উত্তর : কুরবানী করা গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নাত এবং ইসলামের প্রকাশ্য শে‘আর। সেজন্য কারো সামর্থ্য থাকলে সফরেও কুরবানী করা মুস্তাহাব (নববী, আল-মাজমূ‘ ৮/৪২৬)। ছাওবান (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তার কুরবানীর পশু যবহ করলেন। তারপর বললেন, হে ছাওবান! এর গোশত উত্তমভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করো। তারপর থেকে তিনি মদীনায় আগমন করা পর্যন্ত আমি তাকে উক্ত গোশত হ’তে খাওয়াতে থাকি (মুসলিম হা/১৯৭৫)

প্রশ্নকারী : আল-আমীন, ভূগরইল, রাজশাহী।








বিষয়সমূহ: কুরবানী
প্রশ্ন (১৫/৪১৫) : গোসল করার পর ওযূ করার কোন প্রয়োজনীতা আছে কি?
প্রশ্ন (২৬/৩৪৬) : জনৈকা মহিলা ঋতু থেকে পবিত্র হওয়ার আগেই স্বামীর সাথে সহবাস করে। এমতাবস্থায় করণীয় কি?
প্রশ্ন (৬/১৬৬) : আমার নিকট থেকে প্রায়ই বিভিন্ন জিনিস চুরি হয়ে যায়। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য কোন আমল বা দো‘আ আছে কি?
প্রশ্ন (২৭/৩৪৭) : টাকার যাকাত নির্ধারিত হবে কিভাবে? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৮/২১৮) : ছালাতে উভয় তাশাহহুদেই কি আঙ্গুল নাড়াতে হবে? - তোফাযযল হোসাইন ইসলামপুর, জামালপুর।
প্রশ্ন (১০/৪৫০) : ১০. একজন ভাই কয়েক মাস পূর্বে তার চাকুরী হারিয়েছে। একদিন সে আমার কাছে এসে বলল যে, সে খুবই অর্থনৈতিক দুর্দশায় আছে। ইতিপূর্বে সে সচ্ছল জীবন যাপন করত। আমি তার দুরবস্থা দেখে আমার যাকাত ফান্ড থেকে ত্রিশ হাযার টাকা প্রদান করি। প্রশ্ন হ’ল এই দানটি যাকাত হিসাবে গণ্য করা যাবে কি? - -জাহিদ, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
প্রশ্ন (১২/১৩২) : সূদী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, সকল ব্যাংকই যদি সূদযুক্ত হয়, তাহলে টাকা রাখার ব্যাপারে আমাদের জন্য করণীয় কি?
প্রশ্ন (৪০/২৪০) : অনেক আলেমকে দেখা যায়, সাদা দাড়িতে কলপ দিয়ে কালো করে এবং দাড়ি কেটে ছোট করে। শরী‘আতে এর অনুমোদন আছে কি?
প্রশ্ন (১৭/৩৭৭) : বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, বিবাহের মোহরানা বাকী রাখা হচ্ছে। অথচ সেই বিবাহে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হচ্ছে এবং অমুসলিমদের মত ঢাক-ঢোল পিটিয়ে গান-বাজনা করে প্রচুর অর্থ অপচয় করা হচ্ছে । এর হুকুম কী?
প্রশ্ন (৩১/৪৭১) : তাবলীগ জামাতের লোকেরা বলে, জীবনে অন্তত তিন চিল্লা দিতে হবে। এ সময় আহল-পরিবার ছেড়ে যেতে হয়। এভাবে চিল্লা দেয়া কি জায়েয?
প্রশ্ন (২৮/৩৪৮) : দীর্ঘ বিবাহিত জীবনে স্বামীর সমস্যার কারণে সন্তান হচ্ছে না। এমতাবস্থায় স্বামীর নিকট থেকে তালাক নিয়ে অন্যত্র বিবাহ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
আরও
আরও
.