উত্তর : এমতাবস্থায় পিছনে একাকী দাঁড়িয়ে ছালাত আদায় করবে। সামনের কাতার থেকে টেনে নেওয়া মর্মে বর্ণিত হাদীছটি অত্যন্ত যঈফ (ত্বাবরাণী আওসাত্ব হা/৭৭৬৪; মাজমা‘উয যাওয়ায়েদ হা/২৫৩৭; যঈফাহ হা/৯২১-৯২২)। তাছাড়া সামনের কাতার থেকে মুছল্লীকে পিছনে টেনে আনলে কাতারে শূন্যতা সৃষ্টি হয় (ফাতাওয়া উছায়মীন ১৩/৩৮)। উল্লেখ্য যে, একাকী পিছনের কাতারে দাঁড়িয়ে ছালাত হবে না মর্মে যে হাদীছ (আবুদাউদ হা/৬৮২; তিরমিযী হা/২৩১; মিশকাত হা/১১০৫) বর্ণিত হয়েছে তা ঐ সময় প্রযোজ্য যখন সামনের কাতার অপূর্ণ থাকবে। অতএব সামনের কাতার পূর্ণ হয়ে গেলে পরের কাতারে মুছল্লী একাকীই দাঁড়াবে। এতে তার ছালাত হয়ে যাবে। কিন্তু সামনের কাতারে জায়গা থাকতেও কেউ একাকী পিছনের কাতারে ছালাত আদায় করলে তার ছালাত হবে না (ইরওয়া হা/৫৪১-এর আলোচনা দ্র., ২/৩২৯)






প্রশ্ন (১/৮১): আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই (রূম ৩০)। কিন্তু আমাদের এলাকায় একজন মহিলা পুরুষে রূপান্তরিত হয়েছে। এটা কি ধরনের পরিবর্তন?
প্রশ্ন (২১/৬১) : আমাদের সমাজে প্রচলিত একটি কথা আছে যে গোসলের পর ভাত অথবা রুটি ছাড়া কোন ফল খাওয়া যাবে না। এটা কি সত্য? - -এনামুল হক, জগতী, কুষ্টিয়া।
প্রশ্ন (২৭/১০৭) : প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সাক্ষাতের সময় সালাম বিনিময় না করে প্রচলিত স্যালুট প্রথা শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (১৪/১৭৪) : সিজদায়ে সহো দিতে ভুলে গেলে উক্ত ছালাত বাতিল হবে কি?
প্রশ্ন (৪/৪৪) : যারা কথা বলতে পারে না তারা কিভাবে বিবাহে ঈজাব কবুল করবে?
প্রশ্ন (১৪/৩৭৪) : শেষ বৈঠকে পড়ার জন্য দরূদে ইব্রাহীমী ব্যতীত অন্য কোন দরূদ আছে কি?
প্রশ্ন (১১/২৫১) : আল্লাহর সৃষ্টিগত ও পরিচালনাগত কাজে কি ফেরেশতাদের ভূমিকা আছে?
প্রশ্ন (৩২/২৩২) : একটা ছেলের অপারেশনের জন্য একটি সংস্থার উদ্যোগে মানুষের নিকট থেকে তহবিল সংগ্রহ করার পর অপারেশনে তার অর্ধেক খরচ হয়েছে। বাকী টাকা সংস্থার তহবিলে রেখে দিয়েছে। অন্যদিকে ছেলেটির পূর্ণ সুস্থ হ’তে ১ বছর সময় লাগবে এবং এসময় সে কোন কাজ-কর্ম করতে পারবে না। এক্ষণে বাকী অর্থ তহবিলে রেখে অন্য কারো জন্য খরচ করা যাবে কি? নাকি যার কথা বলে আদায় করা হয়েছে তাকেই তা বুঝিয়ে দিতে হবে?
প্রশ্ন (১৪/৯৪) : ব্যাংক বা এনজিও থেকে সূদভিত্তিক ঋণ নিয়ে ব্যবসা করলে উক্ত ব্যবসা হালাল হবে কি? - -মনীরুযযামান টুটুল, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (১৩/৩৭৩) : সামনা সামনি কেউ প্রশংসা করলে করণীয় কি?
প্রশ্ন (৬/২৪৬) : নেয়ামুল কুরআনের ৯৫ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, ৫টি স্থানে মিথ্যা বলা জায়েয। ১. জিহাদের সময়, ২. মীমাংসার সময়, ৩. স্ত্রীর মন জয় করার জন্য, ৪. ছেলে-মেয়েকে পড়ানোর ব্যাপারে উৎসাহিত করার জন্য, ৫. কথা বলার ইচ্ছা নেই তবুও বলতে হয়, এমন অবস্থায়। এগুলোর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৫/১৭৫) : সংসারবিমুখ নববধু রাজধানীতে গুরুত্বপূর্ণ সরকারী চাকুরীতে ব্যস্ত থাকে এবং স্বামী দেশের বাড়িতে রান্না-বান্না সহ যাবতীয় কাজ আঞ্জাম দেয়। এক্ষণে স্বামীর জন্য করণীয় কি? - -আব্দুল্লাহ, লালমণিরহাট।
আরও
আরও
.