উত্তর : এগুলো সবই ভ্রষ্টতার যুগে সৃষ্ট। রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের যমানায় এসবের কোন অস্তিত্ব ছিল না। আর এটাই বাস্তব কথা, যেমন ইমাম মালেক (রহঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের যমানায় যা দ্বীন হিসাবে গণ্য ছিল না, আজকের দিনেও তা দ্বীন হিসাবে গণ্য হবে না (আল-ইনছাফ ৩২ পৃ.)। অতএব দলীলবিহীনভাবে ‘এই দো‘আ এতবার পাঠ করলে এই ফযীলত হবে’ মনে করে কোন আমলের সুযোগ নেই। বরং বিপদের সময় এক বা একাধিকবার দো‘আ ইউনুস পাঠ করতে হয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে কোন মুসলিম ব্যক্তি যে কোন সমস্যায় এই দো‘আটি পাঠ করলে আল্লাহ তা কবুল করেন’ (তিরমিযী হা/৩৫০৫; মিশকাত হা/২২৯২)। অনুরূপ কেউ শারীরিক বা মানসিক সুস্থতার জন্য কুরআন তেলাওয়াত করতে পারে। কারণ আল্লাহ বলেন, তুমি বলে দাও যে, এটি বিশ্বাসীদের জন্য পথনির্দেশ ও আরোগ্য (হা-মীম সাজদাহ ৪১/৪৪)।

ধারণা করা যায়, খতমে খাজেগান, খতমে আম্বিয়া ইত্যাদি অযীফাসমূহ উপমহাদেশের কোন পীর-বুযুর্গের মাধ্যমে চালু হয়েছে। তবে ঠিক কবে থেকে এর প্রচলন শুরু হয়েছে তা জানা যায় না।






প্রশ্ন (৩৪/৪৩৪) : ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় না খেয়ে ছিয়াম রাখায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (২৪/৩৪৪) : পিতা-মাতা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজনের কবরস্থানে যাওয়া সম্ভব না হ’লে একা একা যেকোন স্থান হ’তে হাত তুলে দো‘আ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৭/২৭): একটা কোম্পানীর মালিকের সাথে কর্মচারীর চুক্তি হয়েছে যে, তার মাসিক বেতন ১০ হাযার টাকা । কিন্তু সে যদি মাস শেষ হওয়ার ৫/১০ দিন আগেই বেতন গ্রহণ করতে চায়, তাহ’লে সে ৮ হাযার টাকা পাবে। এভাবে বেতনের চুক্তি করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৮/১৪৮) : যেকোন কাজ বাম দিক থেকে শুরু করলে বরকত থাকে না-কথাটির কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (৩৮/২৩৮) : নাপিতের পেশা থেকে উপার্জিত সম্পদ দিয়ে হজ্জ বা ওমরাহ করলে তা কবুল হবে কি? বিশেষত এর মধ্যে যদি দাড়ি শেভ করার ইনকাম থাকে?
প্রশ্ন (৪০/৮০) : বিবাহের পর স্ত্রীকে নিজ বাড়ীতে না নিয়ে জোরপূর্বক শ্বশুরবাড়ীতে দীর্ঘদিন রাখা শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (৪০/২০০) : হাজ্জাজ বিন ইউসুফ কি কুরআনের আয়াত সমূহে পরিবর্তন-পরিবর্ধন করেছিলেন? এ ব্যাপারে সঠিক ইতিহাস জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩১/১১১) : শিরক-বিদ‘আত সম্পর্কে জানা সত্ত্বেও যেসব সমাজ প্রধানগণ উক্ত কাজে বাধা না দিয়ে বরং প্ররোচিত করে, ক্বিয়ামতের দিন তাদের শাস্তি কি হবে? - -নাজমুল হোসাইন, চারঘাট, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১/৪১) : মিশকাতের ৯২৪, ৯২৬ ও ৯২৮ নং হাদীছে বর্ণিত হয়েছে ‘উম্মতের দরূদ ও সালাম রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট পৌছে’। ৯২৫নং হাদীছে বর্ধিতভাবে এসেছে ‘নিশ্চয় আল্লাহ আমার নিকট আমার রূহ ফেরত দেন যাতে আমি সালামের জবাব দিতে পারি’। সারাবিশ্বে প্রতিনিয়ত দরূদ ও সালাম পাঠ হচ্ছে। এমতাবস্থায় নবী (ছাঃ)-এর জীবিত থাকাই স্বাভাবিক। এক্ষণে হাদীছদ্বয়ের ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৮/৫৮) : তাহাজ্জুদ ও বিতরের ছালাতে ক্বিরাআত নীরবে না সরবে পাঠ করতে হবে?
প্রশ্ন (২/৩৬২) : ছালাতে সূরা ফাতিহার পর তিনবার আমীন বলা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৬/২৬) : এসএসসি, এইচএসসি অথবা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার জন্য পরীক্ষার দিনগুলোতে ছিয়াম রাখা যাবে কী?
আরও
আরও
.