উত্তর : করা যাবে। এ ক্ষেত্রে ঘুম ভাঙলে গোসল করে ছালাত (ফজর) আদায় করে মনে মনে ছিয়ামের নিয়ত করবে। কোন কিছু খাবে না। হযরত আয়েশা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর স্ত্রীদের সাথে সহবাসের পর অপবিত্র অবস্থায় সকাল করতেন এবং ছিয়াম রাখতেন’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২০০১ ‘ছিয়াম’ অধ্যায় ৩ অনুচ্ছেদ)। উল্লেখ্য, অপবিত্র অবস্থায় ঘুম থেকে উঠে শুধু সাহারী খাওয়ার সময় অবশিষ্ট থাকলে বিনা গোসলেই সাহারী খাবে। অতঃপর গোসল করে ফজরের ছালাত আদায় করবে (হাইআতু কিবারিল ওলামা ১/৪২৬ পৃঃ)






প্রশ্ন (২৫/৪২৫) : ফজর বা আছরের ছালাতরত অবস্থায় সূর্যোদয় বা সূর্যাস্ত হ’লে ছালাত বাতিল হয়ে যাবে কি? - -আব্দুর রঊফ, তালা, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (৩৭/২৩৭) : মহিলাদের জন্য ব্যবসা করা জায়েয হবে কী?
প্রশ্ন (১৭/১৩৭) : সূরা তওবার ৭৫ ও ৭৬ নং আয়াতদ্বয় কোন্ ঘটনার প্রেক্ষিতে নাযিল হয়েছে?
প্রশ্ন (২৭/৩৪৭) : স্বপ্নদোষের কারণে বিছানায় বীর্য পড়লে তা সাবান দিয়ে পরিষ্কার করা আবশ্যক কি? না মুছে ফেললেই যথেষ্ট হবে?
প্রশ্ন (৩৩/১১৩) : ছালাতের শেষ রাক‘আতে নারীদের সাদাস্রাব দেখা দিলে ছালাত ছেড়ে দিতে হবে কি? সেক্ষেত্রে ওযূ করে কেবল শেষ রাক‘আত আদায় করলেই চলবে, না পুরো ছালাত আদায় করতে হবে?
প্রশ্ন (১৪/৪১৪) : অমুসলিমদের কাছে দো‘আ চাওয়ার বিধান কি? ভুলবশত চেয়ে ফেললে গুনাহ হবে কি?
প্রশ্ন (২৩/২৩) : বিসমিল্লাহ বলে ওযূ শুরু না করলে ওযূ হবে না (আবুদাঊদ হা/১০১)। আমার প্রশ্ন হ’ল, তবে এটা কি ফরয? সঠিক উত্তর জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৫/৫) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কি স্বামী-স্ত্রীকে এক সাথে ফরয গোসল করার নির্দেশ দিয়েছেন?
প্রশ্ন (১৩/১৩৩) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই রাতে ছালাত আদায় করা কষ্টকর কাজ। অতএব যখন তোমাদের কেউ বিতর পড়বে তখন যেন দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করে নেয়। যদি রাতে উঠতে পারে, তাহ’লে তাহাজ্জুদ পড়বে। নইলে এই দু’রাক‘আত তার রাতের ছালাত হিসাবে গণ্য হবে’ (দারেমী, মিশকাত হা/১২৮৬)। উক্ত হাদীছের উপর নিয়মিত আমল করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১২/১২) : অন্যের সন্তানকে নিজ সন্তান হিসাবে গ্রহণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/৩৩৯) : ইউটিউব ভিডিওতে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে যে উপার্জন করা হয় তা জায়েয কি? - -আবুল বাশার, রংপুর।
প্রশ্ন (১/২৮১) : জনৈক লেখক বলেন যে, বাঁশির শব্দে ইবনু ওমর (রাঃ) কানে আঙ্গুল দেয়াতে গান হারাম হয়েছে তা বলা যায় না (সৌভাগ্যের পরশমণি)। আবার রাসূল (ছাঃ) নিজে কানে আঙ্গুল দিয়েছিলেন কিন্তু ইবনু ওমর (রাঃ)-কে তা করতে বলেননি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খলীফাদের যুগে বাদ্যযন্ত্র ও গান নিষেধ ছিল না; বরং তা উপভোগ করা হত (তাবারী)। তিনি আরো বলেন, কুরআনে এমন কোন আয়াত নেই যা গানকে হারাম করে। তাই ইবনে হাজার, ইবনু খাল্লিকান, জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী, গাযালী প্রমুখ বিদ্বানদের মতে বাদ্যযন্ত্রসহ গান শোনা বৈধ। যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে এবং কল্যাণকর কথা হয়। উক্ত দাবীগুলো কি সত্য? সৌভাগ্যের পরশমণি’ এবং ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইগুলো কি গ্রহণযোগ্য?
আরও
আরও
.