উত্তর : এমতাবস্থায় যদি দৃঢ় বিশ্বাস থাকে যে, ছালাতরত অবস্থাতেই মযী বের হয়েছে, তাহ’লে তাকে কাপড় ও শরীর উভয় স্থান থেকে মযী ধৌত করার পর ওযূ করে পুনরায় ছালাত আদায় করতে হবে। আর যদি কেবল সন্দেহ হয়, তবে পুনরায় ছালাত আদায় করতে হবে না। কারণ সন্দেহের দ্বারা পবিত্রতা নষ্ট হয় না (বুখারী হা/১৩৭, মুসলিম হা/৩৬২, মিশকাত হা/৩০৬)

আর এটা রোগে পরিণত হ’লে মযী বের হলেও ছালাত পরিত্যাগ করার প্রয়োজন নেই। সেক্ষেত্রে প্রত্যেক ছালাতের জন্য পৃথকভাবে ওযূ করতে হবে (বুখারী হা/২২৮, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৫৫৮; ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/৬৮ পৃঃ)। কারণ আল্লাহপাক মানুষের উপর সাধ্যের অতিরিক্ত কিছু চাপিয়ে দেননি (বাক্বারাহ ২৮৬)

-তাওছীফ আহমাদ, মুর্শিদাবাদ, ভারত।







প্রশ্ন (২৩/৬৩) : জনৈক বক্তা বলেন, সূরা বাক্বারায় এমন একটি আয়াত আছে যা লিখে ঘুমন্ত স্ত্রীর বুকের উপর দিলে তার জীবনের অপসন্দ কর্মগুলো সব বলে দিবে। আয়াতটি কত নম্বর?
প্রশ্ন (৯/১২৯) : কুকুরে কামড়ানো প্রাণী বেঁচে থাকলে যবেহ করে খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৬/৪৬) : মুক্বীম অবস্থায় কোন কারণ ছাড়াই ছালাত জমা করায় বাধা আছে কি? - -আব্দুল কাদের, মান্দা, নওগাঁ।
প্রশ্ন (২০/১৪০) : বিদ‘আতে জড়িয়ে পড়লে কি অতীতের আমল সমূহ বিনষ্ট হবে? নাকি ভবিষ্যতের আমল বিনষ্ট হবে? নাকি কেবল বিদ‘আতযুক্ত আমলটুকু বিনষ্ট হবে?
প্রশ্ন (২৮/২৬৮) : সূরা তওবা ১১ ও ৮৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যা জানতে চাই। - রফীকুল ইসলাম, ভালুকা, ময়মনসিংহ।
প্রশ্ন (২৫/৩৪৫) : অমুসলিমরা মাথার সিঁথি বাম দিকে উঠায়। মুসলিমরাও কি একই দিক থেকে উঠাতে পারবে? না তাদেরকে ডান দিকে উঠাতে হবে? আর বাম দিকে উঠালে গোনাহগার হ’তে হবে কি?
প্রশ্ন (৮/২৮৮) : মসজিদে প্রবেশ করার সময় ডান পা আগে ও বের হওয়ার সময় বাম পা আগে দিতে হবে মর্মে কোন ছহীহ দলীল আছে কি?
প্রশ্ন (৩৫/২৭৫) : ফজর ছালাতের পর সূরা হাশরের শেষ আয়াত পাঠ করা যাবে কি? - -রূহুল আযম, কুমারখালী, কুষ্টিয়া।
প্রশ্ন (১৪/২১৪) : সকালে সূরা ইয়াসীন এবং সন্ধ্যায় সূরা ওয়াক্বি‘আহ পাঠ করলে সচ্ছলতা আসে কথাটি সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (১২/১৩২) : কোন মুসলিম অপর কোন মুসলিমের সাথে তিন দিনের বেশী সম্পর্ক ছেদ করতে পারে কি? কারো অনিষ্ট থেকে বাঁচার জন্য তাকে এড়িয়ে চললে কি তা উক্ত বিধানের অন্তর্ভুক্ত হবে?
প্রশ্ন (৩৩/৪৭৩) : আমার স্বামী তার বাবা-মা থেকে আলাদা হয়ে আমার ও দুই সন্তানের সাথে ভাড়া বাসায় থাকেন। মাঝে মাঝে শ্বশুর-শাশুড়ি একসাথে থাকার জন্য কান্নাকাটি করেন। আমার স্বামীও তাদের প্রতি দুর্বলতা দেখিয়ে একসাথে থাকার কথা বলেন, যদিও আমার এতে মানসিক অশান্তি হয়। আমি যদি তাদের সাথে না থাকতে চাই, এতে আমার গোনাহ হবে কি?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
আরও
আরও
.