উত্তর : সন্তানের মালিক মূলতঃ পিতা। আল্লাহ বলেন, তোমাদের স্ত্রীরা গর্ভবতী থাকলে সন্তান প্রসব হওয়া পর্যন্ত তাদের ভরণ-পোষণের জন্য তোমরা ব্যয় কর। অতঃপর যদি তারা তোমাদের সন্তানদের স্তন্যদান করে, তবে তাদেরকে পারিশ্রমিক দাও এবং সন্তানের কল্যাণ বিষয়ে তোমরা ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজেদের মধ্যে পরামর্শ কর। কিন্তু যদি তোমরা নিজ নিজ দাবীতে অটল থাকো, তাহ’লে অন্য নারী তার পক্ষে স্তন্যদান করবে (তালাক ৬)। অনেক সময় সন্তানের মায়ের কাছে থাকাটা অপরিহার্য হয়ে পড়ে। তখন সে মায়ের কাছেই থাকবে। যেমন আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) বলেন, জনৈকা মহিলা এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! এটা আমার ছেলে, আমার পেট তার গর্ভ, আমার স্তন তার পানপাত্র, আমার কোল তার আশ্রয়স্থল। তার পিতা আমাকে তালাক দিয়েছে। সে আমার থেকে একে ছিনিয়ে নিতে চায়। রাসূলুললাহ (ছাঃ) তাকে বললেন, তুমি অন্যত্র যতদিন বিবাহ না করছ, ততদিন তুমি এর বেশী হকদার (আহমাদ, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৩৩৭৮)






প্রশ্ন (৩৫/৪৭৫) : কত বছর বয়সে প্রাপ্ত বয়স্ক ধরা হয়? কখন থেকে একজন ব্যক্তির পাপ লিপিবদ্ধ হয়?
প্রশ্ন (৯/৮৯) : কেবল পরিদর্শনের জন্য মাযার বা শিরকী কার্যকলাপ চলে এরূপ স্থানে যাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/১১৬) : খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী ও তাঁর আক্বীদা সম্পর্কে জানতে চাই। - -সারওয়ার, আসাম, ভারত।
প্রশ্ন (১২/২১২) : মসজিদের সামনে জনসাধারণের বসার স্থান তৈরী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৬/২৪৬) : আল্লাহর প্রশংসা এবং রাসূল (ছাঃ)-এর উপর দরূদ পাঠ করা দো‘আ কবুলের অন্যতম শর্ত কি? এর জন্য কি কি দো‘আ পাঠ করা যাবে? দরূদ বলতে দরূদে ইব্রাহীমী পড়তে হবে না অন্য কিছু?
প্রশ্ন (৩০/৩০) : মসজিদে ২জন একসাথে প্রবেশ করে দেখি সামনের কাতারে ১জন দাঁড়ানোর জায়গা আছে। এমতাবস্থায় আমরা কাতার ফাঁকা রেখেই পেছনের কাতারে দাঁড়াবো কি? - -মুহাম্মাদধানমন্ডি, ঢাকা।
প্রশ্ন (৫/৮৫) : ছালাতরত অবস্থায় সালাম ফিরানোর পূর্বে ঋণমুক্তি ও পিতা-মাতার জন্য দো‘আ করা যাবে কি? - -মুহাম্মাদ আকাইদ, ময়মনসিংহ।
প্রশ্ন (২৪/১৪৪): অধিক অর্থ উপার্জনের জন্য বিদেশে ইয়াহূদী-নাছারাদের অধীনে চাকুরী করা যাবে কি? অমুসলিমদের অধীনে কাজ করার ব্যাপারে রাসূল (ছাঃ) এবং ছাহাবায়ে কেরামের কোন আমল পাওয়া যায় কি?
প্রশ্ন (২৩/১৮৩) : জনৈক আলেম বলেন, কেউ যখন রোগীর নিকট যাবে তখন সে তার কাছে দো‘আ চাইবে। কারণ তার দো‘আ ফেরেশতাগণের দো‘আর ন্যায়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (১২/৩৭২) : সূরা হূদের ১০৭ ও ১০৮ নং আয়াতে জান্নাতবাসী ও জাহান্নামীদের ব্যাপারে বলা হয়েছে, তারা অনন্তকাল সেখানে থাকবে, যে পর্যন্ত আসমান ও যমীন স্থায়ী থাকবে। তবে আল্লাহ অন্য কিছু চাইলে ভিন্ন কথা’। উক্ত আয়াত থেকে বুঝা যায় যে, এক সময় জাহান্নামের শাস্তি থেকে সবাইকে রেহাই দেয়া হবে। চিরস্থায়ীভাবে কাউকে জাহান্নামে থাকতে হবে না। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৯/২৮৯) : হিজড়াদের সামনে পুরুষ বা নারীদের পর্দার বিধান কি?
প্রশ্ন (৩৩/৩৩) : পানির পাত্র ঢেকে না রাখলে শয়তান পেশাব করে দেবে মর্মে শরী‘আতে কোন বর্ননা রয়েছে কি?
আরও
আরও
.