উত্তর : সাধারণভাবে পেশাব-পায়খানারত অবস্থায় কথা বলা অপসন্দনীয়। সে হিসাবে মোবাইলেও কথা বলা থেকে বিরত থাকবে (নববী, আল -মাজমূ২/৮৮; আল-মাওসূআতুল ফিক্বহিয়া ১০/৩৪)। তবে যরূরী কোন কারণ দেখা দিলে বা প্রয়োজন পূরণরত অবস্থায় না থাকলে মোবাইলে বা সরাসরি কথা বলা জায়েয (উছায়মীন, লিক্বাউল বাবিল মাফতূহ ১১/১৭১)

প্রশ্নকারী : ফাইয়ায মোর্শেদঢাকা।







বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (৫/৮৫) : কোন ইবাদতের ক্ষেত্রে বেশী ছওয়াব পাওয়ার জন্য কষ্টকর অবস্থাকে বেছে নেয়া কি ব্যক্তির জন্য শরীআ‘তসম্মত? যেমন- গরম পানি থাকা সত্ত্বেও ঠান্ডা পানি দিয়ে ওযূ করা কিংবা নিকটে মসজিদ থাকা সত্ত্বেও দূরের মসজিদে যাওয়া। কারণ আমি শুনেছি, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কষ্টকর বিষয় খুঁজে বেড়ায় সে ছওয়াব পাবে না। সঠিক উত্তর জানতে চাই। - -পারভেয আলম সরদার, বিনোদপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৬/৭৬) : কবরস্থানে জুতা পায়ে যাওয়া এবং মাটি দেওয়া যাবে কি? - -মামূন, গাংণী, মেহেরপুর।
প্রশ্ন (১৭/১৭৭) : শ্বশুর পক্ষের কেউ বরকে কিছু হাদিয়া দিতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১৬/১৬) : সফর অবস্থায় তাহাজ্জুদ ছালাত আদায়ে কোন বাধা আছে কি? - -শামীম ইসলাম, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৩/৩০৩) : জান্নাতের কি একশটি স্তর রয়েছে? যদি থাকে তবে নিম্ন স্তরের জান্নাতীরা কি উচ্চ স্তরের জান্নাতীদের প্রতি ঈর্ষা পোষণ করবে না?
প্রশ্নঃ (৯/২০৯): মুহাম্মাদ (ছাঃ) মি‘রাজে গিয়ে বায়তুল মুক্বাদ্দাসে সমস্ত নবী-রাসূলের ইমামতি করেছিলেন। উক্ত বক্তব্যের প্রমাণ জানতে চাই। উক্ত ছালাত সুন্নাত ছিল না ফরয ছিল?
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : পরীক্ষার কারণে আমি কয়েকটি ছিয়াম রাখতে পারিনি। এক্ষেত্রে আমাকে কি ক্বাযা ও কাফফারা দু’টোই দিতে হবে? - -আনীসুল হক, বৃ-কুষ্টিয়া, বগুড়া।
প্রশ্ন (৩১/১৫১) : প্রত্যেক রাতে সূরা তাকাছুর পড়ে ঘুমালে কুরআনের এক হাযার আয়াত পড়ার নেকী পাওয়া যায়। কথাটির সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩৮) : উট যবেহ করার নিয়ম কি? সাধারণ পশুর মত উট যবেহ করা যায় কি?
প্রশ্ন (১০/১০) : নিজস্ব পরিবহন থাকা অবস্থায় সফরে ঠিক ওয়াক্ত মত ছালাত আদায় করা উত্তম, না কি যোহর ওয়াক্তে আছর বা আছর ওয়াক্তে যোহর জমা করা উত্তম হবে? এসময় একাকী না জামা‘আত করা উত্তম? - -আব্দুল লতীফ, কলারোয়া, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (৩২/১৫২) : জুম‘আর দিন নফল ছিয়াম পালনে শারঈ কোন বিধি-নিষেধ আছে কি?
প্রশ্ন (২৪/২৬৪) : যে ব্যক্তি রামাযান মাসে একটি নফল আমল করল সে অন্য মাসে একটি ফরয কাজ করার নেকী পেল। আর যে ব্যক্তি এ মাসে একটি ফরয আমল করল সে অন্য মাসের সত্তরটি ফরয আমল করার নেকী পেল। উক্ত হাদীছটি কোন গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে এবং এর সনদ ছহীহ কি-না জানিয়ে বাধিত করবেন।
আরও
আরও
.