উত্তর : বিবাহের শর্তসমূহ উপস্থিত থাকলে এবং অভিভাবকের সম্মতি থাকলে উক্ত বিবাহ পড়ানো জায়েয। আর অভিভাবকের সম্মতি না থাকলে সে বিবাহ পড়ানো যাবে না। কারণ প্রথমত অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত যে বিবাহ হয়, সেটা বাতিল (আবূদাউদ হা/২০৮৩; মিশকাত হা/৩১৩১, সনদ ছহীহ)। দ্বিতীয়ত বিবাহে সহযোগিতা ছওয়াবের কাজ হ’লেও অভিভাবকের অনুমতিহীন বিবাহ পড়ানো গুনাহের কাজে সহযোগিতা করার নামান্তর, যা নিষিদ্ধ (মায়েদাহ ৫/২)

প্রশ্নকারী : আব্দুল মালেক, নওদাপাড়া, রাজশাহী। 







বিষয়সমূহ: বিবাহ ও তালাক
প্রশ্ন (৪০/৮০) : ছালাত চলাকালীন সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে ছালাত রত ব্যক্তি আলো জ্বালাতে পারে কি? - -শফীকুল ইসলাম, নগরপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১১/১১) : মাসআলা-মাসায়েল সাব্যস্তের ক্ষেত্রে ফিক্বহের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু? বিভিন্ন জবাবের ক্ষেত্রে কুরআন-হাদীছের সাথে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বিদ্বানদের সিদ্ধান্ত আহলেহাদীছ-হানাফী উভয়েরই বই-পত্রে উল্লেখ করা হয়। এক্ষণে ইমামদের মতামত গ্রহণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারের মূলনীতি কি?
প্রশ্ন (৩২/৭২) : শাওয়ালের ছয়টি ছিয়াম পালনের পর আইয়ামে বীযের তিনটি ছিয়াম পালন করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/২৩৯) : কোন বিষয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হ’লে নফল ছালাত আদায় করতে হবে মর্মে শরী‘আতে কোন নির্দেশনা আছে কি?
প্রশ্ন (৮/৩৬৮) : মালদ্বীপে অবস্থানরত অনেক প্রবাসী ভাই বিভিন্ন রিসোর্টে চাকুরী করেন। যেখানে মদ, শূকরের মাংস পরিবেশন ও যেনা-ব্যভিচার খুবই সাধারণ বিষয়। পর্যটকদের এসব সরবরাহের জন্য তাদেরকেই সহযোগিতা করতে হয়। এক্ষণে এসব চাকুরী জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩১/৭১) : প্রতি ওয়াক্ত ছালাত বা যেকোন নফল ছালাত শুরুর পূর্বে বিশেষ কোন দো‘আ আছে কি?
প্রশ্ন (৪০/৩২০) : আমাদের মসজিদের ইমাম ছাহেব কেবল এলাকার মহিলাদের নিয়ে মসজিদে ঈদের ছালাত আদায় করেন। এভাবে আলাদা ছালাত আদায় জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩০/৪৩০) : কারো উপরে জিন আছর করলে কবিরাজের নিকট থেকে তদবীর করা যাবে কি? এরূপ করা না গেলে কিভাবে তার চিকিৎসা করতে হবে?
প্রশ্ন (১৩/৯৩) : মাসিক চলাকালীন সময়ে কোন মহিলা কোন মৃত মহিলাকে গোসল দিতে পারবে কি? - -যুবায়ের এহসান, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৭/৩৩৭) : পিতা-মাতা ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর আমি পিতার কাছে থাকি। মায়ের অন্যত্র বিবাহ হয়েছে এবং সাবালক সন্তান আছে। এক্ষণে পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমি কাকে প্রাধান্য দিব?
প্রশ্ন (১/২৮১) : জনৈক লেখক বলেন যে, বাঁশির শব্দে ইবনু ওমর (রাঃ) কানে আঙ্গুল দেয়াতে গান হারাম হয়েছে তা বলা যায় না (সৌভাগ্যের পরশমণি)। আবার রাসূল (ছাঃ) নিজে কানে আঙ্গুল দিয়েছিলেন কিন্তু ইবনু ওমর (রাঃ)-কে তা করতে বলেননি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খলীফাদের যুগে বাদ্যযন্ত্র ও গান নিষেধ ছিল না; বরং তা উপভোগ করা হত (তাবারী)। তিনি আরো বলেন, কুরআনে এমন কোন আয়াত নেই যা গানকে হারাম করে। তাই ইবনে হাজার, ইবনু খাল্লিকান, জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী, গাযালী প্রমুখ বিদ্বানদের মতে বাদ্যযন্ত্রসহ গান শোনা বৈধ। যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে এবং কল্যাণকর কথা হয়। উক্ত দাবীগুলো কি সত্য? সৌভাগ্যের পরশমণি’ এবং ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইগুলো কি গ্রহণযোগ্য?
প্রশ্ন (৪/১৬৪) : ক্বিরাআত শেষে সিজদার আয়াত হ’লে আগে রুকূ করতে না-কি সিজদায়ে তেলাওয়াত আগে দিতে হবে?
আরও
আরও
.