উত্তর : কেবল অপবিত্র স্থানটুকু পরিষ্কার করলেই যথেষ্ট হবে। পুরো পোশাক বা পুরো বিছানা ধোয়ার কোন প্রয়োজন নেই। একবার এক ব্যক্তি আয়েশা (রাঃ)-এর মেহমান হ’ল। অতঃপর সকালে সে তার কাপড় ধুতে লাগল। তখন আয়েশা (রাঃ) বললেন, তুমি যদি (কাপড়ে) তা (বীর্য) দেখতে পাও, তবে তোমার জন্য শুধু সে জায়গাটা ধুয়ে ফেলাই যথেষ্ট হবে। আর যদি তা না দেখ, তবে তার আশেপাশে পানি ছিটিয়ে দিবে। আমি রাসূল (ছাঃ)-এর কাপড় থেকে তা নখ দিয়ে ভাল করে খুঁচে ফেলতাম। অতঃপর তিনি তা পরে ছালাত আদায় করতেন (মুসলিম হা/২৮৮, আবুদাঊদ হা/৩৭১)






প্রশ্ন (১৩/৩৭৩) : ১৪ বা ২১শে ফেব্রুয়ারী বিভিন্ন দিবস পালন করা হয়। আমি এই দিনগুলো পালন না করলেও এই দিনে ফুল বিক্রয় করি। এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩২/৪৩২) : বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তির লাশ চুরি হয়ে যাওয়ার ভয়ে সম্পূর্ণ কবর পাকা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৪৬৪) : প্রথম আলো ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ইং সংখ্যায় দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-এর অধ্যাপক আবুল মনিম খান এক নিবন্ধে বলেন, যে ব্যক্তির কাছে ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় জীবিকা নির্বাহের অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ ব্যতীত সাড়ে সাত তোলা সোনা অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা সমমূল্যের অন্য কোন সম্পদ থাকে তার উপর ছাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। এই পরিমাণ সম্পদকে শরীয়তের পরিভাষায় নিছাব বলা হয়। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের উপর ছাদাকাতুল ফিৎর আদায় করা ওয়াজিব। উক্ত দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৭/২৩৭) : জনৈক মৃত ব্যক্তির পরিবার তার রেখে যাওয়া ইসলামী ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ দিয়ে অতিকষ্টে জীবনযাপন করে। তারা নিজেরাই যাকাত পাওয়ার হকদার। এক্ষণে তাদের ডিপোজিটকৃত মূল টাকা থেকে যাকাত বের করতে হবে কি? - -সেতাউর রহমান, ইয়াম্বু, সঊদী আরব।
প্রশ্ন (২০/৪২০) : মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানী করা যাবে কি? - -আতীকুল ইসলাম, নওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩১/৩১): ইমাম শেষ বৈঠকে থাকা অবস্থায় জামা‘আতে শরীক হ’লে জামা‘আতের নেকী পাওয়া যাবে কি? নাকি এসময় কয়েকজন মাসবূক থাকলে পৃথক জামা‘আত করাই উত্তম হবে?
প্রশ্ন (১০/২১০) : আমার স্বামী শারীরিকভাবে অক্ষম। মান-সম্মানের ভয়ে এভাবেই ১২ বছর একসাথে আছি। বর্তমানে ঋণগ্রস্ত হওয়ায় তিনি পাওনাদারদের আমাকে ও আমার পিতৃ পরিবারকে দেখিয়ে দেয়। এমতাবস্থায় আমি তালাক চাইলে তিনি তালাকও দিচ্ছেন না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৪০/২৪০) : ঢাকার একটি জাতীয় দৈনিকের উপসম্পাদকীয় নিবন্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনৈক অধ্যাপক মীলাদুন্নবীর উপর লিখতে গিয়ে সূরা আহযাব ৫৬ আয়াতের বরাতে নবীর উপর দরূদ পাঠকে ঐরূপ ফরয বলেছেন যেরূপ ছালাত ও যাকাত ফরয। (২) অনুরূপভাবে তিনি বলেছেন, মি‘রাজের রাতে সিদরাতুল মুনতাহার উপরে যেতে জিব্রীল অপারগতা প্রকাশ করেন। কারণ ওটা ছিল নূরের জগত। তাই নূরুম মিন নূরিল্লাহ হিসাবে রাসূল একাই রফরফ যোগে সেখানে যান। অতঃপর তিনি আল্লাহর সান্নিধ্যে গিয়ে জাগতিক সময়ের হিসাবে ২৭ বছর কাল যাবৎ বাক্যালাপ করেন। কথাগুলি কি ঠিক?
প্রশ্ন (৩২/২৩২) : দৃষ্টির হেফাযত করা এক হাযার নফল ছালাতের চেয়ে উত্তম। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৩/১৯৩) : নিয়মিতভাবে বিতর ছালাত আদায় না করলে সে কি কবীরা গুনাহগার হিসাবে গণ্য হবে? - -আবু যাহরাহ, চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন (৩৩/৩৩) : মাজমাউয যাওয়ায়েদ, কানযুল উম্মাল ও মুসনাদে বায্যার গ্রন্থ তিনটির লেখক ও কিতাব সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই। - -শু‘আইব, হরতকিতলা, নীলফামারী।
প্রশ্ন (৩২/২৩২) : ‘আপনি নিজেকে তাদের সংসর্গে ধরে রাখুন, যারা সকাল ও সন্ধ্যায় তাদের পালনকর্তাকে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে আহবান করে এবং আপনি পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য কামনা করে তাদের থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিবেন না’ (কাহফ ২৮)। এই আয়াতের ভিত্তিতে সৎ ও তাক্বওয়াশীল পাত্র-পাত্রী ছাড়া বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে কি?
আরও
আরও
.