উত্তর : রাসূল (ছাঃ) সিজদার আয়াত পাঠ করার সাথে সাথেই সিজদায় যেতেন (বুখারী হা/১০৭৭)। অতএব সিজদায়ে তেলাওয়াত আদায় করে দাঁড়ানোর পর কিছু তেলাওয়াত করে রুকূতে যেতে হবে। যেমন সূরা ‘আলাক্ব শেষে সিজদা করার পর উঠে সূরা ক্বদর পাঠ করে রুকূতে যাওয়া। যাতে তেলাওয়াতের সিজদা ও পরবর্তী রুকূর মধ্যে কিছু পার্থক্য করা যায়।






প্রশ্ন (২/৪৪২) : ঢাকা বেতার কেন্দ্র থেকে ইশরাক্ব ছালাতের ফযীলত সম্পর্কে বলা হয়েছে, একটি কবুল হজ্জ ও একটি কবুল ওমরার ছওয়াব পাওয়া যাবে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৯/১৮৯) : আমাদের এখানে অনেক আলেম বলেন, রাসূল (ছাঃ)-এর পিতা-মাতা জান্নাতী। আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে কবর থেকে উঠিয়ে কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করিয়েছেন। এর সত্যতা আছে কি? - -আবু তাহের, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন (৭/৪৭) : জনৈক বক্তা বলেন, এক বালতি গরুর পেশাবে চাদর ভিজিয়ে তা গায়ে দিয়ে ছালাত আদায় করলে ছালাত হয়ে যাবে। একথার কোন সত্যতা আছে কি? - -হাসান হাফীয, আশুলিয়া, ঢাকা।
প্রশ্ন (২১/২২১) : জুম‘আর পূর্বে অনেক সময় ওয়ায-মাহফিল করা হয় এবং বলা হয়ে থাকে যে এরূপ আমল অনেক ছাহাবীর আমল দ্বারা প্রমাণিত। এটা কি সঠিক?
প্রশ্নঃ (১০/২৯০) : আমরা শুনেছি, পিতার আগে ছেলে মারা গেলে সেই ছেলের সন্তানেরা পরিত্যক্ত সম্পত্তির ওয়ারিছ হয় না। এর সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৭/১৭) : ইমাম আবু হানীফা কি তাবেঈ ছিলেন? তিনি কতজন ছাহাবীর সাক্ষাৎ লাভ করেন? তিনি কি হাদীছ সংগ্রহ ও সংকলন করেছিলেন? আমলের ক্ষেত্রে কুতুবুস সিত্তার চেয়ে ইমাম আবু হানীফার মতামত অধিক গ্রহণযোগ্য হবে কি?
প্রশ্ন (১৩/৪১৩) : ইসলামী সম্মেলনে জনৈক বক্তা বলেন, কবরে নবী-রাসূল, ছাহাবায়ে কেরাম, পীর-আওলিয়াদের লাশ অক্ষত থাকে। তাঁদের লাশ মাটিতে খায় না। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৮/৩৫৯) : প্রায় মসজিদের ইমাম বলে থাকেন, ক্বিয়ামতের দিন মসজিদ ধ্বংস হবে না। মসজিদ প্রত্যেক মুছল্লীকে নিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৩/২২৩) : প্রথম তাশাহহুদে জামা‘আতে শরীক হওয়ার পর ইমাম যখন ৩য় রাক‘আতের জন্য উঠে দাঁড়াবেন, তখন কি ইমামের সাথে রাফ‘উল ইয়াদায়েন করতে হবে? এরপর মাসবূক একাকী যখন স্বীয় ৩য় রাক‘আত শুরু করবে তখন কি পুনরায় রাফ‘উল ইয়াদায়েন করবে?
প্রশ্ন (২০/৬০) : আমাদের এলাকায় অনেকে মেধা বৃদ্ধির জন্য ব্যাঙ খায়। এটা কি হালাল হবে? - -আব্দুল হাদী, মেলান্দহ, জামালপুর।
প্রশ্ন (১০/৩৭০) : একটি কিতাবে লেখা আছে যে, ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) যখন ‘কাশফে’ থাকতেন, তখন তিনি ওযূর পানির সাথে গুনাহ ঝরতে দেখতেন। তাই কাশফে থাকাকালীন ওযূর পানি নাপাক বলে ফৎওয়া দিতেন। প্রশ্ন হ’ল, ‘কাশফ’ কি ? এটা কি শরী‘আতের কোন দলীল? এরূপ কথাবার্তায় যারা বিশ্বাস রাখে তারা কোন আক্বীদার অনুসারী?
প্রশ্ন (৮/১২৮) : রাতে একাকী ঘুমানোর সময় হাফপ্যাণ্ট তথা হাঁটুর উপর পর্যন্ত কাপড় পরিধান করায় কোন বাধা আছে কি? - -আব্দুস সাত্তার, কিষাণগঞ্জ, বিহার, ভারত।
আরও
আরও
.