উত্তর : প্রসিদ্ধ ৬টি কিতাবকে ‘ছিহাহ সিত্তাহ’ না বলে কুতুবুস সিত্তাহ বলাই উত্তম। মূলতঃ ছহীহ কিতাব শুধু বুখারী ও মুসলিম। যাকে একত্রে ছহীহায়েন বলা হয়। এ গ্রন্থদ্বয়ের সব হাদীছই ছহীহ। যেকারণ ইমাম বুখারী ও মুসলিম উভয়েই স্ব স্ব কিতাবের নামে ‘ছহীহ’ যুক্ত করেছেন। কিন্তু এর বাইরে আবুদাঊদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ এ চারটি কিভাবে অধিকাংশ হাদীছ ছহীহ হ’লেও তারা কেউই স্ব স্ব কিতাবকে ছহীহ বলে নামকরণ করেননি। কারণ সেখানে বেশ কিছু সংখ্যক যঈফ ও জাল হাদীছ সংকলিত হয়েছে। শায়খ আলবানীর হিসাব মতে এগুলিতে সর্বমোট তিন হাযারের অধিক যঈফ হাদীছ রয়েছে (দেখুন : শায়খ নাছিরুদ্দীন আলবানী, যঈফ আবুদাঊদ, যঈফ তিরমিযী, যঈফ নাসাঈ ও যঈফ ইবনু মাজাহ)। তবে অধিকাংশ হাদীছ ছহীহ হওয়ার কারণে ছিহাহ সিত্তাহ নামে পরিচিতি পেয়েছে।

অতএব ছয়টি প্রসিদ্ধ কিতাব একত্রে বললে ‘কুতুবে সিত্তাহ’ অথবা পৃথকভাবে ‘ছহীহায়েন’ ও ‘সুনানে আরাবা‘আহ’ বলা উচিত। মুহাদ্দিছগণের নিকটে এ দু’টি পরিভাষাই সমধিক পরিচিত।






প্রশ্ন (৯/১২৯) : কোন ব্যক্তি হাজীকে ইহরামের কাপড় উপহার দিলে তা দ্বারা হজ্জ করা জায়েয হবে কি? - -ছফীউদ্দীন, সরোজগঞ্জ বাজার, চুয়াডাঙ্গা।
প্রশ্ন (৪/২৪৪) : পোষাকে বমি লেগে গেলে উক্ত পোষাকে ছালাত হবে কি? - -মাহবূবুল আলম, গাযীপুর।
প্রশ্ন (১১/৩৭১) : জনৈক ব্যক্তি অনেক জমি-জায়গার মালিক। কিন্তু নগদ অর্থ অল্প থাকায় তিনি নিজেকে গরীব হিসাবে গণ্য করেন। এক্ষণে তাকে দরিদ্র হিসাবে যাকাতের অর্থ দেয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩১/৪৭১): পিতা-মাতা আক্বীক্বা করে নাম রেখেছে। সন্তান বড় হয়ে বুঝতে পারলো যে, তার নাম অর্থহীন। এমতাবস্থায় তার নাম কি পরিবর্তন করা যাবে?
প্রশ্ন (১৯/৯৯) : মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৭/২৭৭) : তাফসীর ইবনে কাছীরে উল্লেখ আছে, প্রত্যেক যমীনের পুরুত্ব পাঁচশ’ বছর। এক যমীন থেকে অপর যমীন ও দূরত্ব পাঁচশ’ বছরের। আবার সপ্তম আসমান থেকে আরশে আযীমের দূরত্ব হচ্ছে ৩৬ হাযার বছরের। এসব তথ্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (১০/৫০) : সরকারী চাকুরীতে বাধ্যতামূলকভাবে জিপি ফান্ডে বেতনের একটি অংশ জমা করতে হয় এবং প্রতিবছর সরকার জমাকৃত টাকার সাথে ১২.৫% হারে জমা করে। এক্ষণে সরকার প্রদত্ত অংশটি কি সূদ হিসাবে গণ্য হবে? - -সুজা সরকারগোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা।
প্রশ্ন (১২/৪১২) : মযলূম ব্যক্তি যদি কাফের হয়, তাহ’লে তার বদ দো‘আর কারণে কোন মুসলিম পাপী হবে কি বা তার কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৪৬৪) : আমার মা ব্যাংকে টাকা রেখে সূদ নেয় এবং তা দিয়ে নানারকম খাবার বা অন্যান্য সামগ্রী ক্রয় করে সন্তানদের দেন। আমরা তা নিতে না চাইলে কান্নাকাটি করেন। এক্ষণে তা গ্রহণ করা বা খাওয়া আমাদের জন্য জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৩/৭৩) : একজন পুরুষের ইনকামের সর্বপ্রথম হকদার তার স্ত্রী, এরপর সন্তান, এরপরে হচ্ছে পিতা-মাতা ও ভাই বোন। একথাটি শরী‘আত সম্মত কি?
প্রশ্ন (১৬/২৫৬) : আমি অধিকাংশ সময় ছিয়াম রাখার চেষ্টা করি। কিন্তু আমি চাই যে কেউ তা না জানুক। এটা বলা আমার কাছে রিয়া মনে হয়। এথেকে বাঁচতে মাঝে মাঝে খাওয়ার ব্যাপারে মিথ্যা বলা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২১/৪৬১) : জনৈক নারী হঠাৎ মারা গেছেন। তাদের কোন সন্তান নেই। স্বামী, পিতা-মাতা ও এক সহোদর বোন আছেন। স্বামী জীবদ্দশায় মোহর আদায় করেননি। এখন তিনি তা আদায় করতে চান। উক্ত মোহরের হকদার কে হবে? স্বামী তা দান করতে পারবে কি? স্ত্রীর চাকুরী থেকে প্রাপ্ত কিছু টাকা স্বামীর একাউন্টে জমা আছে। ঐ টাকার হকদার কে হবেন?
আরও
আরও
.