উত্তর : কুরআন-হাদীছে এর কোন কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তবে কেউ কেউ এর বিভিন্ন কারণ বের করার চেষ্টা করে থাকেন। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, তোমরা আমাকে যেভাবে ছালাত আদায় করতে দেখছ সেভাবে ছালাত আদায় কর’ (বুখারী হা/৬৩১; মিশকাত হা/৬৮৩)






প্রশ্ন (৪/৩২৪) : সুন্নাত ছালাতের ক্বাযা আদায় করতে হবে কি? না করলে গুনাহগার হতে হবে কি?
প্রশ্ন (২২/২২২) : নবী-রাসূলগণের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাবান কে?
প্রশ্ন (১৪/১৪) : একটি মিথ্যা বললে সাত হাযার বছর জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে হবে’- এ কথার কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (২৬/১০৬) : শবেকদর উপলক্ষে ২৭শে রামাযান দিবাগত রাতে উন্নতমানের খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি? - -আব্দুর রহীম, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৯/৯) : কুরবানীর গোশত তিনভাগ করার ব্যাপারে শারঈ নির্দেশনা আছে। কিন্তু আক্বীক্বা বা সাধারণভাবে পশু যবেহ করলেও তিনভাগ করতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৩০৪) : হানাফী মসজিদে ছালাত আদায় করার সময় হানাফীদের সাথে পায়ে পা না মিলালে গুনাহগার হ’তে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৩/১৫৩) : ছালাতে দাঁড়ানোর সময় দু’জনের মাঝে ফাঁকা রেখে দাঁড়ালে ছালাতের কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩৯) : স্বামীর আপন চাচা, মামা, খালু কি স্ত্রীর জন্য মাহরাম? অন্যদিকে স্ত্রীর আপন খালা, ফুফু কি স্বামীর জন্য মাহরাম?
প্রশ্ন (১/৪১) : মিশকাতের ৯২৪, ৯২৬ ও ৯২৮ নং হাদীছে বর্ণিত হয়েছে ‘উম্মতের দরূদ ও সালাম রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট পৌছে’। ৯২৫নং হাদীছে বর্ধিতভাবে এসেছে ‘নিশ্চয় আল্লাহ আমার নিকট আমার রূহ ফেরত দেন যাতে আমি সালামের জবাব দিতে পারি’। সারাবিশ্বে প্রতিনিয়ত দরূদ ও সালাম পাঠ হচ্ছে। এমতাবস্থায় নবী (ছাঃ)-এর জীবিত থাকাই স্বাভাবিক। এক্ষণে হাদীছদ্বয়ের ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২২/২২) : চিকিৎসা ক্ষেত্রে অনেক সময় রোগীকে পেথিড্রিন ও মরফিনের মত মাদকদ্রব্য দিতে হয়। বাধ্যগত অবস্থায় এসব দ্রব্য ব্যবহারে কোন বাধা আছে কি? - -ডা. আশরাফ, রংপুর মেডিকেল কলেজ, রংপুর।
প্রশ্ন (২১/২৬১) : কোন কোন সাবান কোম্পানী শূকরের চর্বিকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে। জেনেশুনে উক্ত সাবান ব্যবহার করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
আরও
আরও
.