তৈরি করলে সে মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে কি? মসজিদে যেরার কাকে বলে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৪/১১৪) : প্রতিদিন বাদ মাগরিব মসজিদে নছীহত করা যাবে কি?
আরও
আরও
.