উত্তর : এমতাবস্থায় আপনি যোহর ও আছর একত্রে জমা করতে পারেন। কেননা বিশেষ অবস্থায় যোহরের সাথে আছরের ছালাত ক্বছর ছাড়াই জমা (একত্রিত) করা যেতে পারে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যোহর-আছর ও মাগরিব-এশার ছালাত কোন ভয়-ভীতি ও বৃষ্টি-সফর ছাড়াই জমা করেছেন (মুসলিম হা/১৬৬৩ ও ১৬৬৭)। অন্য বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মদীনায় ৭/৮ দিন যোহর-আছর ও মাগরিব-এশা জমা করেছেন (বুখারী হা/৫৪৩; মুসলিম হা/১৬৬৩)




বিষয়সমূহ: ছালাত
প্রশ্ন (৩৯/৩৯৯) : বাহাঈ কারা? এদের মতবাদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই। - মুহতাসিন ফুয়াদ, মালিবাগ, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৫/৩১৫) : ছাহাবীগণের নামে সন্তানের নাম রাখা যাবে কি? যদি অর্থগতভাবে তা পসন্দনীয় না হয়?
প্রশ্ন (৮/৪০৮) : জনৈক প্রবাসীর গৃহে পাঠদানের সুবাদে গৃহকত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক তৈরী হয়। পরবর্তীতে তার মেয়ের সাথে আমার সামাজিকভাবে বিবাহ হয়। বিবাহের পরও পূর্বের ন্যায় অনৈতিক সম্পর্ক চলতে থাকে। বর্তমানে আমি দুই সন্তানের পিতা। ছহীহ আক্বীদা গ্রহণ করার পর সব বুঝতে পেরে গত আড়াই বছর যাবৎ নিজ স্ত্রী থেকে দূরে রয়েছি। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৬/৩৬) : সাত ভাগে কুরবানী দেয়ার পক্ষে অনেক আলেমকেই জোর প্রচারণা চালাতে দেখা যায়। বিষয়টি কেন শরী‘আত সম্মত হবে না- তা ছহীহ হাদীছের আলোকে বিস্তারিতভাবে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১২/২১২) : মসজিদের সামনে জনসাধারণের বসার স্থান তৈরী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩১/২৩১) : আমার কাছে কয়েকজন ব্যক্তির ৪০ হাযার টাকা বিশেষ কারণে জমা ছিল। নামের তালিকা হারিয়ে যাওয়ায় আমি কোনভাবেই তাদের শনাক্ত করতে পারছি না। তারাও জানে না যে তাদের টাকা আমার কাছে আছে। এমতাবস্থায় উক্ত টাকা তাদের নামে কোন স্থানে দান করে দিলে দায়মুক্ত হওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/৩৩৯) : ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী কে ছিলেন? জনৈক বক্তা বলেন, ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) তাকে কাফের ঘোষণা করেছিলেন। এ কথার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (২০/৪২০) : যে মসজিদে কবর রয়েছে সেখানে ছালাত হবে কি?
প্রশ্ন (১৯/২৯৯) : স্বামী-স্ত্রী জামা‘আতবদ্ধভাবে ছালাত আদায় করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১/১৬১) : গোসলের সময় বিসমিল্লাহ বলে গোসল করলে ছালাতের জন্য ওযূ করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১/২৮১) : জনৈক লেখক বলেন যে, বাঁশির শব্দে ইবনু ওমর (রাঃ) কানে আঙ্গুল দেয়াতে গান হারাম হয়েছে তা বলা যায় না (সৌভাগ্যের পরশমণি)। আবার রাসূল (ছাঃ) নিজে কানে আঙ্গুল দিয়েছিলেন কিন্তু ইবনু ওমর (রাঃ)-কে তা করতে বলেননি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খলীফাদের যুগে বাদ্যযন্ত্র ও গান নিষেধ ছিল না; বরং তা উপভোগ করা হত (তাবারী)। তিনি আরো বলেন, কুরআনে এমন কোন আয়াত নেই যা গানকে হারাম করে। তাই ইবনে হাজার, ইবনু খাল্লিকান, জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী, গাযালী প্রমুখ বিদ্বানদের মতে বাদ্যযন্ত্রসহ গান শোনা বৈধ। যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে এবং কল্যাণকর কথা হয়। উক্ত দাবীগুলো কি সত্য? সৌভাগ্যের পরশমণি’ এবং ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইগুলো কি গ্রহণযোগ্য?
প্রশ্ন (২৯/৩৮৯) : বিসমিল্লাহ না লিখে ‘আল্লাহর নামে শুরু করছি’ বা ৭৮৬ ইত্যাদি লেখা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.