উত্তরঃ যে ব্যক্তি অন্য সব দ্বীন থেকে বিমুখ হয়ে সত্য দ্বীনের দিকে অগ্রসর হয় তাকেই হানীফ বলে। আবার একনিষ্ঠ এবং এক আল্ল­াহর প্রতি বিশ্বাস করে এমন ব্যক্তিকেও হানীফ বলে। এছাড়া আল্লাহর নির্দেশাবলী মেনে নেয়ার ক্ষেত্রে যে নিজেকে সমর্পণ করে তাকেইও হানীফ বলা হয়। অতএব সহজ সরল সত্য দ্বীনই হচ্ছে দ্বীনে হানীফ। আল্ল­াহ্ বলেন, ‘তিনি (ইবরাহীম) ছিলেন হানীফ মুসলিম’ (আলে ইমরান ৬৭)। অর্থাৎ একনিষ্ঠ ও আত্মসমর্পিত। অতএব তাঁরও দ্বীনের নাম ছিল ইসলাম। তবে কুরাইশদের মধ্যে এটা ‘দ্বীনে হানীফ’ নামে পরিচিত ছিল। কুরাইশরা নিজেদেরকে ‘বনু ইবরাহীম’ বলত (আর-রাহীকুল মাখতূম, পৃঃ ৩৯)

‘উম্মী’ অর্থ নিরক্ষর। এ শব্দের দ্বারা যদি উম্মী নবী উদ্দেশ্য হয়, তাহ’লে এর অর্থ হবে আমাদের নবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)। কারণ তিনি লিখতে বা পড়তে পারতেন না। এ ছিল এক মু‘জিযা। কারণ তাঁকেই আল্ল­াহ্ আয়াত পাঠকারী এবং কুরআন ও সুন্নাহর শিক্ষা দানকারী বানিয়ে দেন (আলে ইমরান ১৬৪; জুম‘আহ্ ২)। আর যদি ‘উম্মীঈন’ বুঝানো হয়, তাহ’লে এর দ্বারা তৎকালীন আরবদেরকে ও বিশেষ করে কুরায়েশদেরকে বুঝানো হয়েছে (জুম‘আ ২)






বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (৯/৩৬৯) : আমাদের গ্রামের মসজিদে জুম‘আর দিন সকল মুছল্লীকে খাওয়ানো হয়। এটা অধিকাংশ মানত করেই করে থাকে। শরী‘আতে এর বিধান কি?
প্রশ্ন (৩৯/৪৭৯) : সারোগেসী (Surrogacy) পদ্ধতিতে বর্তমানে সন্তান গ্রহণ করা হচ্ছে। এ পদ্ধতি শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (১০/২১০) : কিরামান কাতেবীন ফেরেশতাগণ কি মানুষের কাঁধে অবস্থান করে আমলনামা লিখেন?
প্রশ্ন (২৬/২২৬) : পাথর নির্দোষ হওয়া সত্ত্বেও তা জাহান্নামের ইন্ধন হবে কেন?
প্রশ্ন (১৪/৩৩৪) : আমাদের মসজিদের জমিতে অনেক পুরাতন কবর ছিল। পরে তার উপর ২ তলা বিশিষ্ট পাকা মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। কবর নির্দিষ্টভাবে কোথায় আছে তা কেউ জানে না। মসজিদ নির্মাণের সময় জমিদাতার ধারণামত একস্থান থেকে কিছু মাটি উঠিয়েছিলেন, কিন্তু কবরের কোন চিহ্ন পাননি। এক্ষণে উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৭/১৬৭) : জুম‘আর খুৎবা প্রদানের সময় লাঠি নেওয়া কি যরূরী? দলীলসহ জানতে চাই। - -যুলফিক্বার জামীল, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৬/২৬৬) : মামা বা চাচা মারা গেলে অথবা মামী বা চাচীকে তালাক দিলে ঐ মামী বা চাচীকে তার ভাগ্নে বা ভাতিজা বিবাহ করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৭/২৪৭) : ঈদের মাঠে কোলাকুলি করা যাবে কি? কোলাকুলি কি এক দিকে করতে হয়?
প্রশ্ন (১/২৮১) : জনৈক লেখক বলেন যে, বাঁশির শব্দে ইবনু ওমর (রাঃ) কানে আঙ্গুল দেয়াতে গান হারাম হয়েছে তা বলা যায় না (সৌভাগ্যের পরশমণি)। আবার রাসূল (ছাঃ) নিজে কানে আঙ্গুল দিয়েছিলেন কিন্তু ইবনু ওমর (রাঃ)-কে তা করতে বলেননি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খলীফাদের যুগে বাদ্যযন্ত্র ও গান নিষেধ ছিল না; বরং তা উপভোগ করা হত (তাবারী)। তিনি আরো বলেন, কুরআনে এমন কোন আয়াত নেই যা গানকে হারাম করে। তাই ইবনে হাজার, ইবনু খাল্লিকান, জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী, গাযালী প্রমুখ বিদ্বানদের মতে বাদ্যযন্ত্রসহ গান শোনা বৈধ। যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে এবং কল্যাণকর কথা হয়। উক্ত দাবীগুলো কি সত্য? সৌভাগ্যের পরশমণি’ এবং ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইগুলো কি গ্রহণযোগ্য?
প্রশ্ন (২৩/২৩) : শিশু সন্তান পিতা-মাতার সাথে হজ্জ পালন করলে তার কোন নেকী হবে কি বা হজ্জের ফরযিয়াত আদায় হয়ে যাবে কি? এছাড়া উক্ত সন্তানের জন্য কি পৃথকভাবে ত্বাওয়াফ ও সাঈ করতে হবে না সন্তান কোলে নিয়ে করা হ’লে সেটাই যথেষ্ট হবে?
প্রশ্ন (৩০/৩০) : জনৈক মাওলানা বলেন, যে মারিয়াম নামে সকল মহিলা জান্নাতে যাবে, উক্ত বক্তব্যটি কি সঠিক?
প্রশ্নঃ (১৫/১৫) : কাদিয়ানী মতবাদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন?
আরও
আরও
.