উত্তর : চুল বিক্রয়যোগ্য বস্ত্ত নয়। কারণ চুল দেহেরই একটি অংশ। আল্লাহ বলেন, ‘আমরা আদম সন্তানকে উচ্চ মর্যাদা দান করেছি’ (ইসরা ১৭/৭০)। তাই এটি জায়েয হবে না যে, এভাবে মানব দেহের কোন অংশ অপদস্থ ও অপমানিত হৌক’ (আল-ইনাইয়া শারহুল হেদায়া ৬/৪২৫; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ২৬/১০২)। ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, যা মানব দেহের যে অংশ লেগে থাকা অবস্থায় বিক্রয় নিষিদ্ধ, তা বিচ্ছিন্ন অবস্থাতেও নিষিদ্ধ; যেমন মানুষের চুল’ (আল-মাজমূ‘ ৯/২৫৪)। ইমাম মালেক (রহঃ)-কে মানুষের মুন্ডন করা চুল বিক্রয়ের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হ’লে তিনি বিষয়টিকে চরম অপসন্দ করেন (ইবনু আব্দিল বার্র, আল-কাফী ফী ফিক্বহি আহলিল মাদীনাহ ২/৬৭৬)।

-সাঈদুর রহমান, বেলতৈল, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ।






প্রশ্ন (২২/৪২২) : বিলকিস বেগম নামে এক লেখিকা দাবী করেছেন, আদম (আঃ)-এর পূর্বেও পৃথিবীতে মানুষ ছিল। এছাড়া তিনি আরো অনেক নতুন নতুন তথ্য আবিষ্কার করেছেন (কালের কণ্ঠ ২০ মে ২০১১ পৃঃ ১৭)। এর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৩/২৭৩) : অফিসে, ফ্যাক্টরিতে বা মার্কেটে ছালাতের জন্য নির্দিষ্ট ঘর থাকে। সেখানে প্রবেশের জন্য মসজিদে প্রবেশের সময় যে দো‘আ বা তাহিইয়াতুল মসজিদ পড়তে হবে কি?
প্রশ্ন (৩১/৩১১) : বিবাহ সম্পাদনের সময় পবিত্র অবস্থায় থাকার কোন শর্ত আছে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩৯৮) : মসজিদে রক্তদান কর্মসূচী পালন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৩৯৬) : জেনে বা না জেনে চুরি করা বস্ত্ত ক্রয় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৮/২৮) : রাসূল (ছাঃ) জিন জাতির মাঝে দ্বীন প্রচার করেছিলেন কি? - -মানিক হোসাইন, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৯/৮৯) : জন্মগতভাবে শিং বা কান না থাকলে উক্ত পশু কুরবানী করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৪৬৪) : প্রথম আলো ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ইং সংখ্যায় দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-এর অধ্যাপক আবুল মনিম খান এক নিবন্ধে বলেন, যে ব্যক্তির কাছে ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় জীবিকা নির্বাহের অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ ব্যতীত সাড়ে সাত তোলা সোনা অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা সমমূল্যের অন্য কোন সম্পদ থাকে তার উপর ছাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। এই পরিমাণ সম্পদকে শরীয়তের পরিভাষায় নিছাব বলা হয়। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের উপর ছাদাকাতুল ফিৎর আদায় করা ওয়াজিব। উক্ত দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (১/৪০১) : বিপদের সময় দো‘আ ইউনুস পড়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১০/১০): বিতর ছালাতের পরে ‘সুবহানাল মালিকিল কুদ্দূস’ বলা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/১৫৯) : আদম (আঃ) আরশের পায়ায় লেখা কালেমা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ দেখে বলেন, আল্লাহ তুমি আমাকে ‘মুহাম্মাদ’ নামের অসীলায় মাফ করে দাও, তখন আল্লাহ তাকে মাফ করেন। একথার কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩৫৮) : নববী যুগে ইসলামের হদ, তা‘যীর প্রভৃতি বিধান অনুযায়ী অমুসলিমদের বিচার করা হ’ত কি? - -আবুবকর ছিদ্দীক, বগুড়া।
আরও
আরও
.