উত্তর : মুসলমানদের জন্য শূকর পালন করা বা শূকর পালনে সহায়তা করা জায়েয নয়। কারণ শূকর জন্মগতভাবে হারাম। আর এই হারাম প্রাণী পালন করা বা পালনে সহায়তা করা জায়েয নয় (ইবনু হাজার, ফাৎহুল বারী ৬/৪৯১; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়াহ ৩৫/১২৩)।

প্রশ্নকারী : আব্দুল ক্বাইয়ূম, ধুনট, বগুড়া।








বিষয়সমূহ: জায়েয-নাজায়েয
প্রশ্ন (১৫/১৩৫) : অর্থের প্রয়োজনে আমি জমি বন্ধক দিয়ে টাকা নেই। একবছর পর সমপরিমাণ অর্থ তাকে দিয়ে ফিরিয়ে নেই। বন্ধকগ্রহীতা ভোগ করুক বা না করুক সেটা তার ব্যাপার। এভাবে বন্ধক দেওয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২২/১৮২) : পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ইরাম দ্বারা কাদেরকে বুঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন (৯/৪৪৯) : আমাদের দেশের ঔষধ কোম্পানীগুলো তাদের রিপ্রেজেন্টিটিভদের মাধ্যমে ডাক্তার ও ফার্মেসী দোকানদারদের নিজ নিজ কোম্পানীর ঔষধ প্রেসক্রিপশনে উল্লেখ করার জন্য দামী দামী গিফট দেয়, ডাক্তারদের সাথে মোটা অংকের আর্থিক চুক্তি করে। ফলে ঐ ডাক্তার নির্দিষ্ট কোম্পানীর বাইরে কোন ঔষধ লেখেন না। এর ফলে অনেক রোগী নিম্নমানের ঔষধ খেয়ে ক্ষতির মধ্যে পড়ে যায়। এরূপ চাকুরী করা জায়েয হবে কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৩/১১৩) : শরী‘আত সম্পর্কে জ্ঞানহীন অনেক সাধারণ মানুষকে বর্তমানে বিভিন্ন বিষয়ে ফৎওয়ার ক্ষেত্রে নিজ সিদ্ধান্ত পেশ করতে দেখা যায়। এক্ষণে সাধারণ মানুষের জন্য ফৎওয়া দেওয়ার আদব কি? - -খায়রুল ইসলাম, ভাষানটেক, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৬/১৩৬) : মসজিদে বিবাহের ওয়ালীমার অনুষ্ঠান করা যাবে কি? - -ফীরোয মাহমূদ, পবা নতুনপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৬/৩৬৬): আল্লাহকে না দেখে বিশ্বাস করতে হবে। এ মর্মে কুরআন বা হাদীছের সরাসরি কোন দলীল আছে কি?
প্রশ্ন (২৩/২২৩) : রাবে‘আ বছরী সম্পর্কে জানতে চাই। - -ফাহীমা, কলারোয়া, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (২/১২২) : রাক্বীব ও আতীদ কি দু’জন ফেরেশতার নাম? আধুনিক যুগের একজন আরব লেখক এর দ্বারা মস্তিষ্কের ডান ও বাম অংশ বুঝিয়েছেন। তার এ বক্তব্যের কোন শারঈ ভিত্তি রয়েছে? - -আলতাফ হোসাইন, তেরখাদিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৯/২৮৯) : আযানের পর পঠিতব্য ছহীহ এবং জাল-যঈফ দো‘আ সমূহ কি কি? - মশীউর রহমান গঙ্গারামপুর, মুর্শিদাবাদ, ভারত।
প্রশ্ন (২৯/৪২৯) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর পালক পুত্র যায়েদ বিন হারিছার স্ত্রী যয়নাবকে বিবাহ করেন। এটা কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৯/৩৩৯) : ইস্তিস্কার ছালাতে একজন ইমামতি ও অন্যজন খুৎবা প্রদান করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩০/৩১০) : তিনি সর্বদা কোন না কোন কাজে রত আছেন (রহমান ২৯)। হে মানুষ ও জিন! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্য কর্ম মুক্ত হব (রহমান ৩১)। উক্ত আয়াতদ্বয়ের ব্যাখ্যা জানতে চাই।
আরও
আরও
.