উত্তর : আযান ও এক্বামতের উত্তর একই রকম হবে। কারণ হাদীছে উভয়কেই আযান বলা হয়েছে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৬৬২)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা তাই বল যা মুওয়াযযিন বলে (মুসলিম, মিশকাত হা/৬৫৭)। ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর যামানায় আযানের কালেমা দু’বার করে এবং ইক্বামতের কালেমা একবার করে বলা হ’ত কেবল ক্বাদ ক্বা-মাতিছ ছালাহ ব্যতীত (যা দু’বার বলা হ’ত) (আবুদাঊদ, নাসাঈ, দারেমী, মিশকাত হা/৬৪৩ ‘আযান’ অনুচ্ছেদ)






বিষয়সমূহ: মসজিদ
প্রশ্ন (২৭/২৬৭) : যেসব বিবাহে যৌতুক আদান-প্রদান হয়, সেসব বিবাহ অনুষ্ঠানে যাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/১৫৫) : নবী ও রাসূলের মধ্যে পার্থক্য কি? কুরআন ও হাদীছে এ পৃথকীকরণের পক্ষে কোন দলীল আছে কি? - -আব্দুল ওয়াজেদ, ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল।
প্রশ্ন (৬/২০৬) : জনৈক নারীর প্রথম পক্ষের ১টি ছেলে এবং দ্বিতীয় পক্ষে ১টি ছেলে ও ১টি মেয়ে রয়েছে। এক্ষণে তার উভয় স্বামী মারা গেলে প্রথম পক্ষের ছেলেটি উভয় পিতারই সম্পদের ওয়ারিছ হবে কি? - -আহসান হাবীব, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (২৩/২২৩) : ইয়াতীম ক্রন্দন করলে আরশ কেঁপে ওঠে এবং ইয়াতীমকে যে সন্তুষ্ট করে আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যান। একথা ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত কি? - -আহমাদ, গাবতলী, বগুড়া।
প্রশ্ন (৩৩/৪৩৩) : অবহেলা বা মাযহাবী কারণে ছালাত বা ছিয়ামের কোন সুন্নাত পরিত্যাগকারী গোনাহগার হবে কি?
প্রশ্ন (৮/২৮৮) : ওহোদের যুদ্ধে হিন্দা হামযা (রাঃ)-এর কলিজা চিবিয়ে খেয়েছিল মর্মে যে কথা প্রচলিত আছে তা কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৮/৩৮৮) : সামাজিক ঐক্য রক্ষার্থে সাময়িকভাবে বিদ‘আতী আমল করা যাবে কি? - -সজীব আহমাদ, সফীপুর, গাযীপুর।
প্রশ্ন (২৮/৬৮) : আমি দু’বছর ধরে সালাফী মানহাজ অনুসরণ করছি। এলাকার একজন ছোট ভাই আমার প্রভাবে এখন ছহীহ আক্বীদা-আমলের অনুসারী ও ধার্মিক হয়ে উঠেছে। সে সব সময় যিকির, দো‘আ, মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত জামা‘আতে ছালাত, নফল ছালাত এবং প্রতিদিন আযান দেয়। তার এতো ভালো কাজ আমি সহ্য করতে পারছি না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৪/৩৭৪) : নারীদের জন্য নকশাযুক্ত সুন্দর রংয়ের বোরকা ও স্কার্ফ পরিধান করা শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (৩৪/৩১৪) : আমাদের এলাকায় একদল ভাই নির্দিষ্টভাবে জুম‘আর দিন তাহাজ্জুদের জন্য যুবকদের একত্রিত করে। এভাবে তাহাজ্জুদ তথা রাত্রি জাগরণ করা জায়েয হবে কি? - আব্দুল কুদ্দূস, নাটোর।
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : জনৈক লেখক দাবী করেছেন, ইমাম আবু হানীফার জন্ম ৮০ হিজরীতে আর মৃত্যু ১৫০ হিজরীতে। ইমাম বুখারীর জন্ম ১৯৪ হিজরীতে আর মৃত্যু ২৫৬ হিজরীতে। সুতরাং আবু হানীফার কথা বাদ দিয়ে ইমাম বুখারীর সংগৃহীত হাদীছ গ্রহণ করা যাবে না। কারণ ইমাম বুখারীর চেয়ে ইমাম আবু হানীফা অনেক পূর্ববর্তী। উক্ত দাবীর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (১২/৩৭২) : কাউকে দাফন করার পর সেখানে লোকেরা কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে? - -আমীর হামযা, মদনচক জামে মসজিদ, নওগাঁ।
আরও
আরও
.