উত্তর : বিশিষ্ট তাবেঈ ওয়াইস ক্বারনী (মৃ. ৩৭ হিঃ) এবং হাসান বছরী (২১-১১০ হিঃ) কথিত ছূফী ছিলেন না; বরং তারা আল্লাহভীরু, ইবাদতগুযার ও দুনিয়াত্যাগী যাহেদ ছিলেন। তাঁদের সাথে প্রচলিত ছূফী আক্বীদার দূরতম সম্পর্ক নেই। অথচ বিদ‘আতীরা তাঁদেরকে ছূফীবাদের প্রাণপুরুষ মনে করে। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ছূফী মতবাদের উৎপত্তি সম্পর্কে যা জানা যায়, তাতে আবু হাশেম কূফীর (মৃ. ১৫০ হিঃ) নাম প্রথমে আসে। এই ব্যক্তি শামে অবস্থানকালে প্রথম এই মতবাদের উদ্ভব ঘটায়। সুফিয়ান ছাওরী (রহঃ) তার সম্পর্কে বলেন, আবু হাশেম না থাকলে রিয়া বা লোক দেখানো আমলের বাস্তব রূপ বুঝতে পারতাম না। কেউ কেউ শী‘আদের ইমাম জা‘ফর ছাদেকের ছাত্র ও দার্শনিক জাবের বিন হাইয়ানকে (মৃ. ২০৮ হি.), আবার কেউ কূফার এক যিন্দীক্ব নেতা আব্দুল করীমকে (মৃ. ২১০ হি.) ছূফী মতবাদের উদ্ভাবক বলে অভিহিত করেছেন (দ্র. আল-মাওসূ‘আতুল মুয়াস্সারাহ ফিল আদইয়ানে ওয়াল মাযাহিবিল মু‘আছারাহ ১/২৫১)। অতএব ওয়াইস ক্বারনী ও হাসান বাছরীকে ছূফী মতবাদে টেনে নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। তাঁদের মৃত্যুর বহু পরে এই ভ্রান্ত মতবাদের জন্ম হয়েছিল।






প্রশ্ন (৩০/৪৩০) : আমার কেবল দুই মেয়ে। আমি আমার সমস্ত সম্পদ তাদের নামে লিখে দিয়েছি। এরূপ করা সঠিক হয়েছে কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, এরুলিয়া, বগুড়া।
প্রশ্ন (৩৪/১৫৪) : রাসূল (ছাঃ) অল্প খাদ্যগ্রহণকারীকে সর্বোত্তম ব্যক্তি হিসাবে আখ্যা দিয়েছেন। অথচ অনেক মানুষকে দেখা যায় তারা দৈনিক মাছ, গোশত, দই, মিষ্টি, ফলমূল ইত্যাদি খায়। এগুলি কি অপব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত গণ্য হবে না? - -ইমরান আলী, চন্ডীপুর, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
প্রশ্ন (১০/১০) : অর্থ, মর্ম কিছু না বুঝে উদ্দেশ্য ছাড়াই আরবী ভাষায় মুনাজাত করলে উক্ত দো‘আ কবুল হবে কি?
প্রশ্ন (১৯/১৩৯) : নিয়মিত নেশা করা, কালো খেযাব ব্যবহার করা, টাখনুর নীচে কাপড় পরা প্রভৃতি কবীরা গোনাহে অভ্যস্ত ব্যক্তির জন্য ফরয ইবাদত করার কোন প্রয়োজন আছে কি? - -এম, এ, মুঈদ, ধানমন্ডি, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৫/৫৫) : জনৈক ব্যক্তি এক স্ত্রী, এক কন্যা, দুই ভাতিজা ও এক ভাতিজি রেখে মারা যান। এক্ষণে মাইয়েতের সম্পদ কিভাবে বণ্টিত হবে?
প্রশ্ন (৩১/১১১) : শিরক-বিদ‘আত সম্পর্কে জানা সত্ত্বেও যেসব সমাজ প্রধানগণ উক্ত কাজে বাধা না দিয়ে বরং প্ররোচিত করে, ক্বিয়ামতের দিন তাদের শাস্তি কি হবে? - -নাজমুল হোসাইন, চারঘাট, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩/৮৩) : আলক্বামা নামক একটি নেক্কার ছেলে তার মায়ের উপর স্ত্রীকে প্রাধান্য দেয়ায় মৃত্যুকালে কালেমা পড়তে পারছিল না। রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট ঘটনা বর্ণনা করা হ’লে তিনি স্বয়ং আলক্বামার নিকট গিয়ে ঘটনার সত্যতা দেখে ছাহাবীদের নির্দেশ দিলেন খড়ি জমা করে আগুনে আলক্বামাকে জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য। তখন তার মা তাকে ক্ষমা করে দিলেন। অতঃপর তিনি কালেমা পড়লেন ও স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করলেন। উক্ত ঘটনার সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৮/২৩৮) : পিতা-মাতা আমাকে সব সম্পদ থেকে বঞ্চিত করে ১৮ বছর আগে আলাদা করে দিয়েছেন। তিন মেয়েকে সব সম্পদ দিয়েছেন। এখন শেষ বয়সে তারা অসহায়। আমার অবস্থার দিকে না দেখে তারা আমার কাছে অনেক সহযোগিতা চান। চাহিদামত দিতে না পারলে কথা বলেন না, রাগ করেন। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৪/২৫৪) : জনৈকা মহিলা ধর্মীয় কারণে স্বামীর থেকে ‘খোলা’ গ্রহণ করেছে। এক্ষণে সে অন্যত্র ইসলামী মন-মানসিকতার ছেলের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হ’তে চায়। কিন্তু অভিভাবক পূর্বের ফাসেক স্বামীর কাছেই ফিরে যেতে বলে। উক্ত মহিলা কিভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে?
প্রশ্ন (২৬/২৬৬) : সমাজে প্রচলিত আছে, অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে সবাই সমান। একথা কি সত্য? - -মতীউর রহমান, লালবাগ, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৪/২৪) : রাসূল (ছাঃ) হজ্জের সময় জাবালে রহমতে খুৎবা প্রদান করেছিলেন। অথচ বর্তমানে মসজিদে নামিরায় কেন খুৎবা দেওয়া হচ্ছে? - -আসমাউল আলমহরিমোহন সরকারী স্কুল, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৪/৩৯৪) : ছয় মাসের ভেড়া কুরবানী করা যাবে কি?
আরও
আরও
.