উত্তর : স্বাভাবিকভাবে একটি কবরে একাধিক ব্যক্তিকে দাফন অনুচিৎ। তবে স্থান সংকুলান না হ’লে বা মহামারির কারণে একাধিক কবর খনন করার মত লোক পাওয়া না গেলে কেবল তখনই এক কবরে একাধিক ব্যক্তিকে দাফন করা যাবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ৫/২৪৭; উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৫/৩৬৯)। ওহোদ যুদ্ধের দিন একাধিক শহীদকে একই কবরে দাফন করা হয়েছিল (দ্র. সীরাতুর রাসূল (ছাঃ) ৩৮৫ পৃ.)। হিশাম ইবনু আমের (রাঃ) বলেন, আমরা ওহোদের দিন রাসুলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের পক্ষে প্রত্যেক শহীদের জন্য পৃথক পৃথক কবর খনন করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। তখন রাসূল (ছাঃ) বললেন, তোমরা কবর খনন কর এবং কবরকে গভীর কর এবং দু’জন বা তিন জনকে এক এক কবরে দাফন কর। ছাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! কাকে প্রথমে রাখব? তিনি বললেন, যে কুরআন বেশী জানে তাকে প্রথমে রাখ। রাবী বলেন, এভাবে আমার পিতা একই কবরের তিনজনের অন্যতম ছিলেন’ (নাসাঈ হা/২০১০; ইবনু মাজাহ হা/১৫৬০;  মিশকাত হা/১৭০৩)






প্রশ্ন (২৯/৪২৯) : আমি যেখানে কাজ করি তার আশেপাশে কোন মসজিদ নেই। মসজিদের দূরত্ব প্রায় দেড় থেকে দুই ঘন্টার পথ। এক্ষণে আমি অফিস থেকে জুম‘আ মসজিদের খুৎবা লাইভে শুনে জামা‘আতের সাথে জুম‘আ আদায় করতে পারব কি?
প্রশ্ন (২৮/৪৬৮) : আমার মা ক্যানসারের রোগী। যেকোন সময় মারা যেতে পারে। আমার নানা তার সমুদয় সম্পত্তি তার দ্বিতীয়া স্ত্রী ও সন্তানদেরকে লিখে দিয়েছে। এক্ষণে আমার মায়ের সম্পত্তিগুলো আমরা লিখে নিতে পারব কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৪/২০৪) :জিন-শয়তানের ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য কুরআন বুকে জড়িয়ে রেখে ঘুমানো যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/৭৫) : জনৈক ইমাম জুম‘আর খুৎবায় বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একদা রাতে পেশাব করে হাড়িতে রেখে সকালে একজন ছাহাবী আসলে তাকে প্রস্রাবগুলি ফেলে দিতে বললেন। ছাহাবী পেশাবের হাড়িটাকে বাহিরে নিয়ে গিয়ে রাসূলের প্রতি মহববতের কারণে তা খেয়ে নেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর কাছে আসলে তিনি বলেন, কি ফেলে দিয়েছ? তখন ছাহাবী চুপ থাকেন। বারবার জিজ্ঞেস করার পর লোকটি বলেন আমি তা খেয়ে ফেলেছি। ফলে উক্ত ছাহাবী মারা গেলে তার শরীর থেকে সুগন্ধি বের হয়। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৩/২৩৩) : জিন জাতির ইবাদতের ধরণ কি? তাদের উপরেও কি ছালাত, ছিয়াম, হজ্জ ফরয করা হয়েছে? তাদের জন্য কি কুরআনের মতো কোন ধর্মগ্রন্থ আছে? বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৯/১১৯) : ঠোটের নীচের লোম কাটা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৮/৪২৮) : আমরা জানি, মেঘের উপরে থাকে পজিটিভ চার্জ আর নীচে থাকে নেগেটিভ চার্জ। যেহেতু বিপরীতধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে। তাই এই পজিটিভ চার্জ ও নেগেটিভ চার্জ পরস্পরের সংস্পর্শে আসলে উপর থেকে নীচের দিকে চার্জের নির্গমন ঘটে। এর ফলে শক্তির নিঃসরণ ঘটে, শব্দ হয় ও আলোর ঝলকানি সৃষ্টি হয়। কিন্তু হাদীছে (তিরমিযী হা/৩১১৭) এই শব্দকে ফেরেশতাদের হাকডাক বলা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, এ হাকডাক দিয়েই মেঘমালাকে নির্দিষ্ট দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৬/১৭৬) : রোগী দেখতে গেলে ৭০ হাযার ফেরেশতা তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিন্তু যারা ডাক্তার তারা তো সর্বদা রোগীর পাশে থাকেন তাদের জন্যও কি একই হুকুম?
প্রশ্ন (১৫/৩৭৫) : অন্ধ ব্যক্তির জন্য আযান দেওয়া জায়েয নয়। অনেক ছাহাবী এটা অপসন্দ করেছেন- একথার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩৩৮) : শিশুদের অসুখ হয় কেন? তারা তো নিষ্পাপ। অসুখ হয় পাপ মোচনের জন্য। তাদের তো কোন পাপ নেই।
প্রশ্ন (২/৪০২) : দুনিয়াবী চাপমুক্তির জন্য আল্লাহর নিকটে মৃত্যু কামনা করা যাবে কি? - -আল-আমীন, ঢাকা।
প্রশ্ন (২০/৬০) : আমি শাড়ীর ব্যবসা করি। এটা কি হিন্দুদের পোষাক? এর ব্যবসা করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.