উত্তর : এটা একটি মানসিক রোগ। প্রথমেই এর জন্য চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। বিশেষত হরমোনগত ত্রুটি আছে কি-না তা পরীক্ষা করে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে।

এছাড়া আরো কিছু করণীয় রয়েছে। যেমন- (১) এটা জানা যে সমকামিতা যেনা অপেক্ষা মহাপাপ। খালেছভাবে তওবা করা এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা। দিনে বহুবার নিম্নের দো‘আটি পাঠ করা যায়।- আল্লা-হুম্মাগফির যানবী ওয়া তাহহির ক্বালবী ওয়া হাছছিন ফারজী (হে আল্লাহ! তুমি আমার গুনাহ ক্ষমা কর, আমার হৃদয়কে পবিত্র কর এবং আমার লজ্জাস্থানকে হেফাযত কর)। রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট এক যুবক যেনা করার অনুমতি চাইলে তিনি তাঁর জন্য এই দো‘আ করেন (আহমাদ, ছহীহাহ হা/৩৭০)

(২) প্রবৃত্তি ও শয়তানের প্রতারণা থেকে থেকে নিজেকে হেফাযত করা এবং আল্লাহর রহমত ও অনুগ্রহের প্রত্যাশা করা। আল্লাহ বলেন, ‘হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের ওপর সীমালঙ্ঘন করেছ, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না’ (যুমার ৩৯/৫৩)। (৩) পরিবেশ বদলানো ও সঙ্গ পরিবর্তন করা এবং এমন বন্ধুর সাহচর্যে থাকা, যারা আল্লাহকে ভয় করে। যার প্রতি আকর্ষণ হয় তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ রাখা। গুনাহে প্ররোচক সামাজিক মিডিয়া বা ছবি সম্পূর্ণ বর্জন করা। (৪) সমাজকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে যুক্ত করা : আল্লাহর প্রতি দাওয়াত দেয়া, দ্বীনী সংগঠনে যুক্ত থাকা, সমাজসেবা মূলক কাজ করা, কুরআন শিক্ষা, খেলাধুলা, শরীরচর্চা ইত্যাদিতে মনোযোগ দেয়া, যা খারাপ চিন্তা হ্রাস করে। (৫) দ্বীনদার মেয়েকে বিবাহ করা। এটা সমকামিতার মনোভাব থেকে বাঁচার একটা বড় মাধ্যম। স্ত্রীর সাথে বেশী বেশী একান্ত সময় কাটানো, যাতে অন্যায়ের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি না হয়। আশা করি উপরোক্ত নিয়মগুলো পালন করলে সমকামিতার মত নিকৃষ্ট হারাম প্রবণতা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।

প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বগুড়া।








প্রশ্ন (৩৯/২৭৯) : সূরা ফীল-এ নবী (ছাঃ)-কে লক্ষ্য করেন আল্লাহ বলেছেন, ‘হে নবী! আপনি কি দেখেননি’? কিন্তু ঐ সমস্ত ঘটনা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর জন্মের বহুদিন পূর্বে সংঘটিত হওয়া সত্ত্বেও এভাবে বলার মাধ্যমে বুঝা যায় যে, রাসূল (ছাঃ) তখনও ছিলেন এবং আল্লাহর সাথে তিনি - মাযহার হোসাইন পাটগ্রাম, লালমণিরহাট।
প্রশ্ন (১৫/১৩৫) : জনৈক আলেম বলেছেন, যে ব্যক্তির ইজতিহাদ করার যোগ্যতা নেই, তার জন্য মাযহাব মানা জায়েয। এ বিষয়ে সঠিক বিধান কি?
প্রশ্ন (১৯/৯৯) : ধর্মীয় বিধি-বিধান পালনের ক্ষেত্রে আমি এবং আমার পরিবার উদাসীন। এক্ষণে নিজেদেরকে দ্বীনের পথে ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের কোন দো‘আ বা নিয়মিত আমল আছে কি? - -ফাইয়ায ইকরাম, মিসর।
প্রশ্ন (৩৭/২৩৭) : জনৈক আলেম বলেন, ছাহাবী ও তাবেঈগণ জায়নামাযের চেয়ে মাটির উপর সিজদাকে অধিক উত্তম বলে অভিহিত করেছেন’। এ বক্তব্য কতটুকু গ্রহণযোগ্য?
প্রশ্ন (৩০/১৯০) : আমার পিতা মারা গেলে কাফন পরানোর সময় আমাদের মসজিদের ইমাম পিতার কপালে সুগন্ধি দ্বারা আল্লাহ ও মুহাম্মাদ লিখে দেন। এর পক্ষে কোন দলীল আছে কি?
প্রশ্ন (৫/৩২৫) : হজ্জে তিনটি ত্বাওয়াফ করতে হয়। প্রশ্ন হ’ল সবগুলি করা কি বাধ্যতামূলক?
প্রশ্ন (১৩/৪১৩) : জনৈকা প্রাপ্তবয়স্কা হিন্দু নারী ইসলাম গ্রহণ করে অভিভাবককে গোপন করে আমার সাথে বিয়ে করতে চায়। এক্ষেত্রে কোন পদ্ধতিতে বিয়ে করা সঠিক হবে?
প্রশ্ন (১৭/৯৭) : জানাযার ছালাতে ক্বিরাআত সশব্দে পাঠ করা যাবে কি? জানাযার প্রথম বা দ্বিতীয় তাকবীর না পেলে মাসবূক ব্যক্তির করণীয় কি?
প্রশ্ন (৯/৩৬৯) : আমাদের গ্রামের মসজিদে জুম‘আর দিন সকল মুছল্লীকে খাওয়ানো হয়। এটা অধিকাংশ মানত করেই করে থাকে। শরী‘আতে এর বিধান কি?
প্রশ্ন (৭/৪০৭) : জামা‘আতে তারাবীহর ছালাত আদায় করা অবস্থায় ২/১ রাক‘আত ছুটে গেলে তা পূর্ণ করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১৯/১৭৯) : কোন কোন দেশে ৬ মাস রাত ও ৬ মাস দিন। তাহ’লে সেদেশের মানুষ কিভাবে ছালাত ছিয়াম পালন করবে?
প্রশ্ন (১৪/১৪) : প্রত্যেক ছালাতের সালাম ফিরানোর পর মাসনূন দো‘আ ব্যতীত অতিরিক্ত কিছু দো‘আ নিজের প্রয়োজনে নিয়মিতভাবে পাঠ করি। এভাবে নিয়মিত পাঠ করা বিদ‘আত হবে কি?
আরও
আরও
.