উত্তর : উক্ত হাদীছ যঈফ (সিলসিলা যঈফাহ হা/২৬৫২)। মূলতঃ ছালাতের পদ্ধতিগত ক্ষেত্রে পুরুষ ও মহিলার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই (দ্রঃ ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) পৃঃ ১১৩, ১৪৩)







প্রশ্ন (১৬/১৭৬) : ছালাতে বা ছালাতের বাইরে কুরআন তেলাওয়াতের সময় সাধারণত আলিফ-এর টানগুলো সেভাবে অনুসরণ করা হয় না। জনৈক ক্বারী বলেন, এতে অর্থ পরিবর্তন হয়ে যাবে। একথা সঠিক কি?
প্রশ্ন (২/৩৬২) : ছালাতরত অবস্থায় উচ্চৈঃস্বরে ক্রন্দন করলে ছালাতের কোন ক্ষতি হয় কি? - .
প্রশ্ন (৩৩/৩৩) : জনৈক আলেম বলেন, আলেমদের সাথে তর্ক- বিতর্ক করলে জাহান্নামে যেতে হবে। একথার সত্যতা আছে কি? - -লোকমান, খিলক্ষেত, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩/২০৩) : এক ওয়াক্ত ছালাত ক্বাযা করলে ৮০ হুক্ববা জাহান্নামে জ্বলতে হবে- কথাটির সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৪০/৮০) : ঈসা (আঃ)-কে ‘কালিমাতুল্লাহ’ বলা হয়েছে কেন? অথচ আমরা জানি আল্লাহর কালাম মাখলূক না যেমন কুরআন। তাহলে কি ঈসা (আঃ) মাখলূক না বরং স্রষ্টার অংশ?
প্রশ্ন (৩১/২৩১) : জুম‘আর দিন মসজিদে প্রবেশ করার পর আযান শুরু হয়ে গেলে আযান শোনা ও তার জবাব দেওয়া যরূরী, নাকি আযান চলাকালীন অবস্থায় সুন্নাত ছালাত আদায় করা যরূরী?
প্রশ্ন (২৬/১০৬) : একজন কৃষক হিসাবে কাজের সময় স্ত্রী ছেলে-মেয়ে সবাই মিলে রাখাল-কিষাণের সহযোগিতা করা হয়। এটা কি পর্দার খেলাফ হবে? এক্ষেত্রে করণীয় কী?
প্রশ্ন (৩০/১৫০) : পরিবারে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দেওয়ার আশংকায় স্বামী বা স্ত্রী একে অপরের কাছে যদি মিথ্যা কসম করতে বাধ্য হয়, সেটার জন্য গুনাহগার হ’তে হবে কি? এরূপ করা হয়ে গেলে করণীয় কি?
প্রশ্ন (২০/৬০) : আমার স্বামী প্রচন্ড রাগী হওয়ায় কয়েক বছরের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে রাগাম্বিত অবস্থায় আমাকে কয়েকবার ১টি করে তালাক দিয়েছে। তালাকের বিধান সম্পর্কে আমরা সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকায় এরপরেও আমরা স্বাভাবিক জীবন-যাপন করছি। এক্ষণে উক্ত তালাকগুলির কারণে কি বিবাহ বাতিল হয়ে গেছে?
প্রশ্ন (১৭/১৩৭) : মক্কা ও মদীনায় মাসব্যাপী রামাযানের ছিয়াম পালন করার বিশেষ কোন ফযীলত আছে কি? - -ফাইয়ায মোর্শেদ, ঢাকা।
প্রশ্ন (১/৪০১) : বর্তমানে বাংলাদেশে ‘রেডিয়াম ইন্টারন্যাশনাল’ নামক একটি কোম্পানী ‘ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগে’র আহবান জানাচ্ছে। তাদের নিয়ম অনুযায়ী ১০ ইউএস ডলার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। এর বিনিময়ে তারা ‘রিপটন কয়েন’ নামে দুইশ’ কয়েন দিচ্ছে। যেটা একদিনে দেওয়া হয় না। বরং ন্যূনতম ছয় মাসে মাইনিং হিসাবে প্রতিদিন ১/২টা করে ছয় মাসের মধ্যে প্রদান করা হয়। তাদের দাবী অনুযায়ী আগামী ৬ মাসের মধ্যে এর রেট একটা উচ্চ পর্যায়ে যেতে পারে। আনুমানিক প্রতি কয়েন ১০ ডলার থেকে ১০০ ডলার হ’তে পারে। দ্বিতীয়তঃ তাদের সাথে কাজ করলে অর্থাৎ একাধিক ব্যক্তিকে রেফার করলে কোম্পানির পক্ষ থেকে ঐ ব্যক্তির বিনিয়োগের ৫% হারে মুনাফা প্রদান করবে। কিন্তু বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগের কোন কমতি হবে না। এইভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজের বিনিময়ে তারা আরো পারসেন্টেজ লাভের ব্যবস্থা রাখছে। আবার এই কারেন্সির বিনিময় মূল্য রয়েছে এবং তারা বলছে অদূর ভবিষ্যতে বিশ্ববাজারে ভার্চুয়াল কারেন্সির ব্যাপক ব্যবহার শুরু হবে। ইতিপূর্বে ‘বিটকয়েন’ নামে এই ক্রিপ্টোকারেন্সি বাযারে এসেছিল ২০০৯ সালে। তখন তার মূল্য ছিল ৮/৯ টাকা। বর্তমানে ২০২০ সালে সেই কয়েনের মূল্য ৮ লক্ষ টাকা (১৩১১৯ সিঙ্গাপুরী ডলার)। ঠিক তেমনি ‘রিপটন কয়েন’ থেকে আয় আসবে বলে দাবী করা হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হ’ল অধিক মুনাফা লাভের আশায় এ ধরনের কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা যাবে কি? বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্ন (৩৯/১৯৯) : ছালাতের মধ্যে বায়ুর চাপ আসলে তা আটকে রেখে ছালাত অব্যাহত রাখা যাবে কি?
আরও
আরও
.