উত্তর : উক্ত নিয়মে কর্য নেয়া যাবে না। কারণ এটা সূদের অন্তর্ভুক্ত। তবে এ টাকার লাভ চুক্তি হারে গ্রহণ করলে জায়েয হবে। আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াকুব বর্ণনা করেন, তিনি ওছমান (রাঃ)-এর সম্পদ নিয়ে ব্যবসা করতেন। আর লাভ উভয়ের মাঝে চুক্তি হারে বণ্টন করা হত (দারাকুৎনী, বুলূগুল মারাম হা/৮৪১)। যাকে শরীকানা ব্যবসা বলা হয়।






প্রশ্ন (৩৪/৩৪) : এক ব্যক্তির উপর হজ্জ ফরয হয়েছে। আর তার আরেকজনকে হজ্জ করানোর সামর্থ্য রয়েছে। এক্ষণে সে প্রথমে স্ত্রীকে না মাকে হজ্জ করাবে? - -আহমাদুল্লাহনওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৪/২১৪) : আমি বিভিন্ন সমস্যার কারণে নবম-দশম শ্রেণীর ছেলে-মেয়েদের একত্রে প্রাইভেট পড়াই। মেয়েরা ওড়না পরে আসে। এভাবে প্রাইভেট পড়ানো আমার জন্য জায়েয হবে কি? - -আনীস খান, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (২৯/১০৯) : ওমর (রাঃ)-এর খেলাফতকালে জনৈক ব্যক্তি রাসূল (ছাঃ)-এর কবরের নিকটে এসে বলেছিলেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আপনি আল্লাহর কাছে আপনার উম্মতের জন্য পানি প্রার্থনা করুন। তারা তো ধ্বংস হয়ে গেল’- এ ঘটনার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৮/১৯৮) : আলেমদের মুখে শুনা যায়, যারা রাসূল (ছাঃ) ও পুরুষ ও মহিলা ছাহাবীদের নামে নাম রাখে, তাদেরকে নাকি ক্বিয়ামতের দিন তাদের নামের ওয়াসীলায় আল্লাহ জান্নাত দিবেন। এ কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৬/১৬) : রামাযান মাসে সফর অবস্থায় ছিয়াম পালন থেকে বিরত থাকা যরূরী কি? - -রুস্তম আলী, পুঠিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (১৪/৪৫৪) : আমি পরিচিত এক ব্যক্তির নিকট থেকে ৪০ হাযার টাকা ধার করেছি। বর্তমানে আমি রোগে ভুগছি। যেকোন সময় মারা যেতে পারি। অসুস্থতার কারণে কোন চাকুরীতে ঢুকতে না পারায় পরিশোধ করাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় মারা গেলে আমার কি শাস্তি হবে? ঋণের ব্যাপারে আমার করণীয় কি? - -আসাদুল্লাহ, বংশাল, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৬/১৭৬) : জনৈক আলেম সূরা মায়েদাহ ৩৩ আয়াত এবং আবুদাঊদ হা/৪৩৫৩ উল্লেখ করে ৪ প্রকার দন্ডের কথা উল্লেখ করেন। আমরা জানি মুরতাদের শাস্তি কেবল মৃত্যুদন্ড। এক্ষণে এ ব্যাপারে সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৫/৩০৫) : মোহাম্মদ বায়েজিদ খান পন্নী তার ‘দাজ্জাল! ইহুদী-খৃষ্টান সভ্যতা’ বইয়ে দাবী করেছেন যে, আধুনিক ইহুদী-খৃষ্টান যান্ত্রিক সভ্যতাই দাজ্জাল। এ বিষয়ে একটি সিডিও বাজারে ছাড়া হয়েছে। লেখকের দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৫/৩৩৫) : জনৈক ব্যক্তি খুবই আমলদার ছিলেন। তিনি মারা যাওয়াতে অনেকে কষ্টও পেয়েছেন। কিন্তু তিনি ছিলেন একজন গোঁড়া বিদ‘আতী। তার কোন আমল কাজে আসবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/৪৩৭) : প্রত্যেক ছালাতের পর আয়াতুল কুরসী পড়ার হাদীছটিকে মিশকাতে যঈফ বলা হয়েছে। তাহলে আমরা এর প্রতি আমল করি কেন?
প্রশ্ন (২৭/২৭) : বৈষয়িক ব্যাপারে পিতা-মাতার আনুগত্য করতে হবে। কিন্তু মা যদি ছেলের বউ নির্দোষ হওয়া সত্ত্বেও তাকে তালাক দেওয়ার জন্য ছেলেকে নির্দেশ দেয়, তাহ’লে ছেলে কি তা শুনতে বাধ্য?
আরও
আরও
.