উত্তর : জুম‘আতুল বিদা‘ বলতে রামাযানের শেষ বা বিদায়ী জুম‘আকে বুঝানো হয়ে থাকে। জুম‘আতুল বিদা‘র বিশেষ কোন ফযীলত নেই। একটি ‘জাল’ হাদীছে এসেছে, যে ব্যক্তি রামাযানের শেষ জুম‘আর দিনে এবং রাতে পাঁচ ওয়াক্ত ফরয ছালাত আদায় করবে, তা তার পুরা বছরের ছালাতের ত্রুটি (মুক্ত করে) পূর্ণ করে দেবে। অপর বর্ণনায় এসেছে, ‘রামাযান মাসের শেষ জুম‘আর পাঁচ ওয়াক্ত ফরয ছালাত যে আদায় করবে, তা তার জীবনের সত্তর বছরের ক্বাযা ছালাতের জন্য যথেষ্ট হবে (মাওযূ‘আতুল কুবরা, আব্দুল হাই লাক্ষ্ণৌবী হানাফী, আল-আছারুল মারফূ‘আহ্ ফিল আখবারিল মাওযূ‘আহ্ ১/৮৫;  শাওকানী, আল-ফাওয়াইদুল মাজমূ‘আহ ১/৫৪, নং ১১৫)






প্রশ্ন (৪/৪৪) : ঈদের ছালাতে ছানা পড়তে হবে কি? যদি পড়তে হয় তবে অতিরিক্ত তাকবীরগুলো ছানা পাঠের আগে না পরে দিতে হবে? - -আবুল কালাম, সিলেট।
প্রশ্ন (৫/৫) : পৃথিবীতে সবসময়ই কোন না কোন স্থানে রাতের তৃতীয় প্রহর থাকে। ছহীহ হাদীছ অনুযায়ী আল্লাহ এ সময় দুনিয়ার আসমানে নামেন। এক্ষণে তিনি কি তাহ’লে সর্বদাই নিম্ন আকাশে থাকেন?
প্রশ্ন (৬/৪০৬) : ছালাতে দাঁড়ানোর সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত দু’টি কাঁধ বরাবর উঠালে দুই হাতের আঙ্গুলগুলো কেবলামুখী থাকবে না সোজা থাকবে?
প্রশ্ন (৭/৩২৭) : আমাদের গ্রামে কারো কোন জিনিস হারিয়ে গেলে বা চুরি হ’লে হারানো বস্ত্ত খুঁজে পাওয়ার জন্যে অথবা চোর ধরার জন্য কয়েকজন ওযূ করে একটি পিতলের বদনা নিয়ে বসে তাতে পানি দিয়ে কাঁঠালের পাতায় বিভিন্ন জনের নাম লিখে বদনাতে দিয়ে দেয়। আর পাশে বসে একজন সূরা ইয়াসীন পড়তে থাকে। আর বদনা দু’জনের দুই আঙ্গুলের উপর ধরে রাখে। এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়তে পড়তে যখন বদনাতে চোরের নাম আসে তখন বদনা এমনিতেই ঘুরতে শুরু করে দেয়। তাদের ভাষ্যমতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নাকি আসল চোরের নাম উঠে আসে। প্রশ্ন হ’ল এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়ে পিতলের বদনা নিয়ে চোর ধরার পদ্ধতি অথবা এগুলোর উপর বিশ্বাস করা কিসের মধ্যে পড়ে? - -সামিয়া আখতার, আম্বরখানা, সিলেট।
প্রশ্ন (১২/১৩২) : ইস্তেখা-রার দো‘আ ফরয ছালাতের শেষ তাশাহহুদের মধ্যে পাঠ করা যাবে কি? - -রুকসানা ইয়াসমীন, খুলনা।
প্রশ্ন (১৫/২৯৫) : হিজাব পরিহিতা গায়ের মাহরাম নারীকে একাকী পড়ানো যাবে কি? এথেকে অর্জিত অর্থ হালাল হবে কি?
প্রশ্ন (৩৩/৭৩) : একজন পুরুষের ইনকামের সর্বপ্রথম হকদার তার স্ত্রী, এরপর সন্তান, এরপরে হচ্ছে পিতা-মাতা ও ভাই বোন। একথাটি শরী‘আত সম্মত কি?
প্রশ্ন (৩৫/৩৭৫) : আমার পিতা ও এক ভাই মারা গেছেন। আমরা দুই ভাই, বোন ও আমাদের মা জীবিত আছি। মৃত ভাইটি এক ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রী রেখে গেছেন। আমাদের পিতার কোন সম্পত্তি নেই। কিন্তু আমাদের মা প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার মালিক। তিনি তা ছেলে-মেয়েদের মধ্যে শরী‘আত মোতাবেক এখনই বণ্টন করে দিতে চান। এ অবস্থায় কে কতটুকু অংশ পাবে? - -কামরুন নাহার, ঢাকা।
প্রশ্ন (৯/৮৯) : ‘আত-তালখীছুল হাবীর’ গ্রন্থটির লেখক কে? গ্রন্থটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই। - -আব্দুর রহমান, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১৪/৪৫৪) : আমার মাসিক আয় সীমিত (প্রায় ৫,০০০ টাকা) এবং তা দিয়ে আমার নিজের চলাই কঠিন। আমার পিতা আর্থিকভাবে সচ্ছল হওয়া সত্ত্বেও আমার কাছে প্রতি মাসে ১,০০০ টাকা দাবী করছেন। আমার নিজের প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খাওয়ায় আমি এই টাকা দিতে পারছি না। এমতাবস্থায় আমি কি পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান হিসাবে গণ্য হব? তাছাড়া ভবিষ্যতে আয় বাড়লে পিতা-মাতা যা চাইবেন, সন্তান কি তা দিতে বাধ্য থাকবে?
প্রশ্ন (১২/৪৫২) : আমি বিবাহিতা এবং গর্ভবতী। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করি। আমি পড়াশুনা বাদ দিয়ে পুরোপুরি সংসারে মনোনিবেশ করতে চাই। কিন্তু স্বামী রাযী থাকলেও পিতা পড়াশুনা শেষ করাতে চান। অথচ দ্বীনের পথে ফিরে আসায় অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে পড়াশুনা করার কোন অর্থ আমি খুঁজে পাই না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩০/৩১০) : ছেলেদের বুক বা পিঠের লোম শেভ করা যাবে কি?
আরও
আরও
.