উত্তর : ইসলামে আত্মীয়তার হক মূলত রক্তের সম্পর্কের উপর প্রতিষ্ঠিত। আর বংশ নির্ধারিত হয় পিতৃ-সূত্রে। অতএব পিতার দ্বিতীয় সংসারের সন্তানগণ অর্থাৎ সৎ ভাই-বোনেরা প্রথম অগ্রাধিকার পাবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি প্রশস্ত জীবিকা ও দীর্ঘ জীবন কামনা করে, সে যেন নিকটাত্মীয়দের সাথে উত্তম ব্যবহার করে (বুখারী হা/৫৯৮৫; মিশকাত হা/৪৯১৮)

প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বেল্লোনো, ইতালী।








বিষয়সমূহ: বিবাহ ও তালাক
প্রশ্ন (১৩/২৯৩) : স্ত্রী বেনামাযী, বেপর্দা এবং শারঈ বিধান পালনে অনাগ্রহী। এক্ষণে ধৈর্য ধরে দাওয়াত দিয়ে যেতে হবে, না তালাক দেওয়া উত্তম হবে?
প্রশ্ন (২৯/৩৮৯) : বাগানে ফল পরিপক্ক বা খাওয়ার উপযোগী হওয়ার আগেই গাছে থাকা অবস্থায় ফল বিক্রি করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৪/৪১৪) : ভ্রূ-এর কিছু কিছু চুল বেশী বড় হয়ে গেলে তা কেটে ফেলায় কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (১১/৪১১) : ২য় বিবাহ করার পর থেকে দীর্ঘ ১৭-১৮ বছর যাবৎ পিতা আমার ও আমার মায়ের সাথে কোন সম্পর্ক রাখে না। বর্তমানে আমার চাচা-ফুফুরা আমাদেরকে বসতভিটা থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এমতাবস্থায় আমাদের করণীয় কি? এরূপ পিতার পরকালীন শাস্তি কি?
প্রশ্ন (১২/২১২) : আমাদের সমাজে কোন মেয়েকে বিয়ে দিতে হ’লে সমাজের ৮৪টি পরিবারের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে ২০ কেজি খাগসদস্যদেরকে একদিন দুপুরে আবশ্যিকভাবে খাওয়াড়াই দিতে হয়। আর কোন ছেলেকে বিবাহ করতে হ’লে ৮৪টি পরিবারের তে হয়। সামাজিক এ প্রথা শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (২৮/৬৮) : মসজিদে ঈদের ছালাত আদায় করলে তাহিইয়াতুল মসজিদ পড়তে হবে কি?
প্রশ্ন (১৩/৯৩) : স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীর অভিভাবক কে? পুত্র, জামাই না অন্য কেউ। সেক্ষেত্রে তিনি কি তার পুত্রের কথা অনুযায়ী চলতে বাধ্য থাকবেন? জামাই যদি তার অধিক পসন্দের হন এবং তিনি জামাইয়ের কথা মত চলেন সেটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৭/৪১৭) : অনেক সময় সম্পদশালী লোকেরা গরীব দুস্থদের ঘৃণা করে। এ আচরণের পরিণতি জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৯/১৭৯) : কোন কোন দেশে ৬ মাস রাত ও ৬ মাস দিন। তাহ’লে সেদেশের মানুষ কিভাবে ছালাত ছিয়াম পালন করবে?
প্রশ্ন (৩৫/১১৫) : রাসূল (ছাঃ) কে গালিদাতার শাস্তি কি? শাস্তি বাস্তবায়ন করার জন্য দায়িত্বশীল কে? দোষী বলে প্রমাণিত হওয়ার আগেই কাউকে শাস্তি দেওয়া যাবে কি? কেউ কাউকে অন্যায়ভাবে শাস্তি দিয়ে থাকলে তার শাস্তি কি?
প্রশ্ন (১২/২৫২) : মাওলানা আশরাফ আলী থানবী (রহঃ) তার ‘পূর্ণাঙ্গ নামায’ বইয়ে লিখেছেন, ওযূর পর সূরা ক্বদর পাঠ করতে হবে (পৃঃ ৪৫)। কিন্তু কোন দলীল উল্লেখ করেননি। উক্ত সূরা পড়ার দলীল জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৫/৩৯৫) : কোন অসুস্থতার জন্য কেউ যদি পানিতে সূরা নাস, ফালাক্ব সহ প্রয়োজনীয় দো‘আ সমূহ পড়ে দেয়, তাহ’লে সেই পানি খাওয়া জায়েয হবে কি? যে কেউ পানি পড়ে দিলে হবে, নাকি বড় আলেম হ’তে হবে?
আরও
আরও
.