উত্তর : ‘আল্লাহু আ‘লাম’ বা আল্লাহ সর্বাধিক অবগত বলায় বা লেখায় কোন বাধা নেই এবং এতে কোন ছহীহ হাদীছের প্রতি সন্দেহ পোষণ করাও হবে না। বরং এরূপ বলাই আদবের পরিচয়। কারণ প্রত্যেক মানুষই ভুলকারী (তিরমিযী হা/২৪৯৯, মিশকাত হা/২৩৪১)। আর আল্লাহ বলেন, প্রত্যেক জ্ঞানীর উপরে জ্ঞানী আছেন (ইউসুফ ১২/৭৬)। আব্দুল মুহসিন আল-‘আববাদ বলেন, কেউ যদি কোন বিষয়ে পূর্ণ জ্ঞান রাখে আর বলে যে, ‘আল্লাহ আ‘লাম’, তাহ’লে তার কথা সঠিক হবে। কারণ আল্লাহ সর্বাধিক জ্ঞাত (শারহু আবুদাউদ ৪/৩৬৪)






বিষয়সমূহ: জীবন কথা
প্রশ্ন (২৬/২৬) : এসএসসি, এইচএসসি অথবা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার জন্য পরীক্ষার দিনগুলোতে ছিয়াম রাখা যাবে কী?
প্রশ্ন (৩৯/১৯৯) : অনেকে বলেন, সূরা বনু ইসরাঈলের ৮০ আয়াত দ্বারা রাষ্ট্রক্ষমতা প্রার্থনার কথা বলা হয়েছে। এর সঠিক ব্যাখ্যা জানতে চাই। - -সুমাইয়া, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।
প্রশ্ন (৩১/১৫১) : মাইয়েতের মুখ দেখার জন্য নারী-পুরুষ সবাই ভীড় জমায়। এটা কি শরী‘আতের দৃষ্টিকোণ থেকে জায়েয? - -ওয়াহীদুয্যামান, শিবগঞ্জ, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (২৬/১০৬) : বিবাহে ওয়ালীমা, সাজসজ্জা, দেনমোহর ইত্যাদিতে কি পরিমাণ খরচ করা যাবে? এ ব্যাপারে শারঈ কোন নির্দেশনা আছে কি?
প্রশ্ন (২৯/৪২৯) : আমাদের দেশে গভীর রাত পর্যন্ত ইসলামী সম্মেলন হয়। এটা কি শরী‘আত সম্মত? উক্ত সম্মেলনে মহিলারা যেতে পারে কি?
প্রশ্ন (১৪/৪১৪) : ছালাতে ইমাম ভুল করলে এবং মুক্তাদী লোকমা না দিলে ছালাত শেষে কি সহো সিজদা দিতে হবে? না ছালাত ফিরিয়ে পড়তে হবে?
প্রশ্ন (১/১৬১): দরিদ্র ও বিধবা হওয়ার কারণে সহোদর বোনকে যাকাতের অর্থ প্রদান করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩/৩৩৩) : ছিয়ামরত অবস্থায় ঠোঁট ফেটে যাওয়ার কারণে লিপজেল বা অন্য কিছু দিলে তা থেকে কিছু পরিমাণ হ’লেও মুখের ভিতর চলে যায়। এক্ষেত্রে এটা ব্যবহার করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩২/২৭২) : জনৈক আলেম বলেন, যে পুত্রবধু শ্বশুর-শাশুড়ীর কাপড়-চোপড় পরিষ্কার করে, তার জন্য প্রভূত নেকী রয়েছে। একথা কি সঠিক? - -হুমায়ূন কবীর, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (২৫/১০৫) : আমি একজন ব্যবসায়ী। শারঈ বিধান অনুযায়ী আমি প্রতিটি পণ্যে কতভাগ লাভ করতে পারি? - -আহসানুল্লাহ, ফুলতলা, বগুড়া।
প্রশ্ন (৭/৩২৭) : আমাদের গ্রামে কারো কোন জিনিস হারিয়ে গেলে বা চুরি হ’লে হারানো বস্ত্ত খুঁজে পাওয়ার জন্যে অথবা চোর ধরার জন্য কয়েকজন ওযূ করে একটি পিতলের বদনা নিয়ে বসে তাতে পানি দিয়ে কাঁঠালের পাতায় বিভিন্ন জনের নাম লিখে বদনাতে দিয়ে দেয়। আর পাশে বসে একজন সূরা ইয়াসীন পড়তে থাকে। আর বদনা দু’জনের দুই আঙ্গুলের উপর ধরে রাখে। এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়তে পড়তে যখন বদনাতে চোরের নাম আসে তখন বদনা এমনিতেই ঘুরতে শুরু করে দেয়। তাদের ভাষ্যমতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নাকি আসল চোরের নাম উঠে আসে। প্রশ্ন হ’ল এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়ে পিতলের বদনা নিয়ে চোর ধরার পদ্ধতি অথবা এগুলোর উপর বিশ্বাস করা কিসের মধ্যে পড়ে? - -সামিয়া আখতার, আম্বরখানা, সিলেট।
প্রশ্ন (৯/২৮৯) : হিজড়াদের সামনে পুরুষ বা নারীদের পর্দার বিধান কি?
আরও
আরও
.