উত্তর : এর ব্যাখ্যা হ’ল, কবীরা গোনাহগার মুমিন কাফির-মুশরিকদের ন্যায় চিরস্থায়ী জাহান্নামী হবে না। বরং খালেছ তওবার কারণে আল্লাহ তাকে প্রথমেই ক্ষমা করবেন অথবা গুনাহের শাস্তি স্বরূপ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করার পর সে জান্নাত লাভে ধন্য হবে। কারণ শিরকের গোনাহ ব্যতীত সকল গোনাহ আল্লাহ ক্ষমা করতে পারেন (নিসা ৪/৪৮)। আবার বিদ‘আতমুক্ত কবীরা গুনাহগার ব্যক্তি রাসূল (ছাঃ)-এর শাফা‘আত প্রাপ্ত হয়েও জান্নাতে প্রবেশ করতে পারে। কেননা তাঁর শাফা‘আত হবে কবীরা গুনাহগারদের জন্য (আবুদাঊদ হা/৪৭৩৯, তিরমিযী হা/২৪৩৫, ইবনু মাজাহ হা/৪৩১০)। অত্র হাদীছে খারেজী ও মু‘তাযিলাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ রয়েছে। যারা বলেন, কবীরা গোনাহগার ব্যক্তি চিরস্থায়ী জাহান্নামী, যদি সে তওবা না করে মারা যায় (মির‘আত হা/২৬-এর ব্যাখ্যা দ্রঃ)






প্রশ্ন (১৫/৩৩৫) : জনৈক ব্যক্তি খুবই আমলদার ছিলেন। তিনি মারা যাওয়াতে অনেকে কষ্টও পেয়েছেন। কিন্তু তিনি ছিলেন একজন গোঁড়া বিদ‘আতী। তার কোন আমল কাজে আসবে কি?
প্রশ্ন (২৮/৩০৮) : পিতা জীবিত থাকা অবস্থায় ছেলে মারা গেলে তার অর্জিত সম্পদে পিতা-মাতা কোন অংশ পাবেন কি?
প্রশ্ন (১৬/৩৩৬) : যে খাদ্য বা বস্ত্র মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর তা যদি হালাল হয়, তাহ’লে তা খাওয়া বা পরা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৫/৩৪৫) : জুম‘আর খুৎবা চলাকালীন কোন কিছু খাওয়া বা পান করা যাবে কী? - -মুবারক হোসাইন, ইশ্বরদী, পাবনা।
প্রশ্ন (২০/২০) : সাত ভাগে কুরবানী দেয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৫/২১৫) : মহিলারা কয়জন পুরুষের সামনে বিনা পর্দায় যেতে পারে? - আব্দুল্লাহ বিন যহীর আবুধাবী, আরব আমিরাত।
প্রশ্ন (৭/৪০৭) : পরিবারে বর্তমানে খুব অভাব। তাই মিথ্যা তথ্য দিয়ে স্কুল শিক্ষকের অনুমতিক্রমে সরকারী উপবৃত্তির টাকা নেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/২৯৯) : আমি আমার মায়ের একমাত্র সন্তান। পিতার মৃত্যুর পর আমাকে নিয়েই মায়ের সব আশা। বর্তমানে আমি দাড়ি রেখেছি তাতে আমার মা ও আত্মীয়-স্বজন ভীষণ অসন্তুষ্ট। প্রতিনিয়ত আমাকে তা কাটার জন্য নির্দেশ দেন। এক্ষণে মায়ের নির্দেশে জিহাদে গমন থেকে দূরে থাকার ন্ - রুবেল রাণা, কাযীপুর, সিরাজগঞ্জ।
প্রশ্ন (১০/১৭০) : পৃথিবী ব্যতীত সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহ-উপগ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকা নিয়ে ইসলাম কি বলে?
প্রশ্ন (২২/২২২) : পেশাব বা পায়খানা করার পর ওযূ করা যরূরী কি? - -আব্দুল হাই, ভারুয়াখালী, জামালপুর।
প্রশ্ন (২৩/১০৩) : আমি মাদ্রাসায় পড়ুয়া এক মেয়েকে দেখে শুনে বিয়ে করেছি। পরে দেখি সে দ্বীন সম্পর্কে অজ্ঞ এবং ভীষণ উদাসীন। সাথে সাথে ঝগড়াপ্রবণ ও কটূক্তিপরায়ণ। বিয়ের আগে যাচাই করা হয়নি, এজন্য নিজেকে দোষী মনে করি। মাঝে মাঝে এমন কষ্ট হয় যে আত্মহত্যার চিন্তাও আসে, কিন্তু পরকালের ভয়ে বিরত থাকি। এটা কি আমার ভাগ্যে লেখা ছিল নাকি আমার নিজের ত্রুটির ফল? আমার করণীয় কি? যদি ধৈর্য ধরে সংসার করি, তাহ’লে এর বিনিময়ে কি আমার কোন পুরস্কার মিলবে? আর মাঝে মাঝে আমি তাকে বলি, ‘আমি মরে গেলে তোমাকে পরকালে চাই না’ এতে কি আমার গোনাহ হবে?
প্রশ্ন (৩২/৩১২) : ঈদুল ফিৎর ও ঈদুল আযহার দিনে ঈদগাহ সজ্জিত করার হুকুম কি? - -শহীদুল্লাহ, বংশাল, ঢাকা।
আরও
আরও
.