উত্তর : কসম ভঙ্গের কাফফারা একবার দিলেই যথেষ্ট হবে (মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক হা/১৬০৬১; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিইয়া ৩৫/৪৮-৪৮)। তবে কসম ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে হ’লে প্রত্যেক কসমের জন্য আলাদা আলাদা কাফফারা দিতে হবে বলে একদল বিদ্বান মত প্রকাশ করেছেন। যদিও প্রথম মতটিই অধিকতর গ্রহণযোগ্য (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৯/৫১৫)। আর কসমের কাফ্ফারা হ’ল ১০ জন মিসকীনকে মধ্যম মানের খাদ্য বা পোষাক প্রদান করা অথবা একজন দাস বা দাসীকে মুক্ত করা অথবা তিনদিন ছিয়াম পালন করা (মায়েদাহ ৫/৮৯)। উল্লেখ্য যে, কসমকে নিয়ে খেল-তামাশা করা যাবে না। বরং কসম থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করতে হবে (মায়েদাহ ৫/৮৯)।

প্রশ্নকারী : রুবেল*, জয়পুরহাট।

[* আরবীতে ইসলামী নাম রাখুন (স. স.)]







প্রশ্ন (২/১২২) : আমি রফতানী প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (বেপজা) -এ চাকুরী করি। এখানে সব কাজ ঠিকাদারের মাধ্যমে করানো হয়। কাজ দেওয়ার সময় ঠিকাদার আমাকে প্রতিদান স্বরূপ কিছু হাদিয়া দিতে চায়। এটা গ্রহণ করা যাবে কি? - -আমীনুল ইসলাম, বেপজা, ঢাকা।
প্রশ্ন (৬/৬) : আমি একটি মেয়ের সাথে তাকে বিবাহ করব বলে ওয়াদাবদ্ধ হই। কিন্তু আমার পিতা-মাতা এতে রাযী হচ্ছেন না। এক্ষণে আমি উক্ত ওয়াদা রক্ষা করব, নাকি পিতা-মাতার নির্দেশ শুনব? - -মাহবূব, মান্দা, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৩৫/৩৫) : আক্দ হয়েছে মিলন হয়নি এমন স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তার মাকে বিবাহ করা যাবে কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকনীলফামারী।
প্রশ্ন (২৬/৩০৬) : অসৎ সঙ্গী ও অসৎ প্রতিবেশী থেকে আশ্রয়ের দো‘আ জানতে চাই। - -আমীর হামযা, জামতৈল, সিরাজগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৮/২৩৮) : এক মা তার ২ বছরের দুধের শিশুর খাদ্যের অবশিষ্টাংশ নিজে না খেয়ে অন্য কাউকে খেতে দেয়। জিজ্ঞেস করা হ’লে সে বলে যে শিশু দুধ না ছাড়া পর্যন্ত নাকি তার খাদ্যের অবশিষ্টাংশ মা খেতে পারবে না এবং এ ব্যাপারে নিষেধ আছে। এ কথা কি সঠিক? - -জাবির হোসেন, মুর্শিদাবাদ, ভারত।
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : মসজিদের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় মসজিদ স্থানান্তর করা হয়েছে। এখন পুরাতন মসজিদের জায়গা বিক্রি করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/৪৫৯) : সূরা নাজম-এর ৩২ নং আয়াতে اَلْلَّمَمَ বলে কোন ধরনের অপরাধকে বুঝানো হয়েছে।
প্রশ্ন (২৬/৬৬) : কোন পরিবারের কেউ বিদেশে মারা গেলে দেশে তার পরিবারকে তিনদিন বাড়িতে রান্না করা থেকে বিরত থাকতে হবে কি?
প্রশ্ন (১/২০১) : আমরা শুনেছি যে, পবিত্র কুরআনে নাকি নারী-পুরুষ আল্লাহর নিকট সমান এ কথা বলা হয়েছে। অপরদিকে হাদীছে পিতার চেয়ে মাতার অধিকার বেশী বলা হয়েছে। কিন্তু আক্বীক্বার ক্ষেত্রে দেখা যায় তার উল্টো। অর্থাৎ ছেলের জন্য ২টি আক্বীক্বা, আর মেয়ের জন্য ১টি। এখানে কার অধিকারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হ’ল?
প্রশ্ন (২৫/৩৪৫) : অমুসলিম রাষ্ট্রে বসবাসকারী একদল মুসলিম কোন খোলা স্থানে নিয়মিত জুম‘আ বা ঈদের ছালাত আদায় করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (২০/৬০) : জনৈক ব্যক্তি বাক্বী‘ গোরস্থান থেকে পাথর এনে নেকীর আশায় মসজিদের দেয়ালে স্থাপন করেছে। উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/১৫৮): জনৈক ব্যক্তির ছয় বোন এবং ৩ ভাই। ছোট ছেলের চাকুরীর জন্য তার মা জমি বিক্রয় করে তাকে টাকা দিচ্ছে। উক্ত টাকা দেয়া তার জন্য বৈধ হবে কি?
আরও
আরও
.