উত্তর : হজ্জে ওযর ব্যতীত নারী-পুরুষ কেউ অন্যকে জামরায় পাথর নিক্ষেপের দায়িত্ব দিতে পারে না। কেউ এমনটি করলে ওয়াজিব ত্যাগকারী হিসাবে দম বা কুরবানী দিতে হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১১/২৮৯; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৭/৩০৬)। অনুরূপভাবে কোন নারী বিনা ওযরে মুযদালিফায় অবস্থান না করে মিনায় চলে আসলে ওয়াজিব তরককারী হিসাবে তার উপর দম আবশ্যক হবে। কারণ মুযদালিফায় অবস্থান করা ওয়াজিব (নববী, আল-মাজমূ‘ ৮/১৩৪, ১৫০; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৭/২৭৭; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৩/৫১)। হাজীগণ মুযদালিফায় মাগরিব ও এশার ছালাত জমা‘ তাখীর করে আদায় করবেন। অতঃপর রাতে অবস্থান করে ফজরের ছালাত আদায় করে মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর যখন তোমরা আরাফাত থেকে (মিনায়) ফিরবে, তখন (মুযদালিফায়) মাশ‘আরুল হারামে পৌঁছে আল্লাহকে স্মরণ কর’ (বাক্বারাহ ২/১৯৮)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমাদের সাথে ফজরের ছালাতে উপস্থিত হয়েছে এবং প্রস্থান করা পর্যন্ত আমাদের সাথে অবস্থান করেছে। আর এর পূর্বে আরাফাতে রাতে বা দিনে অবস্থান করেছে, সে তার হজ্জ পূর্ণ করে নিয়েছে’ (তিরমিযী হা/৮৯১; ইরওয়া হা/১০৬৬, সনদ ছহীহ)। রাসূল (ছাঃ)-এর হজ্জের পদ্ধতিতে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে যে, তিনি মুযদালিফায় মাগরিব ও এশার ছালাত আদায় করেছেন এবং সেখানে রাত্রি যাপন করেছেন। অতঃপর ফজরের ছালাত আদায় করে মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন (মুসলিম হা/১২১৮; ইরওয়া হা/১০৭৫)। তবে দুর্বল পুরুষ বা নারীরা মধ্যরাতের পর মিনায় চলে যেতে পারে। যাতে সকালের ভিড়ের পূর্বে পাথর মারার কাজ সম্পন্ন করে নিতে পারে (বুখারী হা/১৬৭৬, ১৬৭৯)। এক্ষণে কোন ব্যক্তি যদি মুযদালিফায় অবস্থান না করে মধ্য রাতের পূর্বেই মিনার নির্ধারিত স্থানে অবস্থান গ্রহণ করে তাহ’লে ওয়াজিব ত্যাগ করার কারণে তাকে দম বা কুরবানী দেওয়ার মাধ্যমে কাফফারা আদায় করতে হবে (দারাকুৎনী হা/২৫৩৪; ইরওয়া হা/১১০০; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৭/২৭৭)

প্রশ্নকারী : আযাদ, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।








প্রশ্ন (২৪/৩৪৪) : জনৈক ইমাম মসজিদে মহিলাদের ছালাতের জন্য বরাদ্দ ঘরে নিজ স্ত্রীর সাথে মিলনে লিপ্ত হয়েছেন। এক্ষণে উক্ত ইমামের পিছনে ছালাত আদায় বা তাকে ইমাম হিসাবে রাখা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩১/৩১১) : যদি আমি ফজরের সময় না উঠতে পারি এবং অনেক দেরী হয়ে যায় (যেমন সকাল ৮টা বেজে যায়), তাহ’লে কি আমাকে তখনই পবিত্র হয়ে ছালাত আদায় করতে হবে, না যোহরের সময় পড়তে পারব?
প্রশ্ন (৩৬/৩৯৬) : টার্কী মুরগীর গোশত খাওয়ায় কোন দোষ আছে কি? - -আব্দুল কুদ্দুস, মাদলপাড়া, পুঠিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৬/১২৬) : চুরি, মদ্যপান, জুয়া খেলা ও মিথ্যা কথা বলায় অভ্যস্ত জনৈক ব্যক্তি রাসূল (ছাঃ)-এর নিকটে এসে তওবা করতে চাইলে তিনি তাকে কেবল মিথ্যা বলা থেকে নিষেধ করেন। লোকটি তা মেনে নিয়ে বাকী তিনটি কাজ করতে চায়। কিন্তু সত্য কথা বলতে গিয়ে পর্যায়ক্রমে সে বাকী কাজগুলি থেকে তওবা করতে বাধ্য হয়। এ কাহিনীটির কোন সত্যতা আছে কি? - -মোবারক, পীরগঞ্জ, রংপুর।
প্রশ্ন (১৩/৪৫৩) : اللهم صمت لك وتوكلت على رزقك وأفطرت برحمتك يا أرحم الراحمين উক্ত দো‘আ পড়ার কোন দলীল আছে কি?
প্রশ্ন (৩৫/১৫৫) : আমার দাদা ও নানা আমার স্ত্রীকে পর্দাবিহীন অবস্থায় দেখতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩১/১৫১) : তাকবীরে তাহরীমা বা সিজদার সময় হাতের আঙগুল মিলিয়ে রাখতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/১৫৭) : অনেকের মোবাইলে গান-বাজনা ও অশ্লীল ছবি থাকে। এসব মোবাইল সাথে নিয়ে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২০/৩৮০) : মৃত ব্যক্তির রূহের মাগফেরাতের জন্য কোন নির্দিষ্ট দিনে বা বছরে একবার সবাই মিলে ইস্তেগফার করার কোন বিশেষ ফযীলত আছে কি?
প্রশ্ন (২৮/৬৮) : তিনদিনের বেশী কথা বন্ধ না রাখার বিষয়টি কি সকল ধর্মালম্বী মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, না কেবল মুসলমানদের জন্য? খ্রিষ্টানদের সাথেও কি তিনদিনের বেশী কথা বন্ধ রাখা যাবে না? - -হিযবুল্লাহ, বালিয়াপুকুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৮/৫৮) : জনৈক আলেম বলেন, ওযূ শেষে সূরা ক্বদর একবার পড়লে ছিদ্দীকের অন্তর্ভুক্ত হওয়া যাবে, দু’বার পড়লে শহীদের তালিকায় নাম লেখা হবে, আর তিনবার পড়লে নবীদের সাথে হাশর হবে। শরী‘আতে উক্ত বক্তব্যের কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৭৯): আমাদের মসজিদের ইমাম আযাবুল ইসলাম, গোলামুন্নবী নাম পরিবর্তন করে অন্য নাম রাখতে বলেছেন। তিনি বলেন, ১০ বার ইয়া গাফুর পাঠ করে দু’চোখের পাতায় ৩ বার বুলালে আজীবন চোখে কোন রোগ হবে না। উক্ত বিষয়ে সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
আরও
আরও
.