উত্তর : পৃথিবী ও সূর্য উভয়ই ঘোরে। শুধু তা-ই নয়, আসমানে যত গ্রহ-উপগ্রহ ও নক্ষত্ররাজি আছে সবই নিজ নিজ কক্ষ পথে পরিভ্রমণ করে। আল্লাহ বলেন, বস্ত্ততঃ প্রত্যেকটিই স্ব স্ব নিরক্ষবৃত্তে সাঁতার কাটছে (ইয়াসীন ৩৬/৪০)। শায়খ আলবানী উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, আয়াতে পরপর তিনটি শব্দ উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন যমীন, সূর্য ও চন্দ্র। অতঃপর বলা হয়েছে ‘প্রত্যেকটিই স্ব স্ব নিরক্ষবৃত্তে সাঁতার কাটছে’। যা প্রমাণ করে যে, পৃথিবীও সন্তরণ করছে (সিলসিলাতুল হুদা ওয়ান নূর ৪৯৭/১০)। ড. ওয়াহবাতুয যুহায়লী  বলেন, সূর্য, চন্দ্র, যমীন প্রত্যেকে আকাশের নিজ কক্ষ পথে সন্তরণ করছে যেমন মাছ পানিতে সাতার কাটে (আত-তাফসীরুল মুনীর ২৩/১৭)

প্রশ্নকারী : তাহসীন আল-মাহী, নওদাপাড়া, রাজশাহী।







বিষয়সমূহ: সৃষ্টিজগৎ
প্রশ্ন (৩১/৩১): ইমাম শেষ বৈঠকে থাকা অবস্থায় জামা‘আতে শরীক হ’লে জামা‘আতের নেকী পাওয়া যাবে কি? নাকি এসময় কয়েকজন মাসবূক থাকলে পৃথক জামা‘আত করাই উত্তম হবে?
প্রশ্নঃ (১০/৩৭০): রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে স্বপ্নে কারা দেখতে পারে? তাঁকে স্বপ্নে দেখার বিশেষ কোন ফযীলত আছে কি? হাদীছে বর্ণিত শামায়েলে রাসূলের সাথে স্বপ্নে দেখা ব্যক্তির মিল হ’লে রাসূলকে দেখেছেন বলে সাব্যস্ত হবে কি? শোনা যায় যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে স্বপেণ দেখলে সে ব্যক্তি জান্নাতে যাবে এবং জাহান্নামের আগুন তাকে স্পর্শ করবে না। এটা কতটুকু সঠিক? দলীল ভিত্তিক জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৫/২৯৫) : শী‘আদের রাফেযী বলার কারণ কি? সকল শী‘আই কি রাফেযী? - -শারমিন সুলতানা, সারিয়াকান্দি, বগুড়া।
প্রশ্ন (১৩/২৯৩) : জনৈক আলেম বলেন, কসম ভঙ্গের কাফফারা হচ্ছে একটানা ৩টি ছিয়াম পালন করা। মাঝে একটি ছুটে গেলে তিনটির সাথে আরো একটি যোগ করতে হবে। এ বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৭/২৬৭) : কোন নারী কি রামাযান মাসে অধিক ইবাদত পালনের জন্য স্বামী থেকে আলাদা থাকতে পারবে?
প্রশ্ন (১৯/৪৫৯) : কোন ব্যক্তির হঠাৎ মৃত্যু হ’লে কী দো‘আ পড়তে হবে? মৃত ব্যক্তির নাম লিখে কবরে ঝুলিয়ে রাখা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/১১৪) : ঈদের জামা‘আতে একবার শরীক হয়ে পরে কারণবশতঃ অন্য স্থানে এসে জামা‘আত হ’তে দেখলে তাতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি? - -ফেরদাউস মিয়া, চেংমারী, রংপুর।
প্রশ্ন (১৪/৪১৪) : অমুসলিমদের কাছে দো‘আ চাওয়ার বিধান কি? ভুলবশত চেয়ে ফেললে গুনাহ হবে কি?
প্রশ্ন (৯/৪৯) : জয়ফলের মধ্যে অল্প মাত্রায় নেশাজাতীয় উপাদান থাকায় সঊদী আরব সহ কিছু দেশে তা আমদানী নিষিদ্ধ। অনেক আলেম এটিকে হারাম বলেছেন। কিন্তু আমাদের দেশে এটা বিরিয়ানী, হালীম ইত্যাদির মশলা হিসাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এক্ষণে এটি খাওয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৬/১২৬) : ফজরের আযানে الصلوة خير من النوم বলতে হবে কি? দলীল ভিত্তিক জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৯/৪৯) :কোন কোন মাদ্রাসায় কেউ ছাগল বা অন্য কিছু ছাদাক্বা করলে মাদ্রাসার শিক্ষক, ছাত্র, কর্মচারী সবাই তা খায়। এভাবে সবার জন্য ছাদাক্বা খাওয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১০/৩৩০) : আল্লাহ বলেছেন, তোমরা আল্লাহকে দেখতে পাবে না। তাহ’লে আদম (আঃ) কি আল্লাহকে দেখেছিলেন?
আরও
আরও
.