উত্তর :এসব শয়তানী ওয়াসওয়াসা মাত্র। আল্লাহর আকার রয়েছে যা তাঁর উপযুক্ত। তা কারু সাথে তুলনীয় নয় (শূরা ৪২/১১)। অতএব এই বিশুদ্ধ আক্বীদার বিরোধী কোন চিন্তা আসলে সূরা ইখলাছ পাঠ করে বাম দিকে তিনবার থুক মারবেন এবং আঊযুবিল্লাহ পাঠ করবেন। এছাড়া ‘আমানতু বিল্লাহ’ (আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি) বলতে পারেন’ (বুখারী হা/৭২৯৬; মুসলিম হা/১৩৪; মিশকাত হা/৭৫)। 






বিষয়সমূহ: শিষ্টাচার
প্রশ্ন (১৮/১৮) : ছোট ভাইকে আমার জমি চাষাবাদের জন্য দিয়েছি। কিন্তু সে আমাকে কোন ভাগ দেয় না। ফেরত নিতে চাইলে মা নিষেধ করেন। এদিকে খোঁজ নিয়ে দেখি সে তা বন্ধক দিয়ে রেখেছে। এক্ষণে মায়ের পরামর্শ গ্রহণ করব না হারাম কাজে আমার জমি ব্যবহার থেকে ফিরিয়ে নিব?
প্রশ্ন (৩৫/৩৫) : মাসিক অবস্থায় নারীরা তা‘লীমী বৈঠক সহ বিভিন্ন কারণে মসজিদে অবস্থান করতে পারবে কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১২/৩৩২) : আমি সদ্য বিবাহিত। আমার স্ত্রীর বয়স ১৬ বছর। বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে আমরা কয়েক বছর পর সন্তান নিতে চাই। এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৮/২০৮) : হতাশা, চিন্তা ও দুর্দশার সময় সূরা ক্বাছাছ-এর ২৪ আয়াতটি দো‘আ হিসাবে পাঠ করা যাবে কি? যেটি মূসা (আঃ) পাঠ করেছিলেন?
প্রশ্ন (৪০/১৬০) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, জুম‘আর খুৎবা সংক্ষিপ্ত হবে আর ছালাত দীর্ঘ হবে। অথচ আমাদের দেশে সব মসজিদেই এ হাদীছের বিপরীত আমল দেখা যায়। বিষয়টি স্পষ্টভাবে জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৩/৬৩) : পবিত্র কুরআনে বর্ণিত শো‘আয়েব (আঃ) কি নবী ছিলেন, না একজন সৎ ব্যক্তি ছিলেন?
প্রশ্নঃ (৩/২৮৩) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কি নিজ পরিবারের জন্য এক বছরের খাদ্য জমা রাখতেন?
প্রশ্ন (২০/২০) : আমার পিতা আমাকে না জানিয়ে তার সম্পদের কিছু অংশ পৃথকভাবে আমার নামে লিখে দিয়েছেন। এককভাবে আমাকে দেওয়ার কারণ হ’ল আমি ছাড়া আর কোন ভাই তাদের দেখাশোনা করে না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২১/১৪১) : কোন মুসলিম নারী প্রসাধনী হিসাবে সিঁদুর ব্যবহার করতে পারবে কি? যদি তার স্বামী পসন্দ করে তথা স্বামীকে খুশি করার জন্যে কি ব্যবহার করা জায়েয হবে?
প্রশ্ন (১১/২৫১) : সন্তান মাতার কবরের পাশে গিয়ে ৪১ দিন সূরা ইয়াসীন পাঠ করলে কবরের আযাব মাফ করে দেওয়া হয়। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (১৩/২৯৩) : জনৈক আলেম বলেন, কসম ভঙ্গের কাফফারা হচ্ছে একটানা ৩টি ছিয়াম পালন করা। মাঝে একটি ছুটে গেলে তিনটির সাথে আরো একটি যোগ করতে হবে। এ বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৯/১৮৯) : সম্প্রতি ‘মিলাদ ও কিয়ামের অকাট্য প্রমাণ’ নামে জনৈক মুফতী একটি বই বের করেছেন। সেখানে আপনাদের প্রকাশিত ‘মীলাদ প্রসঙ্গ’ বইয়ের ও তার বিজ্ঞ লেখকের বিরুদ্ধে অশ্রাব্য ভাষায় গালি-গালাজ করা হয়েছে। উক্ত বইয়ে কুরআন-হাদীছের মাধ্যমে মীলাদ-কিয়াম প্রমাণ করা হয়েছে। তাতে মানুষ বিভ্রান্তিতে পড়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে আপনাদের বক্তব্য কি?
আরও
আরও
.