উত্তরঃ গোনাহ্ হ’তে মুক্তি লাভের আশায় পাপগুলো স্মরণ করে আল্লাহর নিকট একনিষ্ঠচিত্তে ক্ষমা প্রার্থনা করবে (তাহরীম ৮)। তবে  তওবা কবুলের জন্য তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে (১) একমাত্র আল্লাহ্কে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যেই তওবা হ’তে হবে। (২) কৃত গোনাহের জন্য অনুতপ্ত হ’তে হবে। (৩) পুনরায় সে গোনাহে জড়িত না হওয়ার প্রতিজ্ঞা করতে হবে। আর যদি পাপটি বান্দার সাথে যুক্ত থাকে, তাহ’লে উপরের তিনটি শর্ত পূরণের সাথে চতুর্থ শত হিসাবে তাকে বান্দার নিকটে ক্ষমা চাইতে হবে ও তাকে খুশী করতে হবে। নইলে তার তওবা শুদ্ধ হবে না’ (নববী, রিয়াযুছ ছালেহীন, ‘তওবাঅনুচ্ছেদ)। তওবার জন্য পাঠ করতে হবে ‘আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বাইয়ুম ওয়া আতূবু ইলাইহে’ (তিরমিযী, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/২৩৫৩)






বিষয়সমূহ: পাপ
প্রশ্ন (২৫/১৪৫) : মুস্তাহাব গোসলের নিয়ম কি? জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৯/৩৩৯) : জুম‘আর দিন আমাদের মসজিদে পিতা-মাতাগণ ছোট বাচ্চাদের নিয়ে আসে, যারা মুছল্লীদের সামনে দিয়ে দৌড়াদৌড়ি, মারামারি করে ছালাতে বিঘ্ন ঘটায়। এভাবে তাদেরকে মসজিদে আনা যাবে কি? - -কামাল শেখ, চরকান্দি, মোল্লাহাট, বাগেরহাট।
প্রশ্ন (৩৩/৩৫৪) : তিনটি জিনিস সর্বদা সাথে রাখা সুন্নাত। চিরুনী, আতর ও মিসওয়াক। উক্ত কথার দলীল জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৬/৩৭৬) : সুন্নাত বা নফল ছালাতে বাংলায় দো‘আ করা যাবে কি? হারামের ইমামদের দেখা যায় তাঁরা রামাযান মাসে বিতর ছালাতে ইচ্ছামত লম্বা দো‘আ আরবী ভাষায় পড়েন। এক্ষণে আরবীতে পড়লে জায়েয, কিন্তু বাংলায় পড়লে নাজায়েয হবে কি? - -শো‘আইব আহমাদ, ডুইসবার্গ, জার্মানী।
প্রশ্ন (২২/৩৪২) যে ব্যক্তি ‘সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী’ পড়ে তার আমলনামায় নাকি এক লক্ষ চবিবশ হাযার নেকী লেখা হয়। একথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৩/২৭৩) : ঘরের চালা ও বেড়ার টিনের গায়ে মুরগী ও গরুর ছবি থাকলে উক্ত ঘরে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - -জাহাঙ্গীর আলম, মীরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৮/১৪৮) : যেকোন কাজ বাম দিক থেকে শুরু করলে বরকত থাকে না-কথাটির কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (৩৯/১১৯) : সূরা ইউসুফের ১০০ আয়াতে পিতা-মাতাকে সিজদা করা যায় বলে প্রমাণ মেলে। এক্ষণে কাউকে সম্মান ও শ্রদ্ধাবশতঃ সিজদা করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (১১/৩৩১) : আমি ফরয ও নফল আমলের ক্ষেত্রে নিয়ত করতে ভুলে যাই। এতে আমার আমল কবুল হবে কি? - -মাহতাবুদ্দীনঘোড়াঘাট, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৬/২৪৬) : নেয়ামুল কুরআনের ৯৫ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, ৫টি স্থানে মিথ্যা বলা জায়েয। ১. জিহাদের সময়, ২. মীমাংসার সময়, ৩. স্ত্রীর মন জয় করার জন্য, ৪. ছেলে-মেয়েকে পড়ানোর ব্যাপারে উৎসাহিত করার জন্য, ৫. কথা বলার ইচ্ছা নেই তবুও বলতে হয়, এমন অবস্থায়। এগুলোর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩/৪৩) : আমাদের ইমাম ছাহেব খুৎবায় বলেন, আব্দুর রহমান, আব্দুল খালেক এসব নামে আল্লাহর গুণাবলী প্রকাশ পাওয়ায় এরূপ নাম রাখা জায়েয নয়। একথা সঠিক কি? - -আনীসুর রহমানদারিয়া, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (২১/৩৪১) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে অর্থ সম্পদ দ্বারা কেউ সহযোগিতা করেছিলেন কি? এ মর্মে কোন প্রমাণ পাওয়া যায় কি?
আরও
আরও
.