উত্তর : বর্ণনামতে ১ম তালাকটি হায়েয অবস্থায় দেওয়া হয়েছে। যা কার্যকর হবে না (বুখারী হা/৫২৫১, ৫৩৩২, মিশকাত হা/৩২৭৫)। ২য় এবং ৩য় তালাকটি নিশ্চিতভাবে ১টি করে তালাক হয়েছে। আর ৪র্থ তালাকের ক্ষেত্রে যদি এমন ক্রোধান্ধ অবস্থায় থাকে যে, সম্পূর্ণভাবে হিতাহিত জ্ঞানশুন্য ছিল, তবে তা তালাক হিসাবে গণ্য হবে না (আবুদাঊদ হা/২১৯৩; মিশকাত হা/৩২৮৫; ছহীহুল জামে‘ হা/৭৫২৫)। ইমাম আবুদাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘ইগলাক্ব’ গালাক্ব ধাতু হ’তে উৎপন্ন। যার অর্থ বন্ধ হওয়া। ক্রোধান্ধ, পাগল ও যবরদস্তির অবস্থায় মানুষের স্বাভাবিক জ্ঞান ও ইচ্ছাশক্তি লোপ পায়। তাই এ অবস্থাকে ‘ইগলাক্ব’ বলা হয় (ঐ, হাশিয়া ২/৪১৩ পৃঃ)

অতএব প্রদত্ত তালাকের মধ্যে মোট ২টি তালাক নিশ্চিতভাবে হয়েছে। এক্ষণে ৪র্থ তালাকটি যদি ইগলাক্ব বা ক্রোধান্ধ অবস্থায় দিয়ে থাকে সেক্ষেত্রে চাইলে তওবা করে নতুনভাবে বিবাহের মাধ্যমে সংসার করতে পারবে। তবে এরপর পুনরায় তালাক দিলে তালাকে বায়েন তথা চূড়ান্ত তালাক হয়ে যাবে। তখন আর স্ত্রীকে ফেরৎ নেয়ার সুযোগ থাকবে না। উল্লেখ্য যে, শরী‘আতে তালাক নিয়ে কোন প্রকার স্বেচ্ছাচারিতা গ্রহণযোগ্য নয় (আবুদাঊদ হা/২১৯৪)। অতএব ভবিষ্যতে এই বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখতে হবে (বিস্তারিত দ্রষ্টব্য : ‘তালাক ও তাহলীল’ বই)

প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।






বিষয়সমূহ: বিবাহ ও তালাক
প্রশ্ন (২৩/২৩) : বিসমিল্লাহ বলে ওযূ শুরু না করলে ওযূ হবে না (আবুদাঊদ হা/১০১)। আমার প্রশ্ন হ’ল, তবে এটা কি ফরয? সঠিক উত্তর জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২১/২২১) : ছগীরা গুনাহ কাকে বলে? কয়েকটি ছগীরা গুনাহের উদাহরণ দিলে উপকৃত হব। - -নাসীম, বখশী বাযার, ঢাকা।
প্রশ্ন (৭/১২৭) : বর্তমানে অধিকাংশ বিবাহ অনুষ্ঠানে মেহমানরা দামী উপহার সামগ্রী নিয়ে যায়, যা দাওয়াত দাতাদের নিকটে কাংখিত ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। বিবাহ অনুষ্ঠানে দাওয়াতের সাথে উপহার কামনা করা কি শরী‘আতসম্মত? এরূপ দাওয়াত গ্রহণ না করলে কি মুসলমানের হক নষ্ট করা হবে?
প্রশ্ন (২/২৪২) : রামাযানে ‘বড় শয়তানগুলি শৃঙ্খলিত হয়’ -এর ব্যাখ্যা কি?
প্রশ্ন (১৯/৫৯) : কোন স্থানে মুসলিম-অমুসলিম উভয় শ্রেণীর লোক থাকলে সেখানে সালাম দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (৩৫/৩৫) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ছালাতের সাথে যদি আমাদের ছালাতে মিল না থাকে, তাহ’লে সে ছালাত কি আল্লাহর দরবারে কবুল হবে? যেমন মাযহাবী ভাইদের ছালাত?
প্রশ্ন (৩/১২৩) : হাদীছে এসেছে যে, ১৫ই শা‘বানের পর ছিয়াম রাখা যাবে না। আবার এসেছে রাসূল (ছা.) এ মাসের পুরোটাই প্রায় ছিয়াম রাখতেন। এর ব্যাখ্যা কি?
প্রশ্ন (১৫/১৩৫) : হানাফী মসজিদে ফজরের ছালাত কিছুটা বিলম্বে আদায় করা হয়। এক্ষণে আমি উক্ত ছালাত বাড়িতে আদায় করব কি?
প্রশ্ন (৩১/১১১) : অনেক আলেম বলেন. ফিৎরা খেজুর বা যব দিয়ে দিতে হবে। এছাড়া অন্য কিছু দিয়ে দেওয়া যাবে না। ফলে অনেক মানুষ টাকা দিয়ে এগুলি কিনে ফিৎরা দেয়। এটা শরী‘আতসম্মত হবে কি? - .
প্রশ্ন (১৯/৪১৯) : কঠিন রোগ থেকে আরোগ্য লাভের জন্য নফল ছিয়াম বা অন্য কোন আমল আছে কি?
প্রশ্ন (৩/৩৬৩) : মসজিদের ইমাম ছাহেব ছাত্রীরা বেপর্দায় চলে এরূপ সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেন। এটা জায়েয হবে কি? এছাড়া যেসব এলাকায় প্রতিবেশী বেপর্দা নারীরা চলাফেরা করে, সেসব এলাকায় বাস করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.