উত্তর : যে কোন পশু যবহ করার সময় বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবর বলবে। এছাড়াও বিভিন্ন দো‘আ বর্ণিত হয়েছে। যার কয়েকটি নিম্নরূপ- কুরবানীর পশু যবহ করার সময় বলবে, বিসমিল্লা-হি আল্লা-হুম্মা তাক্বাববাল মিন্নী ওয়া মিন আহলে বায়তী (আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ! তুমি কবুল কর আমার ও আমার পরিবারের পক্ষ হ’তে)। এছাড়াও ‘বিসমিল্লা-হি ওয়াল্লা-হু আকবার, আল্লা-হুম্মা তাক্বাববাল মিন্নী কামা তাক্বাববালতা মিন ইব্রাহীমা খালীলিক’ (...হে আল্লাহ! তুমি আমার পক্ষ হ’তে কবুল কর যেমন কবুল করেছ তোমার বন্ধু ইব্রাহীমের পক্ষ হ’তে) (মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৬/৩০৮)। উপরোক্ত দো‘আগুলির সাথে অন্য দো‘আও রয়েছে। যেমন- ইন্নী ওয়াজ্জাহ্তু ওয়াজহিয়া লিল্লাযী ফাত্বারাস সামাওয়াতি ওয়াল আরয; ‘আলা মিল্লাতি ইব্রাহীমা হানীফাঁও ওয়া মা আনা মিনাল মুশরিকীন। ইন্না ছলাতী ওয়া নুসুকী ওয়া মাহইয়ায়া ওয়া মামাতী লিল্লাহি রবিবল ‘আলামীন। লা শারীকা লাহু ওয়া বিযালিকা উমিরতু ওয়া আনা মিনাল মুসলিমীন। আল্লা-হুম্মা মিনকা ওয়া লাকা; (মিন্নী ওয়া মিন

আহলে বায়তী) বিসমিল্লা-হি ওয়াল্লাহু আকবার’ অথবা‘বিসমিল্লা-হি আল্লাহু আকবার’(মিশকাত হা/১৪৬১, সনদ হাসান; ইরওয়া ৪/৩৫০-৫১)। তবে আক্বীক্বার পশু যবহ করার সময় বলবে, আল্লা-হুম্মা মিনকা ওয়া লাকা, আক্বীক্বাতা ফুলান। বিসমিল্ল­া-হি ওয়াল্লা-হু আকবর (হে আল্লাহ! তোমার পক্ষ থেকে তোমার জন্য অমুকের আক্বীক্বা। আল্লাহর নামে, আর আল্লাহ সবার চেয়ে বড়)। এ সময় ‘ফুলান’-এর স্থলে বাচ্চার নাম বলা যাবে। মনে মনে নবজাতকের আক্বীক্বার নিয়ত করে মুখে কেবল ‘বিসমিল্লা-হি ওয়াল্লা-হু আকবর’ বললেও চলবে। কেননা ‘বিসমিল্লাহ’ বলা অপরিহার্য (আন‘আম- ৬/১২১; দ্র. হাফাবা প্রকাশিত ‘মাসায়েলে কুরবানী ও আক্বীক্বা’ বই)

প্রশ্নকারী : জাবের, বারঘরিয়া, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।







প্রশ্ন (৩/৮৩) : সূদখোর কি চিরস্থায়ী জাহান্নামী? - -আহসানুল্লাহ, নওহাটা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩/৩) : আমি বিধবা মহিলা। আগামী বছর হজ্জে যাওয়ার নিয়ত করছি। কিন্তু আমার সাথে কোন মাহরাম ব্যক্তি যাচ্ছে না। আর সেই সংগতিও নেই। আমার ননদ ও ননদের স্বামী হজ্জে যাচ্ছে। তাদের সাথে আমি যেতে পারব কি?
প্রশ্ন (৩২/৩৫২) : স্বামী ও স্ত্রী জামা‘আতে ছালাত পড়তে পারবে কি? - -আব্দুল হাকীম, মিরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (২২/৬২) : আমি শিশু অবস্থায় একটি অসহায় ছেলেকে দত্তক হিসাবে গ্রহণ করি। তার পিতা জন্মের আগেই মাকে ছেড়ে যায়। বর্তমানে নথিপত্রে শিশুটির পিতা-মাতার নাম লেখার প্রয়োজন পড়ছে। সাধ্যমত চেষ্টা করার পরও তার পিতার কোন খোঁজ না পাওয়ায় পালক পিতা বা অভিভাবক হিসাবে আমার এবং আমার স্ত্রীর নাম ব্যবহার করতে পারব কি? উল্লেখ্য যে, আমার নিজের কোন সন্তান না থাকায় এবং আমার স্ত্রী মানসিক রোগগ্রস্ত হওয়ায় উক্ত ছেলের মায়ের স্থলে তার নাম না লিখলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছে। অনেক বুঝিয়েও কাজ হয়নি। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৬/১৬) : আমি সঊদী আরবে কোম্পানীর মাল ক্রয়ের কাজ করি। বিল পরিশোধের পর কোন কোন দোকান থেকে আমাকে কিছু টাকা দিয়ে বলে এটা আপনার জন্য হাদিয়া। এটা আমার জন্য জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৪০/১৬০) : কতদিন পর্যন্ত ছালাত ক্বাযা হ’লে উক্ত ছালাত আদায় করে নিতে হবে? যেমন কেউ ১ মাস ছালাত আদায় না করলে উক্ত ছালাত পুনরায় আদায় করতে হবে, না তওবা করলেই যথেষ্ট হবে?
প্রশ্ন (২২/২৬২) : আমার বয়স ২০ বছর। পিতা আমাকে যেখানে বিয়ে দিতে চাচ্ছেন তারা পিতার শর্ত মোতাবেক আমাকে একটি সরকারী চাকুরীর ব্যবস্থা করবে। আমি এরূপ শর্তসাপেক্ষে বিবাহ করতে রাযী নই। যদিও পিতা আমাকে চাপ দিচ্ছেন। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৮/৪৮) : আমি কম্পিউটার কম্পোজের কাজ করি। অনেক কাজ আছে যেগুলি হারাম না হালাল কাজে ব্যবহার হবে তা বুঝা যায় না। বিদেশী অনেক কাজ আসে যেখানে মদের মেনুর নামও থাকে। এছাড়া ফটোকপিও করি যেখানে যাচাই-বাছাই প্রায় অসম্ভব এবং অন্যের জিনিস পড়ে দেখাও ঠিক নয়। এসব কাজ হারাম হবে কি?
প্রশ্ন (১৪/৩৭৪) : ‘হাসবুনাল্লাহ ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল, নি‘মাল মাওলা ওয়া নি‘মান নাছীর’- দো‘আটি কি ছহীহ কি? কোন কোন ক্ষেত্রে দো‘আটি পাঠ করা যায়?
প্রশ্ন (১১/১৭১) : মুসলিম হা/১৪৮০-এর বর্ণনায় অনুযায়ী রাসূল (ছাঃ) ফাতেমা বিনতে ক্বায়েস (রাঃ)-কে মু‘আবিয়া (রাঃ)-এর সাথে তার দরিদ্রতার কারণে বিবাহ দেননি। অন্যদিকে তিরমিযী হা/১০৮৪-তে পরহেযগারিতা ও চরিত্র দেখে বিবাহের নির্দেশ দিয়েছেন। এক্ষণে উভয় হাদীছের মাঝে সা - -আব্দুল্লাহিল কাফী, ছোটবনগ্রাম, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৮/২৩৮) : সোনা বা চাঁদির পাত্রে পানাহার করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (২/৩২২) : আমি স্কুলে শিক্ষাদান করার সময় প্রাপ্ত-অপ্রাপ্ত সব বয়সের মেয়ে শিক্ষার্থীরা থাকে। এসময় প্রাপ্তবয়স্কদের দিকে তাকিয়ে পাঠদান করা যাবে কি? মাঝে মাঝে মনের অজান্তে দৃষ্টি চলে যায়, এতে কোন পাপ হবে কি?
আরও
আরও
.