উত্তর : রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তিন জন ব্যক্তির উপর আল্লাহ জান্নাতকে হারাম করেছেন। (১) নিয়মিত মদ্যপায়ী (২) পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান (৩) দাইয়ূছ। যে তার পরিবারে ফাহেশা কাজ স্থায়ী রাখে’ (নাসাঈ হা/২৫৬২; আহমাদ হা/৫৩৭২; মিশকাত হা/৩৬৫৫; ছহীহাহ হা/৬৭৪)। উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যায় মোল্লা আলী ক্বারী বলেন, যার চুপ থাকার কারণে তার স্ত্রী-কন্যা, দাসী প্রভৃতি নিকটতম মহিলাদের মধ্যে ব্যভিচার, মদ্যপান ও ব্যভিচারমূলক কাজ-কর্ম স্থায়িত্ব ও ব্যাপকতা লাভ করে (মিরক্বাত, হা/৩৬৫৫)। 

যাহাবী বলেন, ‘দাইয়ূছ’ সেই ব্যক্তি যে তার স্ত্রীর ফাহেশা কাজ সম্পর্কে অবগত। কিন্তু তার প্রতি ভালোবাসার কারণে উক্ত ব্যাপারে সে উদাসীন থাকে। অথবা তার উপর তার স্ত্রীর বৃহৎ ঋণ বা মোহরানার ভয়ে কিংবা ছোট ছেলেমেয়েদের কারণে সে স্ত্রীকে কিছুই বলে না এবং যার আত্মসম্মানবোধ বলতে কিছুই নেই’ (যাহাবী, কিতাবুল কাবায়ের ১/৫০ পৃঃ)

প্রশ্ন অনুযায়ী স্বামী যেহেতু স্ত্রীর বিদেশ গমনে নিষেধ করেছেন এবং চুপ থাকেননি, সেহেতু তিনি ‘দাইয়ূছ’ হবেন না। বরং স্ত্রী গোনাহগার হবে। কেননা প্রথমতঃ সে স্বামীর অবাধ্যতা করেছে। দ্বিতীয়তঃ উপার্জনের জন্য একাকী বিদেশে গমন করেছে। তবে তার উপার্জন স্বামী ও সন্তানদের জন্য অবৈধ নয়। কারণ একের পাপের বোঝা অন্যে বহন করবে না (আন‘আম ৬/১৬৪)। এক্ষেত্রে স্বামীর জন্য স্ত্রীর উপার্জিত অর্থ গ্রহণ না করাই উত্তম হবে এবং তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। কোনভাবেই স্ত্রীকে ফিরানো না গেলে চূড়ান্ত অবস্থায় তাকে তালাক প্রদান করবে।






প্রশ্ন (২৭/৪২৭) : আমি পিতা-মাতার একমাত্র কন্যা। আমার মায়ের এক ভাই ও দুই বোন আছে। মা আমাকে তার সম্পদের কিছু অংশ দিতে চান। এক্ষেত্রে শারঈ কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩৮): চাকরির শুরুতে ৫/৬ বছর আগে ক্যাশ সেকশনে কাজ করতাম। মাঝে মাঝে টাকা কম হ’লে নিজের টাকা দিয়ে পূরণ করে দিতে হ’ত। কিন্তু একদিন কিছু টাকা বেশী হয়েছিল। ঐ টাকা দাবী করতেও আর কেউ আসেনি। পরবর্তীতে ঐ টাকা আমি খরচ করে ফেলেছি। টাকার পরিমাণও এখন মনে নেই। বর্তমানে আমি অনুতপ্ত। এক্ষণে ঐ টাকার ব্যাপারে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩১/২৩১) : জানাযার ছালাত একদিকে সালাম বা দুই দিকে সালাম ফিরানো উভয়টিই সঠিক কি?
প্রশ্ন (১৯/৪১৯) : যাকাতের মাল দ্বারা মাদরাসার ছাত্রদের আবাসিক ব্যবস্থা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩/৪৪৩) : জনৈক আলেম বলেন, সূরা আহযাবের ৬ ও সূরা কাওছারের ৩ আয়াত দ্বারা এটা প্রমাণিত হয় যে, রাসূল (ছাঃ) আমাদের রূহানী পিতা। বিষয়টি জানতে চাই।
প্রশ্ন (২১/৬১) : মসজিদে আয়ের কোন উৎস না থাকায় নীচ তলা মার্কেট করে উপরে ২ ও ৩ তলা মসজিদ নির্মাণ করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (২৬/৩০৬) : মিসওয়াক সহ ছালাত আদায় মিসওয়াক বিহীন সত্তরবার ছালাতে আদায়ের চেয়েও অধিক নেকীপূর্ণ। উক্ত বক্তব্যের কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (৪০/১২০) : ক্রোধবশতঃ পৃথক জায়গায় ওয়াক্তিয়া মসজিদ নির্মাণ করা জায়েয হবে কি? মদীনার ‘মসজিদে যেরার’ ওয়াক্তিয়া ছিল, না জামে মসজিদ ছিল? - -আব্দুর রহমানপিরুজালী, গাযীপুর।
প্রশ্ন (২/২০২) : প্রত্যক ছালাতের পরে কি সূরা নাস, ফালাক্ব ও ইখলাছ পাঠ করতে হবে? নাকি কেবল সূরা নাস ও ফালাক্ব পড়লেই হবে? - -আবু নাফীস, আমচত্বর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩০/১৫০) : পরপর ৪টি সিজার হওয়ার পর চিকিৎসক আর সন্তান নেয়া মায়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলেছেন। তাই স্বামীর অজান্তে স্ত্রী স্থায়ীভাবে সন্তান গ্রহণ না করার পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন। এক্ষণে স্বামীর করণীয় কি?
প্রশ্ন (১/৪০১) : বর্তমানে বাংলাদেশে ‘রেডিয়াম ইন্টারন্যাশনাল’ নামক একটি কোম্পানী ‘ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগে’র আহবান জানাচ্ছে। তাদের নিয়ম অনুযায়ী ১০ ইউএস ডলার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। এর বিনিময়ে তারা ‘রিপটন কয়েন’ নামে দুইশ’ কয়েন দিচ্ছে। যেটা একদিনে দেওয়া হয় না। বরং ন্যূনতম ছয় মাসে মাইনিং হিসাবে প্রতিদিন ১/২টা করে ছয় মাসের মধ্যে প্রদান করা হয়। তাদের দাবী অনুযায়ী আগামী ৬ মাসের মধ্যে এর রেট একটা উচ্চ পর্যায়ে যেতে পারে। আনুমানিক প্রতি কয়েন ১০ ডলার থেকে ১০০ ডলার হ’তে পারে। দ্বিতীয়তঃ তাদের সাথে কাজ করলে অর্থাৎ একাধিক ব্যক্তিকে রেফার করলে কোম্পানির পক্ষ থেকে ঐ ব্যক্তির বিনিয়োগের ৫% হারে মুনাফা প্রদান করবে। কিন্তু বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগের কোন কমতি হবে না। এইভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজের বিনিময়ে তারা আরো পারসেন্টেজ লাভের ব্যবস্থা রাখছে। আবার এই কারেন্সির বিনিময় মূল্য রয়েছে এবং তারা বলছে অদূর ভবিষ্যতে বিশ্ববাজারে ভার্চুয়াল কারেন্সির ব্যাপক ব্যবহার শুরু হবে। ইতিপূর্বে ‘বিটকয়েন’ নামে এই ক্রিপ্টোকারেন্সি বাযারে এসেছিল ২০০৯ সালে। তখন তার মূল্য ছিল ৮/৯ টাকা। বর্তমানে ২০২০ সালে সেই কয়েনের মূল্য ৮ লক্ষ টাকা (১৩১১৯ সিঙ্গাপুরী ডলার)। ঠিক তেমনি ‘রিপটন কয়েন’ থেকে আয় আসবে বলে দাবী করা হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হ’ল অধিক মুনাফা লাভের আশায় এ ধরনের কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা যাবে কি? বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্ন (৪/২০৪) : আমি একটি মসজিদে বড় অংকের সহযোগিতা করি। কিন্তু সেখানে মীলাদ-ক্বিয়ামসহ যাবতীয় বিদ‘আতী কার্যক্রম হয়ে থাকে। এক্ষণে উক্ত অর্থদানের জন্য কোন নেকী অর্জিত হবে কি?
আরও
আরও
.