উত্তর : সম্পদে যাকাত ফরয হওয়ার জন্য মৌলিক দু’টি শর্ত- (১) নিছাব পরিমাণ সম্পদ হওয়া (২) এক বছর মালিকানায় থাকা। সোনার ভরি প্রতি বর্তমান বাজার মূল্য যাচাই করে সাড়ে সাত ভরি সোনার মূল্য সমপরিমাণ অর্থ থাকলে যাকাত দিতে হবে। আর নিছাব পরিমাণ না হ’লে যাকাত দিতে হবে না (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৯/২৫৪, ২৫৭, ২৮০)। এক্ষণে কারো নিছাব পরিমাণ সম্পদ যদি নিজের মালিকানায় না থাকে এবং সে তার যাকাত আদায়েও অপারগ হয়, তবে যাকাত দিতে হবে না। কেননা যাকাত প্রদানের শর্ত হ’ল তা আদায়ের সক্ষমতা থাকা। আর যদি আদায়ের সক্ষমতা আসে তবে পূর্ববর্তী বছরের যাকাত আদায় করলেই যথেষ্ট হবে, যেমনভাবে ফসল হাতে আসার পর যাকাত আবশ্যক হয় (ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৬/২৮)। উল্লেখ্য যে, হাতে যথেষ্ট পরিমাণ সম্পদ থাকলে ব্যাংকে থাকা জমা অর্থের উপর প্রতিবছরে যাকাত আদায় করবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৯/১৯০)

প্রশ্নকারী : যহীরুল ইসলাম, ঢাকা।








বিষয়সমূহ: যাকাত ও ছাদাক্বা
প্রশ্ন (২৬/২২৬) : কৃপণ পিতার সম্পদ থেকে তাকে না জানিয়ে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় খরচ যেমন পড়াশুনা, পোষাক ইত্যাদি চাহিদা পূরণের জন্য কিছু নেওয়া যাবে কি? - -মতীউর রহমান কুওয়াতুল ইসলাম মাদ্রাসা, কুষ্টিয়া।
প্রশ্ন (৩/৩৬৩) : আমি পেশায় একজন দর্জি। কাজের সময় আমি যদি মসজিদে জামা‘আতে না গিয়ে কারখানায় ছালাত আদায় করি, তাহ’লে আমার ছালাত হবে কি?
প্রশ্ন (২০/১৪০) : সূরা আহযাব ৫০ আয়াতের ব্যাখ্যা কি? উক্ত আয়াতে কি চাচাতো, মামাতো, খালাতো ও ফুফাতো বোনকে বিবাহ করতে নিষেধ করা হয়েছে? - -আবুল কাসেম, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৭/৩৩৭) : পিতা-মাতা ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর আমি পিতার কাছে থাকি। মায়ের অন্যত্র বিবাহ হয়েছে এবং সাবালক সন্তান আছে। এক্ষণে পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমি কাকে প্রাধান্য দিব?
প্রশ্ন (১৩/৪৫৩) : জনৈক ব্যক্তি হজ্জ করার নিয়তে পুরো টাকা জমা দেওয়ার পর মৃত্যুবরণ করে। টাকা গ্রহীতা এজেন্সী টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলেও পরিবার তা গ্রহণ করতে রাযী হয়নি। এক্ষণে তার পক্ষ থেকে হজ্জ করা যরূরী কি? - -সৈয়দ মুহাম্মাদ ইদ্রীস, বনশ্রী, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৯/১৪৯) : আমি একজনকে টাকা ধার দিয়েছি। সে এখন টাকা পরিশোধ করতে পারছে না। আমি সম্পূর্ণ টাকা তাকে দান করলে নেকী হবে কি?
প্রশ্ন (৪/১৬৪) : দাদন ব্যবসা কাকে বলে? এটা কি বৈধ? - -মহববত আলী, নীলফামারী।
প্রশ্ন (১/২৮১) : জনৈক আলেমের মতে, কেবল পীর ছাহেবেরা আল্লাহ ও নবীগণের নূর লাভ করে থাকে। আদম (আঃ)-এর নূর ছিল সাদা ও মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর নূর সবুজ। সেজন্য দেখা যায়, তারা মসজিদ বা কবরের উপর গম্বুজ নির্মাণ করে তাতে সবুজ রঙ করে ও মাথায় সবুজ পাগড়ী পরিধান করে। এমনকি মসজিদে নববীতে রাসূলের কবরের উপরও অনুরূপ সবুজ গম্বুজ নির্মাণ করা হয়েছে। উক্ত আক্বীদার শেষ পরিণতি জানতে চাই। - -খাদেমুল ইসলাম, জেদ্দা, সঊদী আরব।
প্রশ্ন (৭/২৪৭) : ঈদের মাঠে কোলাকুলি করা যাবে কি? কোলাকুলি কি এক দিকে করতে হয়?
প্রশ্ন (০৬/৩৬৬) : আমার রুমমেট হিন্দু হওয়ায় তার রান্না আমাকে খেতে হয়। এটা খাওয়া যাবে কি? - রূহুল আমীন, দক্ষিণ পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন (৩৮/৩৫৮) : রাসূল (ছাঃ)-কে সৃষ্টি করা না হ’লে, এ পৃথিবী সৃষ্টি করা হ’ত না। এ হাদীছটির কোন ভিত্তি আছে কি? ছহীহ না হ’লে তার কারণ বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১০/৯০) : চলাচলের ক্ষেত্রে বা মসজিদে অন্যের পায়ে বা দেহের কোন স্থানে পা লেগে গেলে করণীয় কি?
আরও
আরও
.