উত্তর : ঈমান ভঙ্গের কারণগুলোর মধ্যে কোনটি মারাত্মক পর্যায়ের যা ইসলাম থেকে খারিজ করে দেয়, আবার কোনটি কবীরা গুনাহ। আক্বীদাগত কোন বিষয় অস্বীকার করলে সে কাফের হয়ে যাবে এবং তাকে কাফের বলা যাবে। যেমন আল্লাহর সাথে প্রকাশ্যে শিরক করা, প্রকাশ্যে কোন ফরয বিধানকে অস্বীকার করা, হারামকে হালাল মনে করা ইত্যাদি। অনুরূপভাবে আল্লাহ, রাসূল বা দ্বীনকে গালি দেওয়া- যা ইসলাম থেকে বের করে দেয়। আর যদি কারণটি আমলগত হয় তাহ’লে তাকে কাফের বলা যাবে না বরং কবীরা গুনাহগার বলতে হবে। যেমন জাদু করা, আমলগত শিরক করা, মুসলিমদের বিরুদ্ধে কাফিরদের সহযোগিতা করা ইত্যাদি (দ্র. ইবনুল উছায়মীন, আল-ক্বওলুল মুফীদ আলা কিতাবিত তাওহীদ)

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ আল-মামূন, নাচোল, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।








বিষয়সমূহ: ঈমান-আক্বীদা
প্রশ্ন (১২/৩৩২) দাঁড়িয়ে পানি পান করলে শয়তানের পেশাব পান করা হয়। একথার কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৬/১৯৬) : দাড়ি শেভ করা ব্যক্তির ছালাত কবুল হবে কি?
প্রশ্ন (২২/২২) : কুরবানীর গোশত তিন ভাগ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩২/৪৩২) : পুরাতন মসজিদ ভেঙ্গে বহুতল ভবন তৈরী করে সেখানে মসজিদ, বইয়ের মার্কেট, গাড়ির গ্যারেজ, গবেষণাগার, মাদ্রাসা ইত্যাদি করতে চাই। এটা শরী‘আত সম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (১৫/৩৩৫) : গর্ভবতী পশু দ্বারা কুরবানী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৭/৮৭) : মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর সংগঠনের নাম কি ছিল? সে সংগঠন বাংলাদেশে আছে কি? থাকলে তার নাম কি? না থাকলে কোন সংগঠনে যোগ দিতে হবে।
প্রশ্ন (৩৫/১৯৫) : সমকামিতা কোন পর্যায়ভুক্ত পাপ? এর শাস্তি কি যেনার শাস্তির অনুরূপ? - -আব্দুল হালীমবীরগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৩/৪০৩): লায়লাতুল ক্বদরের লক্ষণ কি কি? ছহীহ হাদীছের আলোকে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৯/১৩৯): আমাদের আশেপাশে অনেক পীর-ফকীর আছে, যারা মানুষকে ঝাড়-ফুঁক করে থাকে এবং তাতে অনেক মানুষই আরোগ্য লাভ করে। ফলে মানুষ তাদের ক্ষমতার উপর আস্থা রাখে। যদি তাদের কোন ক্ষমতা না থাকে তাহলে কিভাবে আরোগ্য লাভ করছে? এদের থেকে মানুষকে বাঁচানোর পথ কি?
প্রশ্ন (৯/৪৯) : স্ত্রী কি স্বামীর নাম ধরে ডাকতে পারবে?
প্রশ্ন (৬/২৮৬) : জামাতা শ্বশুর বাড়িতে কতদিন পর্যন্ত থাকতে পারবে? তিন দিনের বেশী অবস্থান করা কি হারাম?
প্রশ্ন (২১/১৪১) : তাফসীর মা‘আরেফুল কুরআন নামক তাফসীরটি কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে প্রণীত কি?
আরও
আরও
.