উত্তর : প্রথমতঃ সূদের উপর ঋণ নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করা জায়েয নয়। কারণ সূদ সর্বাবস্থায় হারাম এবং সবচেয়ে বড় কবীরা গুণাহসমূহের অন্তর্ভুক্ত (বাক্বারাহ ২/২৭৫৮)। অতএব উক্ত ব্যক্তিকে অবিলম্বে খালেছ তওবা করতে হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব ঋণ পরিশোধ করতে হবে। দ্বিতীয়তঃ উক্ত ঋণ দ্বারা নির্মিত বাড়ীর মালিকানা লাভ করা বা ভাড়া ভোগ করা নাজায়েয হবে না। কেননা সূদ অবৈধ হ’লেও ঋণ বৈধ। তাছাড়া ঋণদাতা সূদ নিয়ে থাকে, ঋণ গ্রহীতা নয়। অতএব তিনি উক্ত গৃহে বসবাস ও প্রাপ্ত অর্থ ভোগ করতে পারবেন (ফাতাওয়া আশ-শাবকাতুল ইসলামিয়াহ ১২/৬৯২৩; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৩/৪১১)। সর্বোপরি এই সূদী লেনদেনের জন্য গ্রহীতাকে অবশ্যই অনুতপ্ত হৃদয়ে তওবা করতে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, পাপ থেকে তওবাকারী ব্যক্তি পাপমুক্ত ব্যক্তির ন্যায়’ (ইবনু মাজাহ হা/৪২৫০; মিশকাত হা/২৩৬৩)






প্রশ্ন (৫/৫) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কি স্বামী-স্ত্রীকে এক সাথে ফরয গোসল করার নির্দেশ দিয়েছেন?
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : জনৈক লেখক দাবী করেছেন, ইমাম আবু হানীফার জন্ম ৮০ হিজরীতে আর মৃত্যু ১৫০ হিজরীতে। ইমাম বুখারীর জন্ম ১৯৪ হিজরীতে আর মৃত্যু ২৫৬ হিজরীতে। সুতরাং আবু হানীফার কথা বাদ দিয়ে ইমাম বুখারীর সংগৃহীত হাদীছ গ্রহণ করা যাবে না। কারণ ইমাম বুখারীর চেয়ে ইমাম আবু হানীফা অনেক পূর্ববর্তী। উক্ত দাবীর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২০/৪৬০) : বাল্য অবস্থায় যারা মারা যায় তারা জান্নাতে যাবে, না জাহান্নামে যাবে?
প্রশ্ন (১১/৪১১) : বিতরের কুনূত একাকী পড়ার সময় বাংলায় বা আরবীতে অতিরিক্ত দো‘আ পাঠ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৮/১৭৮) : নেয়ামুল কুরআনের ২৭-৩৮ পৃষ্ঠা পর্যন্ত বিভিন্ন দরূদ লেখা আছে। যেমন- দরূদে তাজ, দরূদে মাহী, দরূদে ফতুহাত প্রভৃতি। এই দরূদ কি ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত?
প্রশ্ন (৩৮/৭৮): আমরা জানি, ইউসুফ (আঃ) একজন অমুসলিম শাসকের অধীনে অর্থ বিভাগের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। যেখানে সূদী কারবার এবং অমুসলিম কালচার থাকা স্বাভাবিক। এ দৃষ্টিকোণ থেকে সূদী ব্যাংক বা এনজিওতে চাকরী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৫/২৮৫) : সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার অবশ্য পালনীয় দায়িত্ব কি কি?
প্রশ্ন (২৬/৬৬) : আমার বন্ধু বিবাহের সময় কবরপুজার শিরকে পুরোপুরি লিপ্ত ছিল। অন্যদিকে তার স্ত্রী বিশুদ্ধ আক্বীদাসম্পন্ন ছিল। পরবর্তী সে শিরকী কার্যক্রম থেকে ফিরে আসে। বিবাহের সময় ভ্রষ্ট আক্বীদাসম্পন্ন হওয়ায় এখন পুনরায় বিবাহ পড়াতে হবে কি? - -যিয়াউর রহমান, মহাখালী, ঢাকা।
প্রশ্ন (২১/১০১) : সূদখোর মুসলিম ব্যক্তিকে সালাম দেয়া যাবে কি? জায়েয হ’লেও দেয়া উচিত কি-না?
প্রশ্ন (২৯/১০৯) : মসজিদে ছালাতের পর অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কৌটা ছাড়া হয়। এটা জায়েয কি? নববী যুগে মসজিদে এরূপ প্রথা চালু ছিল কি?
প্রশ্ন (১৫/২৫৫) : আমার মেয়ের সাথে প্রতারণা করে জনৈক ছেলে কোর্টের মাধ্যমে বিবাহ করে। কোন টাকা প্রদান না করেই নির্ধারিত পাঁচ লক্ষ টাকা মোহরানার মধ্যে নগদ আড়াই লক্ষ টাকা মোহর উল্লেখ করে বিবাহ রেজিষ্ট্রি করে। ছেলে দ্বীন-ধর্ম পালন করে না। পরবর্তীতে আমি পিতা হিসাবে সামাজিক কারণে বিবাহ মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু এখন মেয়ে তার সাথে সংসার করতে চায় না। আমার মেয়ে ক্বাযী অফিসের মাধ্যমে ‘খোলা’ প্রেরণ করেছে এবং ছেলে সেই কপি হাতেও পেয়েছে। কিন্তু সে বারবার বলে পাঠাচ্ছে এই তালাক হবে না। প্রশ্ন হ’ল এই ‘খোলা’ কার্যকর হয়েছে কি?
প্রশ্ন (৩৭/২৩৭) : অলীর অনুমতি বা উপস্থিতি ছাড়াই ছেলে মেয়ে কোর্ট ম্যারেজ করে। কিন্তু পরে তাদের মধ্যে কোন যোগাযোগ ছিল না। কোন শারীরিক সম্পর্কও হয়নি। ৪-৫ বছর পর মেয়ের পিতা শারঈ বিধান মেনে উক্ত মেয়েকে বিবাহ দিয়েছে। পরবর্তী বিবাহ বৈধ হয়েছে কি?
আরও
আরও
.