উত্তর : গায়েব বা অদৃশ্যের প্রতি বিশ্বাস করা ফরয। মুত্তাক্বীদের জন্য ছয়টি বিশ্বাস রাখা আবশ্যক। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘যারা অদৃশ্যে বিশ্বাস স্থাপন করে ও ছালাত কায়েম করে এবং আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে’ (৩)। ‘যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ঐসব বিষয়ে, যা তোমার প্রতি নাযিল হয়েছে এবং যা তোমার পূর্ববর্তীগণের প্রতি নাযিল হয়েছিল। আর যারা আখেরাতে নিশ্চিত বিশ্বাস পোষণ করে’ (বাক্বারাহ ২/৩-৪)। মূলত কুরআন-সুন্নাহর বিধান সমূহ অহিয়ে এলাহীর উপর নির্ভরশীল। আর অহি অদৃশ্য বস্ত্ত, যার উপর বিশ্বাস ব্যতীত কেউ মুসলমান হ’তে পারে না। অতএব গায়েবের উপর বিশ্বাসই ইসলামের মূল।

প্রশ্নকারী : ইমাম হোসাইন, রূপগঞ্জ, ঢাকা।








প্রশ্ন (৩১/৪৩১) : রাসূল (ছাঃ) কতবার কুরবানী করেছিলেন? - -উম্মে হালীমা, ফুলকুঁড়ি, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৭/৩৫৭) : আমার প্রতিবেশী একজন বয়স্ক মহিলা প্রতিদিন আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। যা সহ্য করা খুবই কষ্টকর। এমতাবস্থায় মন্দ প্রতিবেশী থেকে রেহাই পাওয়া জন্য আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩/১২৩) : হাশরের ময়দানে প্রত্যেক জান্নাতী ব্যক্তি তার সাথে ৭০ জন লোককে জান্নাতে নিয়ে যেতে পারবে একথার কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (২৬/২৬৬) : ‘অন্ধ ব্যক্তি স্বীয় অন্ধত্বের উপর ছবর করলে জান্নাতে প্রবেশ করবে’। এর সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৪/৩৯৪) : কারো থেকে মাঝে মাঝে অহংকার প্রকাশ পেলে সেজন্য কি সে জাহান্নামী বলে গণ্য হবে? অহংকারীরা কি চিরকাল জাহান্নামে থাকবে?
প্রশ্ন (২৩/২৩) : ভুলে গিয়ে ফরয গোসল না করেই কয়েক ওয়াক্ত ছালাত আদায় করেছি। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩০/১৫০) : কাঁকড়া খাওয়া ও এর ব্যবসা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৩/৩৩) : মাজমাউয যাওয়ায়েদ, কানযুল উম্মাল ও মুসনাদে বায্যার গ্রন্থ তিনটির লেখক ও কিতাব সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই। - -শু‘আইব, হরতকিতলা, নীলফামারী।
প্রশ্ন (৪০/৪৪০) : কবর সংরক্ষণের জন্য কবরের চার পার্শ্বে প্রাচীর দেয়া কি নিষিদ্ধ?
প্রশ্ন (১৫/১৭৫) : ৭টি কারণে দরিদ্রতা আসে। যথা- দ্রুত ছালাত, দাঁড়িয়ে পেশাব, পেশাবের স্থানে ওযূ, দাঁড়িয়ে পানি পান, ফুঁ দিয়ে বাতি নেভানো, দাঁত দিয়ে নখ কাটা, পরিধেয় বস্ত্ত দ্বারা মুখ ছাফ করা। এটি কি কোন হাদীছ? - -আব্দুল ওয়াহীদ, যশোর।
প্রশ্ন (১৬/২১৬) : নিম্ন ঠোটের নীচে যে দাড়ির মত লোম গজায়, সেগুলো কাচি দ্বারা ছোট করা অথবা চেছে ফেলা যাবে কি?
প্রশ্ন (৬/৩৬৬) : বর্তমানে সমাজে কিছু হিজড়া সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সাহায্যের নামে টাকা চায়। অনেক সময় তারা অপমানজনক ভঙ্গিতে, উচ্চৈঃস্বরে বা অশোভন আচরণে টাকা চেয়ে থাকে। এ অবস্থায় তাদেরকে সহযোগিতা করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.