উত্তর :  এসব ব্যক্তিকেও ফরয ইবাদতসহ অন্যান্য ইবাদত করতে হবে। কারণ তার ইবাদতই হয়ত তাকে একসময় পাপ থেকে ফিরিয়ে আনবে। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকট এসে বলল, অমুক ব্যক্তি রাতে ছালাত আদায় করে, কিন্তু ভোরে উঠে সে চুরি করে? রাসূল (ছাঃ) বললেন, শীঘ্রই ছালাত তাকে তা হ’তে নিবৃত্ত রাখবে (আহমাদ হা/৯৭৭৭; মিশকাত হা/১২৩৭; ছহীহাহ হা/৩৪৮২; ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ৩৫ পৃ.)।






প্রশ্ন (১৬/১৭৬) : জনৈক বক্তা বলেন, মুসলিম উম্মাহর আমলগুলো প্রতিদিন রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট উপস্থাপন করা হয়- একথা কি ঠিক? - -ফরীদ হোসাইনদামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা।
প্রশ্ন (৩২/১৯২) : জুম‘আর ছালাতের পূর্বের সুন্নাত কোন কারণে বাদ গেলে ছালাতের পর তার ক্বাযা আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৭/৯৭) : সুস্থ অবস্থায় নফল ছালাত বসে আদায় করলে ছালাত কবুল হবে কি?
প্রশ্ন (১৭/৩৩৭) : বিভিন্ন বিদ‘আতী দিবস উপলক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় সেগুলিতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/৩৯৭) : ইমাম সালাম ফিরানোর পর মুক্তাদীদের দিকে ঘুরার সময় কোন দিকে দিয়ে ঘুরবে? - -কাওছার মল্লিক, পলাশপোল, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : কোয়ান্টাম মেথডের কার্যক্রম নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে অনেক যুক্তি দেখতে পাই। এতে অনেকে বিভ্রান্ত হচ্ছে। এ সম্পর্কে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩২/১৫২): কতক্ষণ পর্যন্ত মুসলিম শাসকের আনুগত্য করতে হবে? কখন তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে? শাসক লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ছালাত আদায় করে তাহ’লে কি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা যাবে?
প্রশ্ন (৮/১৬৮) : যোহরের ছালাতে তাহিইয়াতুল মাসজিদ না যোহরের সুন্নাত আদায় করতে হবে? সময় পেলে উভয়টি আদায় করা যাবে কি? - -মুহাম্মাদ, নবীনগর, বি-বাড়িয়া।
প্রশ্ন (৩০/৩৫০) : আমাদের মসজিদের ইমাম জুম‘আর খুৎবার শেষে মিম্বারে থাকা অবস্থায় ছালাতের আগে মুছল্লীদের নিয়ে দু’হাত তুলে সম্মিলিত দো‘আ করেন। এভাবে দো‘আ করা কি জায়েয? - -মেহেদী হাসান, কানসাট, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৮/২৩৮) : পুরুষের জন্য হোয়াইট গোল্ড-এর আংটি, ঘড়ি বা অন্য কোন অলংকার ব্যবহার করায় কোন বাধা আছে কি? - মীযানুর রহমান, সিলেট।
প্রশ্ন (২৬/৪৬৬) : কুরবানীদাতা যদি ইচ্ছাকৃতভাবে চুল-নখ কর্তন করে তবে তাকে কাফফারা কি দিতে হবে? - -আবুল কালাম, শ্যামপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
আরও
আরও
.