উত্তর : ঈদের ছালাতের পূর্বে গযল গাওয়া বা বক্তব্য দেয়া যাবে না। কারণ এটা শরী‘আতে নতুন কাজ, যা পরিত্যাজ্য (মুসলিম হা/২০৮৬; মিশকাত হা/১৪০)। ঈদের মাঠে এসে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সর্বপ্রথম ছালাত আদায় করতেন। তারপর ছাহাবীগণের মুখোমুখী হয়ে খুৎবা দিতেন (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৪২৬)। ঈদের দিন সুন্নাত হ’ল, তাকবীর পাঠ করা। রাসূল (ছাঃ) উচ্চৈঃস্বরে তাকবীর দিতে দিতে ঘর হ’তে ঈদগাহ অভিমুখে রওয়ানা দিতেন (বায়হাক্বী, ইরওয়াউল গালীল হা/৬৫০, ৩/১২৩ পৃঃ)। তাবেঈ বিদ্বান ইবনু শিহাব যুহরী বলেন, লোকেরা ঈদের দিন সকালে তাকবীর ধ্বনি করতে করতে ঈদগাহে আসত। অতঃপর ইমাম এলে তাকবীর বন্ধ করত। এ সময় ইমামের সাথে তারাও তাকবীর দিত (মুছান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ, ইরওয়া ৩/১২১ পৃঃ; দারাকুৎনী হা/১৬৯৬, ১৭০০)






প্রশ্ন (১/৮১): আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই (রূম ৩০)। কিন্তু আমাদের এলাকায় একজন মহিলা পুরুষে রূপান্তরিত হয়েছে। এটা কি ধরনের পরিবর্তন?
প্রশ্ন (২০/১৪০) : বিদ‘আতে জড়িয়ে পড়লে কি অতীতের আমল সমূহ বিনষ্ট হবে? নাকি ভবিষ্যতের আমল বিনষ্ট হবে? নাকি কেবল বিদ‘আতযুক্ত আমলটুকু বিনষ্ট হবে?
প্রশ্ন (৩০/৩৯০) : যুবক-যুবতী গোপনে বিবাহ করে গোপনেই তিন তালাক দিয়েছে। এক্ষণে তাদের বিবাহ বা তালাক গ্রহণযোগ্য হবে কি? যদি না হয় সেক্ষেত্রে তারা অলির অনুমতি সাপেক্ষে নতুনভাবে বিবাহ করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩১৯) : মাদরাসা বোর্ডের বইয়ে লেখা হয়েছে, ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) ইমাম আওযাঈর কাছে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ছালাতে রাফউল ইয়াদায়েন করেননি। উক্ত হাদীছকে ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) ছহীহ মনে করতেন। এর সত্যতা সম্পর্কে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৩/২৩৩) : আমাদের দেশের অনেক মেয়েদের বিভিন্ন মিডিয়ায় ও বিলবোর্ডে বিজ্ঞাপনের মডেল বা অভিনেত্রী হিসাবে অংশ নিতে দেখা যায়। এদের কেউ কেউ নিয়মিত ছালাত, ছিয়াম আদায় করে থাকে। শারঈ দৃষ্টিতে এর পরিণতি কি হতে পারে? উল্লেখ্য যে, এসব মেয়েদের অভিভাবকরা এটাকে সাদরে মেনে নিয়েছেন এবং এজন্য তারা গর্ব অনুভব করেন।
প্রশ্ন (২/৪২) : পিতা স্বীয় জীবদ্দশায় একমাত্র মেয়েকে নিজের সমুদয় সম্পত্তি লিখে দিতে পারবেন কি?
প্রশ্ন (২৪/৬৪) : স্মরণ করানো বা সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য দেয়াল ঘড়ি সহ বিভিন্ন শোপিসে কুরআনের আয়াত ক্যালিগ্রাফি করে বা সাধারণভাবে লিখে টাঙিয়ে রাখা যাবে কি? এসব পণ্যের ব্যবসা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২২/২২) : সূরা বাক্বারার ৬২ ও মায়েদার ৬৯ আয়াত অনুযায়ী বুঝা যায় যে, ইহূদী, নাছারা ও অগ্নিপূজকেরাও কেবল আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করলে এবং সৎকর্ম করলে জান্নাতে চলে যাবে। হাদীছ অস্বীকারকারীরা এর দ্বারা বলতে চায় যে, তারাও জান্নাতে যাবে। এর সঠিক ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৯/৩৯) : অপবিত্র অবস্থায় আযান দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২৯/২৬৯) : আবুবকর (রাঃ)-এর ছেলে মুহাম্মাদ কি ওছমান (রাঃ)-কে হত্যায় জড়িত ছিলেন?
প্রশ্ন (৩০/৭০) : মহিলাদের জন্য পৃথক মসজিদ নির্মাণ করতে শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৩০/১১০) : মৃত পিতা-মাতার মাগফেরাতের জন্য কী কী আমল করা যেতে পারে?
আরও
আরও
.